উন্নাও ধর্ষণ মামলা: শুনানির আগের দিনই রহস্যমৃত্যু নিগৃহীতা তরুণীর মৃত বাবার চিকিৎসকের

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: জেলের ভিতরে রহস্যজনক ভাবে মৃত্যু হয়েছিল তাঁর। অভিযোগ উঠেছিল পুলিশি নিগ্রহের। তিনি উন্নাওয়ের প্রাক্তন বিজেপি বিধায়ক কুলদীপ সেঙ্গারের হাতে ধর্ষিতা তরুণীর বাবা। এবার মারা গেলেন তাঁকে শুশ্রূষা করা চিকিৎসকও। আচমকা রহস্যমৃত্যু হল তাঁরও।

    ঘটনাচক্রে, আজ মঙ্গলবারই ছিল উন্নাওয়ের ধর্ষণ-কাণ্ডের শুনানি। সেখানে সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা ছিল এই চিকিৎসক প্রশান্ত উপাধ্যায়ের। তার ঠিক আগের দিন এই মৃত্যুর ঘটনা ঘটে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ফের মাথাচাড়া দিল উন্নাওয়ের ধর্ষণ-মামলাকে প্রভাবিত করার অভিযোগ।

    আরও পড়ুন: কী হয়েছিল উন্নাও-তে? কতটা কঠিন লড়াইয়ের পরে বিচার পেলেন ধর্ষিতা?

    ধর্ষেণর অভিযোগ তোলার পরেই জেলে বন্দি করে পিটিয়ে মারা হয় ধর্ষিতার বাবাকে। গ্রেফতার করে বন্দি করে রাখা হয় তাঁর কাকাকে। আদালতে যাওয়ার পথে দুর্ঘটনা ঘটানো হয় ধর্ষিতার গাড়িতে। মারা যান তাঁর কাকিমা ও বোন। ধর্ষিতা ও তাঁর আইনজীবী গুরুতর জখম হন। এইমসে চিকিৎসার পরে বিপদ কেটেছে তাঁদের। এর পরে কয়েক মাস আগে সাজা ঘোষণা হয় অভিযুক্ত কুলদীপ সেঙ্গারের। ফের মামলা ওঠে আদালতে। তার পরেই আবার মৃত্যু হল এই চিকিৎসকের। প্রশ্ন উঠেছে, বড় কোনও ষড়যন্ত্র ঢাকতেই কি একের পর এক অপরাধ ঘটিয়ে চলছে অভিযুক্তরা?

    আরও পড়ুন: উন্নাও যেন ধর্ষণের রাজধানী, ২০১৯-এর পরিসংখ্যান দেখলেই চোখ উঠবে কপালে

    পুলিশ জানিয়েছে, সোমবার আচমকাই ৪৫ বছরের ওই চিকিৎসক জানান, শ্বাসকষ্ট হচ্ছে তাঁর। কিছুক্ষণের মধ্যেই মারা যান তিনি। ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে তাঁর দেহ। ২০১৮-র এপ্রিলে উন্নাওয়ের ধর্ষিতা ও নিগৃহীতার পরিবারের তরফে বিধায়ক কুলদীপ সেঙ্গারের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করলে তাঁর বাবাকে মিথ্যে মামলায় ফাঁসানো হয়। গ্রেফতার করে নিয়ে গিয়ে জেলের ভিতরে চরম নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে পুলিশের বিরুদ্ধে। সেই সময়ে প্রহৃত বাবার চিকিত্‍সা করেছিলেন এই ডাক্তার। সোমবার রহস্যজনক ভাবে মৃত্যু হল তাঁর।

    আরও পড়ুন: উন্নাও: একের পর এক ধর্ষণের বিভীষিকা, গায়ে আগুন, মৃত্যু, বিচার চাইছে গোটা দেশ

    পুলিশ জানিয়েছে, ওই চিকিত্‍সককে নাকি এর আগেই সাসপেন্ড করা হয়েছিল। কারণ প্রহৃত অবস্থায় ওই ব্যক্তিকে যখন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, তখন তাঁর চিকিত্‍সা করেছিলেন এমার্জেন্সি ওয়ার্ডের দায়িত্বে থাকা প্রশান্ত উপাধ্যায়। অভিযোগ উঠেছিল, গভীর ক্ষত থাকা সত্ত্বেও প্রাথমিক চিকিৎসকা করে ধর্ষিতার বাবাকে ছেড়ে দেন তিনি। এর কয়েক ঘণ্টা পরেই পুলিশ হেফাজতেই মৃত্যু হয় তাঁর। তদন্তে নেমে ওই চিকিৎসককে সন্দেহের তালিকায় রাখে সিবিআই। তার জেরেই সেই সময়ে তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়।

    আরও পড়ুন: আদালতে প্রকাশ্যে কুপিয়ে মারা হয়েছিল আক্কু যাদবকে, কেটে নেওয়া হয়েছিল পুরুষাঙ্গ! ধর্ষণের বিচারের দাবিতে সেই স্মৃতি ফিরে আসছে সোশ্যাল মিডিয়ায়

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More