ট্রাম্পের টুইট দেখে খুশি সূর্যবাবু!

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: এই তো গত মাসের ঘটনা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন দু’দিনের ভারত সফরে এলেন, কলকাতার রাস্তায় নেমে পড়েছিলেন বাম কর্মী-সমর্থকরা। কেউ আমেরিকান এম্বাসীর দিকে মিছিল করেছিলেন, কেউ বা ডোরিনা ক্রসিংয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের কুশপুতুল পুড়িয়ে স্লোগান দিয়েছিলেন, “মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের কালো হাত ভেঙে দাও, গুঁড়িয়ে দাও!”

    কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্টের টুইট দেখে কোনও শীর্ষ বাম নেতা যদি ‘হ্যাপি’ হন তাহলে তা অবাক হওয়ার মতোই ঘটনা। ট্রাম্পের টুইট দেখে খুশি হয়েছেন সিপিএম রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র। সেই টুইট আবার রিটুইট করে সূর্য বাবু লিখেছেন, “আমরা এটা দেখে খুশি হয়েছি!”

    কী টুইট?

    ভারতীয় সময় শুক্রবার দুপুরে একটি টুইট করেন ট্রাম্প। সেখানে তিনি জানান চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর সঙ্গে কথা হয়েছে।

    এতদিন বিশ্ব জুড়ে কোভিড ১৯ অতি মহামারীর জন্য চিনকে দোষ দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এমনকি করোনাভাইরাসকে ‘চাইনিজ ভাইরাস’ বা ‘উহান ভাইরাস’ বলেও কটাক্ষ করেছেন তিনি। কিন্তু শুক্রবার আচমকাই সুর বদলে টুইট করেন ট্রাম্প। তিনি লেখেন, “এইমাত্র চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর সঙ্গে ফোনে কথা বললাম। ভালই আলোচনা হল। করোনাভাইরাস এখন আমাদের গ্রহের এক বিরাট অংশে দাপট দেখাচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে তাঁর সঙ্গে কথা বললাম। চিন ওই ভাইরাস সম্পর্কে অনেক কিছু জানে। আমারা এখন একসঙ্গে কাজ করছি।” আর এতেই হোয়াইট হাউসের প্রতি খুশি হয়েছে মুজফফর আহমেদ ভবন।


    এমনিতে করোনা নিয়ে চিনের বিরুদ্ধে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ তোপ দাগছিল। বাংলাতেও চিন নিয়ে কমিউনিস্ট তথা বামেদের চোখা চোখা প্রশ্ন আর বাক্যের মুখে পড়তে হচ্ছিল। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ছিল একের পর এক মিম। কমিউনিস্ট চিন নিয়ে অস্বস্তিতে পড়ে যাওয়া বঙ্গ সিপিএমে যেন অক্সিজেন জোগাল ট্রাম্পের টুইট।

    পর্যবেক্ষকদের মতে, করোনা ভাইরাসের আতঙ্কে সারা পৃথিবীরতে সমস্ত রাজনৈতিক, কূটনৈতিক রেষারেষি যেন দুম করে উধাও হয়ে গিয়েছে। ট্রাম্প কথা বলছেন শি-এর সঙ্গে, ট্রাম্পের প্রতি খুশি হচ্ছে সিপিএম, নরেন্দ্র মোদী-মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একসুরে মানুষের কাছে একই আবেদন করছেন, অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণের আর্থিক প্যাকেজ ঘোষণার পর রাহুল গান্ধী বলছেন, “সঠিক পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার’! যা কখনওই দেখা যায় না, ভাইরাসের ভয়ে সেগুলোই ঘটে যাচ্ছে। একের পর এক।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More