শনিবার, মার্চ ২৩

সোনালি পাড়ের ধুতি, সাদা পাঞ্জাবি, রাহুলকে কেমন লাগছে দেখুন

দ্য ওয়াল ব্যুরো: অভ্যেস নেই যে পা ফেলা দেখেই বোঝা যাচ্ছিল। ম্যানেজ করতে পারছিলেন না। পায়ে পা জড়িয়ে যাচ্ছিল । তবু সোনালি পাড়ের ধুতি আর সাদা পাঞ্জাবি, এই সনাতনী পোশাকেই তামিলনাড়ুর তিরুমালা বালাজি মন্দিরে গিয়ে পুজো দিলেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। গায়ে ছিল একটি সিল্কের চাদরও। সেটাতেও সোনালি পার।

দু’ঘণ্টায় দশ কিলোমিটার হেঁটে পাহাড়ের উপরে ভেঙ্কটেশ্বর মন্দিরে ওঠেন রাহুল। ২০ মিনিট ছিলেন সেখানে। আলিপিরি থেকে কড়া নিরাপত্তায় পাহাড়ে ওঠেন রাহুল। পুজো দেওয়ার পর ভেঙ্কটেশ্বর বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেন সনিয়া-পুত্র।

অতীতে দেখা গিয়েছিল অন্ধ্রপ্রদেশের খরার সময় মাইলের পর মাইল পদযাত্রা করেছিলেন রাজশেখর রেড্ডি। অনেকে আবার রাহুলের এই পায়ে হেঁটে মন্দিরে ওঠার সঙ্গে রাজশেখরের পদযাত্রার তুলনা টেনেছেন।

একটা সময় অন্ধ্রপ্রদেশে রাজশেখর রেড্ডির নেতৃত্বে কংগ্রেস ছিল অত্যন্ত শক্তিশালী। কিন্তু এখন সময় বদলেছে। রাজশেখরের মৃত্যুর পর ছেলে জগনমোহনও কংগ্রেস ভেঙে ওয়াইএসআর কংগ্রেস তৈরি করেছেন। স্বাভাবিক ভাবেই দুর্বল হয়েছে কংগ্রেস। আর কদিন পরেই লোকসভা ভোট। এমনিতেই অন্ধ্রপ্রদেশের রাজনৈতিক ভারসাম্যে বদল হয়েছে। এতদিন সেখানকার শাসক দল তেলুগু দেশম পার্টির সঙ্গে কংগ্রেসের আড়াআড়ি বিরোধ ছিল। বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ-তে ছিল চন্দ্রবাবু নায়ডুর দল। কিন্তু এখন সে সব অতীত। এনডিএ ছেড়ে বেরিয়ে চন্দ্রবাবু ফুলের তোড়া নিয়ে নিজে ছুটেছিলেন রাহুলের বাড়িতে। পর্যবেক্ষকদের মতে দক্ষিণের এই রাজ্যে রাহুলের সফরে রাজনৈতিক তাৎপর্যও রয়েছে। তাঁদের মতে, ইন্দিরা আম্মার সময় থেকেই অন্ধ্রের মানুষের কংগ্রেস তথা গান্ধী পরিবারের প্রতি একটা আবেগ আছে। সেই আবেগ রয়েছে সনিয়াকে নিয়েও। রাহুল হয়তো সেটাকেই কাজে লাগাতে চাইছেন।

Shares

Comments are closed.