রুক্ষ পাহাড়ের খাঁজে জ্বলজ্বলে একজোড়া চোখ! লুকিয়ে রয়েছে কে?

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: ক্যামোফ্লাজ। গোদা বাংলায় যার অর্থ ছদ্মবেশে লুকিয়ে থাকা। ঘন জঙ্গলে গাছের পাতার আড়ালে পশুপাখিদের লুকিয়ে থাকার ক্ষেত্রে এ শব্দ হামেশাই ব্যবহার করেন ফটোগ্রাফাররা। আর এ বার এই বিশেষণ ব্যবহার করা হয়েছে এক তুষার চিতাবাঘের জন্য। ওয়াইল্ড লাইফ ফটোগ্রাফার সৌরভ দেশাই সম্প্রতি গিয়েছিলেন হিমাচলের স্পিতি ভ্যালিতে। পেশা এবং নেশার খাতিরে যেখানে সেখানে ঝলসে উঠেছিল ক্যামেরার ফ্ল্যাশ। আর তাতেই ধরা দিয়েছিল এক তুষার চিতাবাঘ।

    ইনস্টাগ্রামে ভাইরাল হয়েছে দেশাইয়ের এই ছবি। রুক্ষ পাথুরে খাদে দেওয়াল। উপরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে জমা হাল্কা বরফ। একঝলক দেখলে কিছুই টের পাবেন না আপনি। কোথায় চিতা, কোথায় কী? রুক্ষ পাথুরে খাদের দেওয়াল আর সামান্য বরফ ছাড়া নজরে আসবে না কিছুই। তবে একটু ভালো করে খতিয়ে দেখলেই বুঝবেন ওই রুক্ষ পাথুরে খাঁজেই বসে রয়েছে সে। জ্বলজ্বল করছে একজোড়া চোখ। সজাগ দৃষ্টি। যেন ক্যামেরার লেন্স যে তার দিকেই তাক সে কথা স্পষ্টই বুঝেছেন ওই তুষারচিতা।

    সাধারণত হিমাচল প্রদেশের ৯৮০০ ফুট থেকে ১৭০০০ ফুট উচ্চতায় রুক্ষ পাথুরে জমিতেই এই তুষার চিতাবাঘের আস্তানা। পাহাড়ের ভূত বা ‘ঘোস্ট অফ মাউন্টেন’ বলেই স্থানীয়দের কাছে এই চিতাবাঘ পরিচিত। লাহুল এবং স্পিতির কিব্বার বন্যপ্রাণ অভয়ারণ্য থেকে চাম্বা জেলার পাঙ্গি এবং আদিবাসী কিন্নৌর জেলার লিপ্পা আসরং পর্যন্ত এই তুষার চিতাবাঘেরা ঘোরাফেরা করে। সৌরব দেশাই জানিয়েছেন, হিমাচলের কিব্বার গ্রামেই গিয়েছিলেন তিনি। প্রসঙ্গত, এই গ্রামই বিশ্বের সবচেয়ে উঁচুতে থাকা গ্রাম যেখানে এখনও যানবাহনের সাহায্যে যাতায়াত সম্ভব। সৌরভের কথায়, এই কিব্বার গ্রাম থেকেই ৮ কিলোমিটার দূরে তুষার চিতাবাঘটিকে লেন্সবন্দি করেছিলেন তিনি।

    সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক জনপ্রিয় হয়েছে দেশাইয়ের এই অভিনব ফ্রেম। অনেকেই প্রথম দেখায় খুঁজেই পাননি ওই তুষারচিতাবাঘকে। তারপর খুঁজে পেয়ে নেটিজেনদের অনেকেই নিজের বন্ধুদেরকেও ছদ্মবেশে লুকিয়ে থাকা ওই তুষার চিতা বাঘটিকে খুঁজে বের করার চ্যালেঞ্জ দিয়েছেন। অনেকেই বলেছেন, “বহুক্ষণ ধরে তাকিয়ে থাকার পর ওই চিতাবাঘের চোখদুটিকে আবিষ্কার করতে পেরেছি।”

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More