শুক্রবার, জানুয়ারি ২৪
TheWall
TheWall

এবার মেঘালয়, শিলংয়ে কার্ফু, ক্যাব-প্রতিবাদ আটকাতে বন্ধ ইন্টারনেট

Google+ Pinterest LinkedIn Tumblr +

দ্য ওয়াল ব্যুরো: অসমের পাশাপাশি উত্তর-পূর্ব ভারতের মেঘালয়েও আজ (শুক্রবার) নিয়ে টানা তিন দিন বন্ধ মোবাইল ইন্টারনেট ও এসএমএস পরিষো। নাগরিকত্ব (সংশোধন) বিলের প্রতিবাদে এই রাজ্যেও চলছে বিক্ষোভ। যদিও বিক্ষোভের মধ্যেই বৃহস্পতিবার এই বিলে সই করে দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ।

শিলং থেকে পাওয়া ভিডিওয় দেখা গেছে, অন্তত দুটি গাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে, কেনাকাটার মূল জায়গা পুলিশ বাজারের দোকানপাটও বন্ধ। আরেকটি ছবিতে দেখা গেছে, শহরের প্রধান সড়কে মশাল নিয়ে মিছিল করা হচ্ছে।

রাজধানী শিলং থেকে ২৫০ কিলোমিটার দূরে উইলিয়ামনগরে নাগরিকত্ব বিলের বিরোধীরা হেনস্থা করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমাকে। এক স্বাধীনতা সংগ্রামীরকে শ্রদ্ধা জানানোর জন্য তিনি তিনি উইলিয়ামনগরে গিয়েছিলেন। চপার থেকে নামতেই তাঁকে হেনস্থা করা হয়।

কোনও রকম গুজব না ছড়ানোরজন্য টুইট করে রাজ্যের বাসিন্দাদের অনুরোধ করেছে মেঘালয় পুলিশ।

বৃহস্পতিবারই টুইট করে দেশের মানুষকে সংযত থাকতে অনুরোধ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, একই সঙ্গে তিনি অসমের মানুষকে আশ্বাস দিয়েছেন ভয় না পেতে।

উত্তর-পূর্ব ভারতের বিভিন্ন জায়গা থেকে বিক্ষোভের খবর পাওয়া যাচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ত্রিপুরাতও গুলি চালিয়েছে পুলিশ। ত্রিপুরায় নেমেছে আধাসেনা।

সবচেয়ে পরিস্থিতি খারাপ অসমে। সেখানে পুলিশের গুলিতে অন্তত তিন জনের মৃত্যু হয়েছে।

গুয়াহাটিতে ইতিমধ্যেই জারি হয়েছে কার্ফু।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সিদ্ধান্ত হয়, অসমের অন্তত ১০টি জেলায়  আরও ৪৮ ঘণ্টা ইন্টারনেট ও মোবাইল পরিষেবা বন্ধ রাখা হবে। গুজব রুখতে বুধবার ইন্টারনেট ও মোবাইল ফোন পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছিল প্রশাসন।

তিনসুকিয়ায় ১২ ঘণ্টার জন্য জারি হয়েছে কার্ফু। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৫টা থেকে শুক্রবার ভোর ৫টা পর্যন্ত তা জারি থাকবে।

গুয়াহাটির গণেশগুড়িতে বৃহস্পতিবার রাজ্য পুলিশের মহা নির্দেশকের গাড়িতে হামলা হয়েছে। ইট, পাথর দিয়ে ডিজিপির কনভয়ে হামলা করে আন্দোলনকারীরা।

বুধবার রাত থেকেই গুয়াহাটির রাজপথে নেমে প্রতিবাদ জানাতে শুরু করেন অন্তত দশ হাজার মানুষ। হাত কেটে রক্ত দিয়ে পোস্টার লিখে স্লোগান তোলেন ছাত্রছাত্রীরা। রাজধানী দিসপুরের সচিবালয়ের নিরাপত্তাবেষ্টনী ভেঙে ফেলেন প্রতিবাদীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বঙ্গাইগাঁও ও ডিব্রুগড়ে দু’কলাম সেনা মোতায়েন করা হয়। জোরহাটেও সেনা মোতায়েন করা হয়। ডিব্রুগড়ে জারি হয় ১৪৪ ধারা।  সেখানে যে কোনও ধরনের জমায়েত, মিটিং, মিছিল নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

Share.

Comments are closed.