আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে বিকল দু’টি শৌচালয়, ডায়াপার পরে দিন কাটাতে হচ্ছে মহাকাশচারীদের! ব্যতিব্যস্ত নাসা

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: রোজকার ব্যবহারের শৌচালয় মনের মতো না হলে যে কী অসুবিধা হয়, তা কে না জানে! অনেকে অনেক কিছুর সঙ্গে আপস করতে পারলেও, এই বিষয়টায় প্রায় সকলেই একটু পরিচ্ছন্নতা আর আরাম চান। আর কোনও কারণে যদি কাজই না করে শৌচালয়, তা হলে তো সমস্যার অন্ত নেই। এমনটা হলে কী করবেন ভেবে দেখেছেন কি? ভাবতে পেরেছেন, ডায়াপার পরে দিন কাটাতে হতে পারে শৌচালয়ের অভাবে! চমকে ওঠার মতো হলেও, এমনটাই ঘটেছে ভাসমান ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশনে। ফলে সমতলে নয়, মহাকাশের বুকে ডায়াপার পরে থাকতে হচ্ছে মহাকাশচারীদের!

নাসা জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন বা ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশনে (আইএসএস) সময় কাটানোটাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। কারণ আমেরিকার অংশে যে শৌচালয়টি রয়েছে, সেটিতে প্রায়ই যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিচ্ছে। এবং রাশিয়ার অংশে যে দ্বিতীয় শৌচালয়টি আছে, সেটি অতিরিক্ত ব্যবহারে এতটাই অপরিচ্ছন্ন হয়ে গিয়েছে যে তা ব্যবহার করা সম্ভব হচ্ছে না মহাকাশচারীদের পক্ষে। ফলে শরীর থেকে যে সব বর্জ্য বেরোচ্ছে, তা সামাল দেওয়ার জন্য ডায়াপারের উপরেই নির্ভর করতে হচ্ছে তাঁদের।

আরও পড়ুন: ভারতীয় নৌসেনার প্রথম মহিলা পাইলট শিবাঙ্গী, নতুন ইতিহাস প্রতিরক্ষায়

আইএসএস-এর কম্যান্ডার লুনা পারমিতানো জানিয়েছেন, মহাকাশচারীরা রীতিমতো নাস্তানাবুদ হয়ে উঠেছেন এই পরিস্থিতিতে। নাসা যদি খুব তাড়াতাড়ি কোনও ব্যবস্থা না নেয়, তা হলে অভিযান বন্ধ করে স্পেস স্টেশন থেকে ফিরে আসতে হতে পারে মহাকাশচারীদের।

নাসা জানিয়েছে, মহাকাশে এমনিতেই শৌচালয়ের সমস্যা প্রচুর। বহু যান্ত্রিক ব্যবস্থা দিয়ে পরিচালনা করতে হয় শৌচালয়ের নিকাশি ব্যবস্থা। দু’টি করে আউটলেট থাকে শৌচালয়ে। দু’টি আউটলেটেই বর্জ্য শোষণ করে নেওয়ার উপযোগী সাকশন ফ্যান থাকে। মহাকাশচারীদের ত্যাগ করা বর্জ্য পদার্থকে শুষে নিয়ে শৌচালয় পরিষ্কার করে দেয় ওই সাকশন ফ্যান। কিন্তু এই মুহূর্তে কাজ করছে না ফ্যানগুলি। ফলে বিকল্প হিসেবে তৃতীয় কোনও শৌচালয়ের ব্যবস্থা করা যায় কিনা, দেখছে তারা।

বিগড়ে যাওয়া ফ্যানগুলি ঠিক করা যায় কিনা, সে বিষয়েও খতিয়ে দেখছে নাসা। এপ্রিল মাসে চিনের একটি স্পেস স্টেশন তিয়ানগং-২ ভেঙে পড়ার পরে, এই মুহূর্তে মহাকাশে একটিই স্পেস স্টেশন রয়েছে। আমেরিকা, রাশিয়া, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, কানাডা এবং জাপান একসঙ্গে এই আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনটি পরিচালনা করছে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More