আমার করের টাকা খরচ হোক শিক্ষার খাতে! জেএনইউয়ের সমর্থনে টুইট অপর্ণার

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: “আমি কর দিই, তাই আমি চাই, আমার করের টাকায় জেএনইউ-এর মতো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলিতে ভর্তুকি দেওয়া হোক।”– এমনটাই টুইট করেছেন অভিনেত্রী অপর্ণা সেন। বস্তুত, অপর্ণা একা নন। গোটা সোশ্যাল মিডিয়া জুড়েই শুরু হয়েছে ট্রেন্ডিং।

    জেএনইউ-এর ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদে যে আন্দোলন চলছে, তাতে সমর্থন করে এমনটাই লিখছেন নেটিজেনরা। জেএনইউ-এর ফি এক ধাক্কায় কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেওয়ার বিরোধিতা করে বিক্ষোভে সামিল হয়েছেন পড়ুয়ারা। সে বিক্ষোভের আঁচ সোশ্যাল মিডিয়াতেও। নেটিজেনদের একাংশের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে, প্রতিষ্ঠিত পরিবার থেকে পড়তে এলে তারা কেন সরকারি ভর্তুকি পাবে? সাধারণ মানুষের করের টাকায় কেন করবে কেউ পড়াশোনা?

    এই প্রশ্নের উত্তরেই সরব হয়েছেন অনেকে। হ্যাশট্যাগ স্ট্যান্ড উইথ জেএনইউ ট্রেন্ড চলছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। নেটিজেনদের বক্তব্য, তাঁরা কর দেন। তাই চান, তাঁদের করের টাকায় মন্দির বা মসজিদ নয়, মূর্তি নির্মাণ নয়, তাঁদের করের টাকা শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় হোক আরও বেশি করে।

    এই ট্রেন্ডের বক্তব্যই প্রতিধ্বনিত হল অপর্ণা সেনের টুইটে। তাঁকে অনেকে সমর্থন করলেও, অনেকেই বিরোধিতা করে মন্তব্য করেছেন। দাবি করেছেন, যে প্রতিষ্ঠানে বিবেকানন্দর মূর্তিকে অসম্মান করা হয়, সেখানে শিক্ষার অভাব রয়েছে। তাই সেখানে সাধারণ মানুষের করের টাকা বিনিয়োগ করা মোটেই কাজের কথা নয়।

    দেখুন অপর্ণার টুইট।

    হস্টেল ফি বৃদ্ধির বিরুদ্ধে দিন কুড়ি হল আন্দোলন চলছে দিল্লির এই বিশ্ববিদ্যালয়ে। আন্দোলনের মাঝে কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়নমন্ত্রীকে পাঁচ ঘণ্টা আটকেও থাকতে হয়। দিন কয়েক আগে সমাবর্তন অনুষ্ঠানে বিপাকে পড়তে হয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে। এর পরে অবশ্য হস্টেল ফি কিছুটা কমানোর সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ। কিন্তু আন্দোলনকারীরা তাকে আইওয়াশ বলে আরও জোরালো করে বিক্ষোভ।

    রবিবারই বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য জগদীশ কুমার ভিডিও বার্তার মাধ্যমে আন্দোলনরত ছাত্রছাত্রীদের কাছে ক্লাসে ফেরার আবেদন করেন। তিনি বলেনলাগাতার এই আন্দোলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পঠনপাঠনে সরাসরি প্রভাব পড়ছে। যদিও তাতে চিঁড়ে ভেজেনি।

    ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক তিন সদস্যের একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি গড়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনতে। তাঁরা ছাত্রদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে ভূমিকা নেবেন। কিন্তু তা কবে হয়জেএনইউতে ফের কবে ক্লাস শুরু হয়আন্দোলনই বা কোন দিকে মোড় নেয় এখন সেটাই দেখার।

    গত কয়েক বছরে বারবার ছাত্রআন্দোলনের কারণে শিরোনামে এসেছে জেএনইউ। কানহাইয়া কুমার, উমর খালিদ, অনির্বাণ ভট্টাচার্যের মতো ছাত্রনেতাদের বিরুদ্ধে দেশদ্রোহীতার মামলাও রুজু হয়েছিল। কিন্তু আন্দোলন থেমে থাকেনি। সূত্রের খবর অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী  পরিষদের নেতারাও ক্যাম্পাসে গিয়েছেন। ফলে পরিস্থিতি আরও ঘোরাল হতে পারে বলে আশঙ্কা অনেকের।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More