মেধার মাপকাঠি নম্বর বা গ্রেড নয়, ছাত্রছাত্রীদের সুপ্ত প্রতিভাকে বের করে আনে দুর্গাপুরের ডঃ বিসি রায় গ্রুপ অব ইনস্টিটিউশনস

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    চৈতালী চক্রবর্তী

    পায়ে পায়ে পেরিয়ে গেছে ২০টা বছর। পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম রূপকার ডঃ বিধানচন্দ্র রায়ের আদর্শকে সম্বল করে শুরু হয়েছিল যে পথ চলা, তাই আজ উন্নতির শিখর ছুঁয়েছে। শিক্ষায়, সংস্কৃতিতে, প্রযুক্তি ও তার বাস্তব প্রয়োগে, সৃজনশীল চিন্তার বিকাশে বাংলার ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজগুলোর মধ্যে অন্যতম নাম ডঃ বিসি রায়  ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ। পড়াশোনা শুধু বইয়ের পাতায় বন্দি পাঠ্যক্রম ভিত্তিক কিছু ধারাবাহিকতা নয়, আদর্শ শিক্ষা তখনই হয় যখন সেটা সাফল্যে, উৎকর্ষে সব গতানুগতিকতাকে ছাপিয়ে যায়। নিজেদের লক্ষ্যে এগিয়ে যাওয়ার সংকল্প নিয়ে যে ছাত্রছাত্রীরা কলেজের গণ্ডিতে পা দেয়, তাদের সেই আকাঙ্খাকে সঠিক দিশায় শাসনে-স্নেহে বাস্তব রূপ দিতে পারে যে কলেজ, সেই হয় সেরা। দীর্ঘ ২০ বছরে এনবিএ অনুমোদনপ্রাপ্ত ডঃ বিসি রায় গ্রুপ সাফল্যের সেই মাপকাঠিতে নিজেদের প্রমাণ করে ফেলেছে।

    স্কুলের গণ্ডি পেরিয়ে নানা প্রবেশিকা পরীক্ষার হাত ধরে ছাত্রছাত্রীরা যখন ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে পা রাখে, তখন তাদের ভিতরে তৈরি হয় একটা উচ্চাভিলাষ। ভবিষ্যতে কিছু করে দেখানোর ইচ্ছা। পড়ুয়াদের সেই ইচ্ছাকে সঠিক গাইডেন্স ও অনুপ্রেরণা দিয়ে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টাই করে দুর্গাপুরের ডঃ বিসি রায় গ্রুপ। মেধার সঠিক মাপকাঠি নম্বর বা গ্রেড নয়। বরং ছাত্রছাত্রীদের সুপ্ত প্রতিভাকে বার করে আনার মধ্যেই রয়েছে শিক্ষক-শিক্ষাকার মুন্সিয়ানা। সেই কাজটাই দক্ষতার সঙ্গে করে চলেছে এই কলেজ, আর এখানেই তার স্বার্থকতা। বাড়ির নিরাপদ আশ্রয় ছেড়ে দুর্গাপুরের প্রত্যন্ত এলাকায় এই কলেজে পাঠাতেও তাই বাবা, মায়েরা দ্বিধা করেন না।

    ডঃ বিসি রায় ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ


    ২০০০ সালে শুরু হয়েছিল পথচলা…

    স্থানীয় কয়েকজন উদ্যোগপতির চেষ্টায় দুর্গাপুরের ফুলঝোড় এলাকায় এই কলেজ তৈরি হয় ২০০০ সালে। ভারতরত্ন ডঃ বিধানচন্দ্র রায়ের আদর্শকে পাথেয় করে শুরু হয় জার্নি। কলেজের উদ্বোধন করেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। কলেজ কর্তৃপক্ষ থেকে অধ্যাপক-অধ্যাপিকাদের সমবেত প্রয়াস, পড়ুয়াদের পরিশ্রমকে সঙ্গী করে ধীরে ধীরে উচ্চতার শিখরে পৌঁছয় এই কলেজ।

    ডঃ বিসি রায় গ্রুপের ইঞ্জিনিয়ারিং শাখা তো বটেই পাশাপাশি ডঃ বিসি রায় অ্যাকাডেমি অব প্রফেশনাল কোর্সেস (এপিসি), ডঃ বিসি রায় কলেজ অব ফার্মাসি এবং ডঃ বিসি রায় পলিটেকনিক কলেজ— প্রতিটি শাখাই তাদের পড়ানোর পদ্ধতিতে, চিন্তার নতুনত্বে এবং ঝকঝকে কেরিয়ার গড়ার লক্ষ্যে পড়ুয়া ও অভিভাবকদের মন জয় করেছে। মূল শাখাগুলি ছাড়াও পৃথক ক্যাম্পাসে এমবিএ, এমসিএ, ফার্মাসি বিভাগে বি-ফার্ম, এম-ফার্ম, পলিটেকনিক, ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের বিভিন্ন কোর্স তো রয়েছেই, ছাড়াও রয়েছে অ্যাকাডেমি অব প্রফেশনাল কোর্সে বিবিএ, বিসিএ ও বিবিএ হসপিটাল ম্যানেজমেন্টের মতো বৃত্তিমূলক স্নাতক কোর্সও।

    (বাঁ দিকে, ডঃ বিসি রায় পলিটেকনিক কলেজ। ডঃ বিসি রায় অ্যাকাডেমি অব প্রফেসনাল কোর্সেস (এপিসি) (ডান দিকে)

    কলেজের সমস্ত বিভাগ মিলিয়ে পড়ুয়ার সংখ্যা পাঁচ হাজারেরও বেশি। শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মচারী মিলিয়ে সংখ্যাটা পাঁচশো ছাড়িয়েছে। ছাত্রছাত্রীর সংখ্যাও দিন দিন বাড়ছে। পিএইচডি স্কলার রয়েছেন ৫৪ জনেরও বেশি। অধ্যাপক-অধ্যাপিকারাও আইআইটি, এনআইটি, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় অথবা কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স বা পিএইচডি হোল্ডার।

    দুর্গাপুর বিধানগরের ফার্মাসি কলেজ ক্যাম্পাস

    কলেজ ক্যাম্পাসও যথেষ্টই নজরকাড়া। ৩৪টি বহুতলে রয়েছে একাধিক ল্যাবোরেটরি, ওয়ার্কশপ, লাইব্রেরি, ল্যাঙ্গুয়েজ ল্যাব, মাল্টিজিম (মহিলা ও পুরুষদের জন্য আলাদা), মেডিক্যাল ইউনিট, নোডাল সেন্টার, অডিটোরিয়াম। পড়ুয়াদের জন্য রয়েছে সাতটি হস্টেল।


    শিক্ষার দোসর সুস্বাস্থ্য, ডঃ বিসি রায় গ্রুপের হাত ধরেছে দুর্গাপুর মিশন হাসপাতাল

    মেধার সঙ্গে যদি দোসর হয় সুস্বাস্থ্য, তাহলে সফলতার চাবিকাঠি একেবারে হাতের মুঠোয়। সে কেরিয়ার গড়ার সময়ে হোক, বা জীবনের নানা পর্যায়ে। আর ভবিষ্যত গড়ার সূচনাতেই যদি দুয়ে মিলে যায় তাহলে চলার পথ অনেকটাই মসৃণ হয়। এমনটাই মনে করেন দুর্গাপুর বিসি রায় ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ কর্তৃপক্ষ এবং অবশ্যই কলেজের শিক্ষক-শিক্ষিকারা। কলেজের ছাত্রছাত্রীরা তো বটেই, শিক্ষক-শিক্ষিকা থেকে অশিক্ষক কর্মচারী, সকলের জন্যই চিকিৎসার সুবন্দোবস্ত করতে এগিয়ে এসেছে মিশন হাসপাতাল। যে কোনও দুরারোগ্য ব্যধি হোক বা শারীরিক সমস্যা— কলেজ পড়ুয়া, শিক্ষক থেকে অশিক্ষক কর্মচারীদের পাশে রয়েছেন মিশন হাসপাতালের অভিজ্ঞ সার্জেনরা।

    আরও পড়ুন: শিক্ষার সঙ্গে মিলে যাক সুস্বাস্থ্যও, ডঃ বিসি রায় ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের সঙ্গে মউ দুর্গাপুর মিশন হাসপাতালের


    ডিজিটাল মার্টেকিং, ই-লার্নিং থেকে পাইথন প্রজেক্ট—দেশি-বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাহচর্যে একাধিক প্রজেক্টে সাফল্য

    • মৌলানা আবুল কালাম আজাদ টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটি ও কেমব্রিজ মার্কেটিং কলেজের (ব্রিটেন) হাত ধরে ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে নতুন পথ দেখিয়েছে ডঃ বিসি রায়  ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ।
    • পাঠ্যবইয়ের সীমিত শিক্ষার বাইরে গিয়ে টেকনিক্যাল বিষয়ে পড়ুয়াদের জ্ঞানের পরিধি বাড়াতে বিসি রায় গ্রুপ নানা রকম পরিকল্পনা নিয়েছে। তার মধ্যে সম্প্রতি টেক-ফেস্ট এবং গুগল-ক্লাউড টেকনোলজি নিয়ে পড়ুয়া-শিক্ষকদের ওয়ার্কশপ প্রশংসা পেয়েছে।
    • গত এপ্রিলেই ইনস্টিটিউট অব ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ার’স (আইইইই)-র সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছে ডঃ বিসি রায় ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ।সেমিনারের মাধ্যমে আইইইই-র স্টুডেন্ট ব্রাঞ্চ খোলা হয়েছে কলেজে।

    • মুম্বই আইআইটি-র তত্ত্বাবধানে FOSSEE এবং ইনস্টিটিউট অব ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ার’স (আইইইই)-র স্টুডেন্ট ব্রাঞ্চের হাত ধরে ডঃ বিসি রায় ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের নতুন সংযোজন ‘পাইথন প্রজেক্ট’। পাইথন প্রোগ্রামিংয়ের ল্যাঙ্গুয়েজের খুঁটিনাটি পড়ুয়াতের জানাতে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণের পাশাপাশি অনলাইনেপরীক্ষার ব্যবস্থাও হয় কলেজে।
    • গবেষণামূলক কাজের জন্য পড়ুয়াদের সামনে নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে ডঃ বিসি রায় গ্রুপের ফার্মাসি বিভাগ। পাঠক্রমে হালফিলের প্রযুক্তি এবং প্রয়োগমূলক শিক্ষার জন্য ফার্মাসি কলেজে গত ফেব্রুয়ারি মাসেই আয়োজিত হয়েছে BCRCPiCON-2019 আন্তর্জাতিক কনফারেন্স।দিল্লি, উত্তরপ্রদেশ, মুম্বই, মালয়েশিয়া-সহ দেশ-বিদেশের প্রায় ২৩টি কলেজ এই কনফারেন্সে যোগ দেয়।

    আরও পড়ুন: ই-লার্নিং, ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে সেরা, এ বার ‘পাইথন প্রজেক্ট’-এ নতুন দিশা ডঃ বিসি রায় গ্রুপের

    সাফল্যের সাতকাহন…

    • ‘হাইয়ার এডুকেশন রিভিউ সার্ভে’-র নজরে বাংলায় সেরা ১০ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের তালিকায় রয়েছে ডঃ বিসি রায়  ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের নাম।
    • নয়া দিল্লির ‘Today Research & Ratings (TRR) Network’-এর তরফে বেস্ট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ২০১৮ শিরোপা জিতেছে ডঃ বিসি রায় ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ।
    • বাংলার সেরা চার ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের মধ্যে থেকে ডঃ বিসি রায়  ইঞ্জিনিয়ারিং  কলেজকে বেছে নিয়েছে মাইক্রোসফট।
    • মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের ‘ন্যাশনাল প্রোগ্রাম অন টেকনোলজি এনহ্যান্সড লার্নিং’ (এনপিটিইএল) প্রকল্পে দুরন্ত ফল করে ‘এএএ’ র‍্যাঙ্কিংয়ে চল এসেছে ডঃ বিসি রায় গ্রুপ। এনপিটিইএল প্রজেক্টে রাজ্যস্তরে বিসি রায়ের স্থান তৃতীয়, সর্বভারতীয় স্তরে তাদের র‍্যাঙ্ক ১০।

    আরও পড়ুন: ই-লার্নিংয়ে সেরা, জাতীয় স্তরে দশ ও রাজ্যে তৃতীয় স্থানে উঠে এল ডঃ বিসি রায় গ্রুপ, পেল ‘এএএ’ র‍্যাঙ্কিং

    • ২০০২ সাল থেকেই কলেজে তৈরি হয় প্লেসমেন্ট সেল। ফার্মাসি, পলিটেকনিক, ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের নানা শাখা থেকে ম্যানেজমেন্ট, প্লেসমেন্টের ক্ষেত্রে রেকর্ড সাফল্য রয়েছে এই কলেজের।
    • GHRDC (Global Human Resource Development Centre)-র তরফে পূর্ব ভারতের সেরা ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজগুলির তালিকায় অন্যতম স্থানে রয়েছে ডঃ বিসি রায় ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ।
    • কারিগরি ও প্রযুক্তিবিদ্যায় ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত রাখার জন্য ডঃ বিসি রায় গ্রুপে তৈরি হয়েছে নোডাল সেন্টার। আইআইটি বম্বে, আইআইটি খড়্গপুরের হাত ধরে কলেজে গড়ে উঠেছে নোডাল সেন্টার ভার্চুয়াল ল্যাব।

    ২০ বছরের গৌরবময় সফরকে স্মরণীয় করে রাখতে চলতি বছরেই একাধিক নতুন নতুন পরিকল্পনা নিয়েছে ডঃ বিসি রায় গ্রুপ। আগামী দিনে বিদেশের একাধিক টেকনিক্যাল ও ম্যানেজমেন্ট সংস্থার সঙ্গে টাই-আপ করাটা এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা।

    আরও পড়ুন: রক্তদানের বার্তা দিতে দেশভ্রমণ কেরলের দুই কন্যার, ‘ভিশন ২০২০’ সফল করতে দোসর হলো ডঃ বিসি রায় গ্রুপও

    ‘‘ভবিষ্যতে কী করবো জানতাম না। চার বছরে কলেজ আমাকে শিখিয়েছে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে। পড়াশোনা তো বটেই, জীবনের নানা পর্যায়ে চ্যালেঞ্জ নিতে শিখেছি, ’’ গর্ব ভরে জানিয়েছেন কলেজ প্রাক্তনী অঙ্কন পাল। ২০১১ ব্যাচের ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড কমিউনিকেশন বিভাগের কৃতী ছাত্র অঙ্কনের কথায়, “কালচারাল ফেস্ট, টেকনিক্যাল ফেস্ট থেকে এনসিসি, এনএসএস, খেলাধূলা, সেমিনার, প্রেজেন্টেশন সব ক্ষেত্রে পড়ুয়াদের তুখোড় করে তোলেন অধ্যাপক-অধ্যাপিকারা।” কলেজ ক্যাম্পাসিং-এ আইগেট গ্লোবাল সলিউশনে (বর্তমানে কেপজেমিনি) চাকরি পেয়েছিলেন অঙ্কন। বর্তমানে তিনি রাজ্য পরিবহন দফতরের এক শীর্ষ আধিকারিক।

    ডঃ বিসি রায় ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের মেকানিক্যাল বিভাগের প্রধান, অধ্যাপক কাঞ্চন চট্টোপাধ্যায়ের কথায়, “পাঠ্যক্রম ভিত্তিক পড়াশোনা শুধু নয়, আমাদের কলেজে ছাত্রছাত্রীদের দেওয়া হয় প্রয়োগ ভিত্তিক পাঠও। পড়ুয়ারা যাতে উজ্জ্বল কেরিয়ার গড়ে তুলতে পারে সেই চেষ্টাই করেন অধ্যাপক-অধ্যাপিকারা। ” তিনি বলেছেন, দুর্বল বা পিছিয়ে পড়া ছাত্রছাত্রীদের  জন্যও রয়েছে আলাদা ব্যবস্থা। সেমিস্টারে যাতে তারা ভালো ফল করে চাকরি পেতে পারে সেই জন্য আলাদা ট্রেনিং, স্পেশাল ক্লাসের ব্যবস্থা করেন শিক্ষকরা। নতুন নতুন প্রজেক্টের আয়োজন করা হয় কলেজে। সেখানে পড়ুয়া, শিক্ষক থেকে কলেজ কর্তৃপক্ষরা স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে যোগদান করেন। ছাত্রছাত্রীদের হাত ধরে তাদের জীবনের পথে এগিয়ে দেওয়াই একমাত্র লক্ষ্য।

    ‘প্রযুক্তি’ এবং তার সঙ্গে ‘উদ্ভাবন’— এই দুইই ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মূল মন্ত্র। সিলেবাসের বাইরে ছাত্রছাত্রীদের প্রয়োগভিত্তিক শিক্ষা দিতে ডঃ বিসি রায় গ্রুপের এই প্রচেষ্টা প্রশংসনীয়। মেধাকে পুঁজি করে কর্মসংস্থানের দৌড়ে ইতিমধ্যেই কয়েক ধাপ এগিয়ে গেছে দুর্গাপুরের ডঃ বিসি রায় গ্রুপ। পাঠবইতে শুধু ঘাড় গুঁজে পড়াশোনা নয়, মনের ইচ্ছাগুলোকে ডানা মেলতে দেওয়া উচিত, এমনটাই মনে করেন কলেজ কর্তৃপক্ষ। গড়পড়তা ক্লাস, সেমিস্টারের চাপ থেকে ছাত্রছাত্রীদের রেহাই দিতে খেলাধবলা, দেওয়াল পত্রিকা ‘পেপার ক্যাসল’-এর মাধ্যমে পড়ুয়াদের সৃজনশীল প্রতিভার বিকাশ ঘটেছে। এই প্রসঙ্গে কলেজের ডিরেক্টর পীযুষ পাল রায় বলেছেন, “কড়া অনুশাসন এবং বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশে ছাত্রছাত্রীদের হাত ধরেছেন শিক্ষক-শিক্ষিকারা। সিলেবাস ভিত্তিক পড়াশোনা শুধু নয়, পড়ুয়াদের চিন্তাভাবনা, আগ্রহকে গুরুত্ব দেওয়া হয় এই কলেজে। ছাত্রছাত্রীদের সুপ্ত প্রতিভাকে ছেঁকে বার করে আনাই ডঃ বিসি রায় গ্রুপের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।”

    আরও পড়ুন:

    ই-লার্নিং, ডিজিটাল মার্কেটিং, পাইথন প্রজেক্টে আকাশছোঁয়া সাফল্য, বাংলায় এ বার সেরার তালিকায় ডঃ বিসি রায় গ্রুপের ফার্মাসি কলেজ

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More