শিক্ষার সঙ্গে মিলুক সুস্বাস্থ্যও! ডঃ বিসি রায় গ্রুপে একদিনের যোগ প্রশিক্ষণ কর্মশালায় পড়ুয়াদের সঙ্গে অধ্যাপকরাও

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: শিক্ষার সঙ্গে স্বাস্থ্যের মেলবন্ধনের নামই হলো ডঃ বিসি রায় গ্রুপ অব ইনস্টিটিউশনস। ২০ বছরের দীর্ঘ জার্নিতে একাধিক কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছে দুর্গাপুরের এই কলেজ। ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের বিষয় হোক বা ফার্মাসি, অথবা ছাত্রছাত্রীদের সৃজনশীল প্রতিভার বিকাশে, নতুনত্বে, ভাবনায় এবং তার বাস্তব প্রয়োগে ডঃ বিসি রায় গ্রুপ অব ইনস্টিটিউশনস বাংলার সফলতম ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজগুলির তালিকার এক সেরা নাম। ২১ জুন আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের আগে, ফের চমক দিল ডঃ বিসি রায় গ্রুপ।

    পতঞ্জলি যোগ স্কুলের শিক্ষক ও বিশেষজ্ঞ তরুণ মুখোপাধ্যায়ের তত্ত্বাবধানে যোগ শিক্ষার একদিনের কর্মশালা আয়োজিত হলো ডঃ বিসি রায় গ্রুপে। অংশগ্রহণ করলেন ছাত্রছাত্রী থেকে অধ্যাপক, সকলেই। প্রশিক্ষক তরুণ মুখোপাধ্যায়ের অভিজ্ঞতা দীর্ঘ বছরের। আয়ুষের যোগ প্রশিক্ষণ কর্মশালার তিনি নিয়মিত আয়োজক। কলেজ পড়ুয়া, অধ্যাপক ও কলেজ কর্তৃপক্ষকে শরীর চর্চায় অনুপ্রাণিত করতেই তরুণ মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে ডঃ বিসি রায় গ্রুপ।

    একদিনের এই কর্মশালায় আসন শেখানোর দায়িত্বে ছিলেন তরুণবাবুরই ছাত্র গৌরব মণ্ডল। আন্তর্জাতিক যোগ দিবসে আগেই এই স্পেশাল ওয়ার্কশপের আয়োজন করেছে কলেজ।

    আরও পড়ুন:ই-লার্নিং, ডিজিটাল মার্কেটিং, পাইথন প্রজেক্টে আকাশছোঁয়া সাফল্য, বাংলায় এ বার সেরার তালিকায় ডঃ বিসি রায় গ্রুপের ফার্মাসি কলেজ

    সিলেবাসের পাঠ দেওয়ার পাশাপাশি ছাত্রছাত্রীদের স্বাস্থ্যবিধির দিকেও বিশেষ নজর দিতে আগেও নানা পরিকল্পনা করেছে ডঃ বিসি রায় গ্রুপ। কলেজের ছাত্রছাত্রীরা তো বটেই, শিক্ষক-শিক্ষিকা থেকে অশিক্ষক কর্মচারী, সকলের জন্যই চিকিৎসার সুবন্দোবস্ত করতে কলেজের হাত ধরেছে দুর্গাপুর মিশন হাসপাতাল। দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনায়  এ বার কলেজের চৌহদ্দিতে থাকছে চিকিৎসার ব্যবস্থা, তার জন্য বাইরে যাওয়ার দরকার পড়বে না। নিয়মিত মেডিক্যাল চেকআপ তো বটেই, রাতবিরেতে জরুরি প্রয়োজনেও সময়মতো পাওয়া যাবে অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ। চাইলেই হাজির হবে অ্যাম্বুলেন্স। তার জন্যও থাকবে বিশেষ ব্যবস্থা। দুরারোগ্য ব্যাধি ধরা পড়লে তার জন্য দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করবে হাসপাতাল। অস্ত্রোপচারের দরকার হলে হাসপাতাল, নার্সিংহোমের দোরে দোরে ঘুরতে হবে না ছাত্রছাত্রীদের অভিভাবকদের। পাশে এসে দাঁড়াবেন মিশন হাসপাতালের অভিজ্ঞ সার্জেনরা।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More