আলিগড়ের ক্ষত টাটকা! পাঁচের শিশুকে ধর্ষণ উজ্জয়িনীতে, পচা-গলা দেহ মিলল নদীর জলে

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: আলিগড়ে আড়াই বছরের শিশু কন্যার নৃশংস হত্যাকাণ্ডে দেশজুড়ে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে জাতীয় সুরক্ষা আইন প্রয়োগ করেছে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। নিন্দা, ঘৃণার ঝড় উঠেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। আলিগড়ের টাটকা ক্ষতের মধ্যেই ফের এক শিশু কন্যার ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগ উঠল। ঘটনাস্থল মধ্যপ্রদেশের উজ্জয়িনী।

আলিগড়ের শিশুটিকে চোখ খুবলে, হাত-পা ভেঙে দুমড়ে খুন করার পরে আবর্জনার স্তুপে ফেলে গিয়েছিল অভিযুক্তেরা। উজ্জয়িনীতে বছর পাঁচেকের মেয়েটির উপর অমানবিক নির্যাতন চালানোর পরে তাকে ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছিল শিপ্রা নদীর জলে। শনিবার বিকেলে সেই পচা-গলা দেহ নদীর জল থেকে উদ্ধার করে পুলিশ।

পুলিশ সুপার সচিন অতুলকরের কথায়, শিশুটির দেহে ময়নাতদন্তের পরে জানা গেছে, তার উপর পৈশাচিক নির্যাতন চালানো হয়েছিল। ছোট্ট শরীরে ছিল অজস্র ক্ষতের দাগ। ধর্ষণের চিহ্নও স্পষ্ট। ধর্ষণের পরে মেয়েটিকে খুন করে নদীর জলে ভাসিয়ে দেয় অভিযুক্তেরা।

গত শুক্রবার থেকেই নিখোঁজ ছিল শিশুটি। থানায় নিখোঁজ ডায়রিও করেছিল তার পরিবার। শনিবার বেলার দিকে একটি বাচ্চার দেহ নদীর জলে ভাসতে দেখেন স্থানীয়েরাই। তাঁরাই খবর দেন পুলিশে। মৃতদেহ সনাক্ত করে মেয়েটির পরিবারের লোকজন।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার মধ্যে একজন শিশুটির কাকা। ধৃতদের জেরা করা চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। আরও কেউ এই ঘটনায় জড়িত কি না তার খোঁজ চলছে। তদন্তের জন্য স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম (সিট) তৈরি করেছে পুলিশ।

উত্তরপ্রদেশের ঘটনার পরে উত্তপ্ত গোটা দেশ। রাজনৈতিক নেতা থেকে বিশিষ্ট ব্যক্তিরা এই ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন টুইটার-ফেসবুকে। ফের মধ্যপ্রদেশে শিশু ধর্ষণের ঘটনায় উত্তেজনার পারদ চড়েছে কয়েক ডিগ্রি। রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী কমল নাথের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন বিরোধীরা। অপরাধীদের কঠিন শাস্তির দাবিতে সোচ্চার রাজ্যের মানুষও।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More