মঙ্গলবার, জুন ২৫

রেচনাঙ্গে কাঠি, পাথর ঢুকিয়ে যৌন নিগ্রহ তিন বছরের শিশুকে! অভিযুক্ত স্কুলের দুই কর্মী

 দ্য ওয়াল ব্যুরো: তিন বছরের শিশুকে নৃশংস ভাবে যৌন হেনস্থার অভিযোগ উঠল স্কুলের দুই কর্মীর বিরুদ্ধে! এবার ঘটনাস্থল হায়দরাবাদের একটি শিশু-স্কুল। আক্রান্ত শিশুটির চিকিৎসার পরে যা জানা গিয়েছে, তা মনে করিয়ে দিয়েছে বছর সাতের আগেকার নির্ভয়া-স্মৃতি।

পারিবারিক সূত্রের খবর, ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে বাড়ি ফিরেছিল শিশুটি। পরে তার পোশাকে রক্তের দাগ দেখেন মা-বাবা। সঙ্গে সঙ্গে তাঁরা কাছের হাসপাতালে নিয়ে যান মেয়েকে। সেকান থেকে তাকে পাঠানো হয় সরকারি হাসপাতালে। চিকিৎসকেরা পরীক্ষা করে জানান, তাঁর রেচনাঙ্গে কাঠি এবং পাথর ঢুকিয়ে ক্ষতবিক্ষত করা হয়েছে!

২০১২ সালের ডিসেম্বর মাসে দিল্লির একটি চলন্ত বাসে ধর্ষণ করা হয়েছিল ২৩ বছরের এক তরুণীকে। ধর্ষণের পরে রড দিয়ে খোঁচানো হয়েছিল যৌনাঙ্গ। সিঙ্গাপুরের হাসপাতালে পরে মৃত্য়ু হয় তরুণীর।

সিনিয়র পুলিশ অফিসার বেঙ্কটেশ্বরা রাও বলেন, “স্কুলের দুই অশিক্ষক কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তারা শিশুটিকে আলাদা করে নিয়ে গিয়ে যৌন হেনস্থা করে। শিশুটি জানিয়েছে, তার রেচনাঙ্গে পাথর, কাঠি এসব ঢোকায় ওই দুই কর্মী। মেডিক্যাল পরীক্ষাতেও আঘাতের চিহ্ন মিলেছে।”

অভিযুক্ত দুই কর্মীকে চিহ্নিত করা গেলেও, এখনও ধরা পড়েনি তারা। ঘটনার পর থেকেই তারা ফেরার। পকসো ধারায় ইতিমধ্যেই মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।

ঘটনাটি সামনে আসার পরেই স্তম্ভিত সব মহলের মানুষ। হায়দরাবাদের শিশু-সুরক্ষা কর্মী অচ্যুত রাও দাবি করেছেন, যত দ্রুত সম্ভব গ্রেফতার করতে হবে অভিযুক্তদের। এবং শিশুদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে না-পারা পর্যন্ত স্কুল বন্ধ রাখার দাবিও করেছেন তিনি।

পরিসংখ্যান বলছে, শিশু-নিগ্রহের ঘটনায় হায়দরাবাদের নাম একটু বেশিই সামনে আসছে। এই বছরেই ইতিমধ্যে ৩০টি শিশু-হেনস্থা ঘটে গিয়েছে শহরে। বছর পাঁচেক আগেই হায়দরাবাদের স্কুলগুলির নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো হয় সর্বত্র। কিন্তু তার পরেও নিরাপত্তার অভাব যে রয়েই গেছে, সাম্প্রতিকতম এই ঘটনাটািই তার প্রমাণ।

Comments are closed.