মঙ্গলবার, অক্টোবর ১৫

বড় ভুল! পাকিস্তানের সঙ্গে আকাশযুদ্ধে ভারতের মিসাইলের আঘাতেই ভেঙে পড়েছিল এমআই-১৭, দাবি বায়ুসেনা প্রধানের

দ্য ওয়াল ব্যুরো: যান্ত্রিক গোলযোগ নয়, বরং ভুল করে ভারতীয় বায়ুসেনার ক্ষেপণাস্ত্রই আঘাত হেনেছিল এমআই-১৭ চপারের উপর। তাতেই ভেঙে গুঁড়িয়ে যায় বায়ুসেনার ওই চপার। এমনটাই দাবি করেছেন বায়ুসেনা প্রধান রাকেশ কুমার সিং ভাদুরিয়া।

বায়ুসেনা প্রধান জানিয়েছেন, ভারতের আকাশসীমা ভেঙে ঢুকে পড়া পাকিস্তানি যুদ্ধবিমান এফ-১৬ কে তাড়াতে তখন জোরদার মিসাইল ছুড়ছিল ভারতীয় বায়ুসেনা। তার একটিই গিয়ে লাগে এমআই-১৭ চপারে। সেটি তখন সীমান্তে নজরদারি চালাচ্ছিল। কাশ্মীরের বদগামের কাছে ভেঙে পড়ে ওই চপার। মৃত্যু হয় দুই পাইলটের। তবে পুরোটাই ভুলবশত হয়েছিল বলেই জানিয়েছেন বায়ুসেনা প্রধান ভাদুরিয়া। তিনি জানিয়েছেন, যে দুই বায়ুসেনা অফিসার ওই মিসাইল নিক্ষেপের দায়িত্বে ছিলেন তাঁদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে।

২৭ ফেব্রুয়ারি। পাকিস্তানের সঙ্গে আকাশযুদ্ধ চরমে। তার আগের দিনই ভোররাতে নিয়ন্ত্রণ রেখা পেরিয়ে খাইবার-পাখতুনখোয়া প্রদেশের বালাকোটে জঙ্গি শিবিরে আক্রমণ চালিয়েছিল বায়ুসেনার মিরাজ ফাইটার জেট। পাকিস্তানের তরফে পাল্টা প্রত্যাঘাতের আশঙ্কায় পুঞ্চ, নৌশেরা, রাজৌরি-সহ বিভিন্ন সীমান্তবর্তী এলাকায় নজরদারি চালানোর জন্য কয়েকটি এমআই-১৭ চপারটিকে পাঠানো হয়েছিল।

বায়ুসেনা সূত্র জানাচ্ছে, ওই দিন দক্ষিণ কাশ্মীরের নৌশেরা সেক্টর দিয়ে ভারতে ঢোকার চেষ্টা করছিল পাক যুদ্ধবিমান এফ-১৬। ভারতীয় বায়ুসেনার র‍্যাডারে তা ধরা পড়ে যায়। ফলে ভারতীয় বায়ুসেনা প্রত্যাঘাত করে। সেই সময় নজরদারি চালাতে পাক সীমান্তের কাছাকাছি জম্মু, শ্রীনগর ও লেহ-এর উপর ঘোরাঘুরি করছিল এমআই-১৭। আচমকাই সেটি ভেঙে পড়ে। আগুন ধরে যায় চপারে। বায়ুসেনার তরফে জানানো হয়, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণেই ওই দুর্ঘটনা।

২৭ ফেব্রুয়ারিতে এই খবরই সামনে এসেছিল। দেখুন টুইট:

এয়ার চিফ মার্শাল রাকেশ ভাদুরিয়া বলেছেন, কী ভাবে ওই চপারটি ভেঙে পড়ে সেটা জানতে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত শুরু হয়। তাতেই দেখা যায়, একটা নির্দিষ্ট সময়ের পরে পাইলট ও গ্রাউন্ট স্টাফের মধ্যে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল। ওই সময়তেই বায়ুসেনার ছোড়া মিসাইল সরাসরি আঘাত করেছিল এমআই-১৭ চপারে।

Comments are closed.