স্ক্রাব টাইফাসে মৃত ১৪ মাসের শিশু, চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ পরিবারের

দ্য ওয়াল ব্যুরো, পশ্চিম মেদিনীপুর: ফের স্ক্রাব টাইফাসে মৃত্যু হয়েছে এক শিশুর। এবার পশ্চিম মেদিনীপুরে। হাসপাতালের দাবি, স্ক্রাবটাইফাসে আক্রান্ত হয়েই মৃত্যু হয়েছে ১৪ মাসের শিশু প্রত্যুষা মিশ্রর। তবে চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ তুলেছে শিশুর পরিবার। তাদের দাবি, ইনজেকশনের ওভারডোজে মৃত্যু হয়েছে ছোট্ট প্রত্যুষা মিশ্রর। 

জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার ডেবরা হাসপাতাল থেকে ওই শিশুকে রেফার করা হয় মেদিনীপুরের একটি বেসরকারি শিশু হাসপাতালে। সেদিনই বাকসারা গ্রামের বাসিন্দা প্রত্যুষাকে ভর্তি করা হয় মেদিনীপুর শহরের উপকণ্ঠে ধর্মায় অবস্থিত শিশু হাসপাতালে। রবিবারই ছেড়ে দেওয়ার কথা ছিল প্রত্যুষাকে। পরিবারের দাবি, এদিন সকালে একটি ইনজেকশন দেওয়া হয় শিশুকে। সঙ্গে সঙ্গেই নাকি মৃত্যু হয় প্রত্যুষার। হাসপাতাল চত্বরেই ক্ষোভে ফেটে পড়ে শিশুর পরিবার। তাদের অভিযোগ, চিকিৎসার গাফিলতিতেই মৃত্যু হয়েছে প্রত্যুষার।

পরিস্থিতি সামলাতে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় মেদিনীপুর কোতোয়ালি থানার পুলিশ। চিকিৎসায় গাফিলতিতে শিশু মৃত্যুর অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে মেদিনীপুর কোতোয়ালী থানায়। পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য দেহ পাঠিয়েছে মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে।

যদিও চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ অস্বীকার করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। হাসপাতালের দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক ডক্টর নন্দিনী মণ্ডল জানান, স্ক্রাব টাইফাস আক্রান্ত ওই বাচ্চাটির হঠাৎই কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয়। যার ফলে মৃত্যু হয় বাচ্চাটির। গোটা ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।

এর আগে মুর্শিদাবাদেও স্ক্রাব টাইফাসে মৃত্যু হয়েছে দু’জনের। মৃত্যু হয় দশম শ্রেণির ছাত্রী তামান্না ফিরদৌসের (১৬)। মারা যান বেলডাঙার কুমারপুর গ্রামের বাসিন্দা শ্যামল প্রামাণিকের (৪৬)।

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.