মঙ্গলবার, নভেম্বর ১৯

সাফল্যের সম্ভাবনাকে বৈজ্ঞানিক উপায়ে ও গবেষণার মাধ্যমে নিশ্চিত করবে এডুমোটিভ

দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রতিটি মানুষের ভিতরে কিছু আকাঙ্ক্ষা আছে। সঠিক অনুপ্রেরণা ও গাইডেন্স পেলে, সেই আকাঙ্ক্ষা মানুষের মধ্যে জ্বলন্ত থাকে। সেই আগুনেই মানুষ উচ্চাভিলাষী হয়। সাফল্য ক্রমেই এগিয়ে আসে। সেই গাইডেন্স ও অনুপ্রেরণার পথটাই দেখিয়ে দেবে তারা– এমনটাই দাবি করছে এডুমোটিভ। শহরে গড়ে ওঠা একটি নতুন কোচিং সেন্টার, যেখানে স্কুলের বাইরেও পাঠ্য ঝালিয়ে নিতে পারবে পড়ুয়ারা। অভ্যাস করতে পারবে অনুশীলনীদিতে পারবে নকল পরীক্ষাও।

তবে এইটুকু তো সমস্ত কোচিং সেন্টারেই পাওয়া যায়। এডুমোটিভ আলাদা কোথায়? কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছেন, প্রতিটি মানুষের জীবন গতিশীল। সেই কারণে, মানুষের প্রতিটি পদক্ষেপই তার জীবনের নানা সিদ্ধান্তের সঙ্গে সম্পর্কিত বা প্রভাবিত হয়। অতএব, তরুণ বয়সে, বিশেষ করে অ্যাকাডেমিক ক্ষেত্রে তার পছন্দগুলি বেছে নেওয়ার বিষয়টি সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক, যা পরবর্তী জীবনকে তৈরি করার জন্য বিশেষ ভাবে জরুরি হতে পারে। “আমরা নিশ্চিত করছি, এডুমোটিভ শুধু পড়াবে না। প্রতিটি পড়ুয়ার ভিতর থেকে তার সেরাটা বার করে আনবে, সেরা কেরিয়ার অপশন বেছে নিতে সাহায্য করবে।”– বলছেন তাঁরা।

আরও বলছেন, “ঠিক এই কারণেই আমরা যখন নিজেদের পরিচয় দিই, তখন শুধু এখানকার অ্যাকাডেমিক পরিবেশ নিয়ে কথা বলি না। বলি সাফল্যের জন্য প্রধান প্রয়োজনীয় বিষয়, মানসিক স্থিতিশীলতা নিয়েও। আমরা এখানে একটি ছাত্রকে শুধু পড়াশোনার পরিবেশ করে দিয়ে দায়িত্ব সারতে চাই না, আমরা তার সাফল্যের জন্যও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তাই আমাদের প্রস্তুতি সবটা মিলিয়েই। এক জন পড়ুয়ার কেবল পড়াশোনাটুকু নিয়ে নয়।”

শুধু তা-ই নয়। এডুমোটিভের ব্যাখ্যা, একটা বয়সে পৌঁছনোর পরে সারা দেশের লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থী অন্তত দু’বছরের জন্য অ্যাকাডেমিক অ্যামবিশন তথা কেরিয়ারের জন্যই সবটুকু উৎসর্গ করেন। তাঁদের মা-বাবাও নিজেদের বহু সাধ-আহ্লাদ বিসর্জন দেন শুধু এই দু’টো বছরে সন্তান নিজেকে গড়ে নেবে বলে। তাই এই উৎসর্গ বা এই বিসর্জন যাতে বিপথে না যায়, সেটা দেখা খুব জরুরি।

আসলে মাধ্যমিক পরীক্ষার পরেই যে উচ্চশিক্ষার দুয়ারটা এক জন ছাত্র বা ছাত্রীর সামনে খুলে যায়, সেই দুয়ারটা তাদের বেশির ভাগের পক্ষেই খুব বেশি বড় হয়ে যায়। পড়াশোনার চাপ, কেরিয়ারের দ্বন্দ্ব, উচ্চশিক্ষার হাতছানি, তুমুল প্রতিযোগিতা– এই সবটা মিলিয়েও এগিয়ে যাওয়ার জন্য শুধু ঘাড় গুঁজে পড়াশোনাই নয়, স্থির প্রেরণা এবং মানসিক সমর্থনও প্রয়োজন। এটাই দেবে এডুমোটিভ। আর এখানেই এডুমোটিভ আর পাঁচটা কোচিং সেন্টারের থেকে আলাদা।

এডুমোটিভের অন্যতম ফ্যাকাল্টি জিৎবন্ধু লাহিড়ী যেমন বলছেন, “আমি গত কয়েক মাস এখানে রয়েছি। এর আগে আরও অনেক জায়গায় পড়িয়েছি, এখন, এডুমোটিভে। আমি ব্যক্তিগত এবং সর্বজনীন পরিসংখ্যান থেকে এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে নিঃসন্দেহে বলতে পারি, এটি এই শহরের সব চেয়ে দ্রুতগতিতে বেড়ে চলা ইনস্টিটিউটগুলির মধ্যে অন্যতম। সারা দেশে যে ভাবে এগোচ্ছে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি, তার অনন্য ধারণার উপর ভিত্তি করে আমরা একটি ছাত্রের অ্যাকাডেমিক যোগ্যতাগুলি দেখি। আর সেই সঙ্গে দেখি, তার ইচ্ছে ও মানসিক চাহিদাগুলোও।”

তিনি আরও দাবি করেন, এডুমোটিভে পড়তে শুরু করলে প্রথম দিনে শিক্ষার্থী নিজেই শেখার পদ্ধতিতে পার্থক্য অনুভব করবে। এক এক জন পড়ুয়ার এক একটা অসুবিধা থাকলেও সেটা পরিষ্কার করার দায়িত্ব নেবে এডুমোটিভ। তাদের সমস্ত প্রশ্নের উত্তর পরিষ্কার করার জন্যই এই কঠোর পরিশ্রম। “আমাদের ফোকাস সব সময়েই থাকে, একটি ছাত্র কী ভাবে আনন্দের সঙ্গে পড়াশোনাটা করতে পারে এবং কী ভাবে ধারণাগত পরিষ্কার হয়ে যায় তার সমস্ত প্রশ্ন। একটি ছাত্রকে দেশের শীর্ষ প্রতিযোগীদের সঙ্গে সমান হতে প্রস্তুত করার জন্য এটা আমাদেরও লড়াই।”

এই সমস্ত বিষয়ের সঙ্গে সঙ্গেই এডুমোটিভ জানাচ্ছে, “সাফল্য কখনওই একটি আশ্বাস বা একটি সম্ভাবনা নয় আমাদের কাছে। আমরা সম্পূর্ণ বৈজ্ঞানিক ভাবে এবং গবেষণা ভিত্তিক কৌশলের সঙ্গে সেই সম্ভাবনা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। প্রতি বছর শিক্ষার্থীদের প্রতিক্রিয়ার উপরে ভিত্তি করে, আমরা নিজেদের উন্নতি করতে থাকি।”

এমনই নতুন ধারণা নিয়ে কলকাতার দু‘প্রান্তে শুরু হচ্ছে ‘এডুমোটিভ’। তাদের একটি প্রতিষ্ঠান উত্তর কলকাতায়, অন্যটি দক্ষিণে। যারা বলছে, এক এক জন পড়ুয়ার এক একটা অসুবিধা থাকলেও সেটা পরিষ্কার করার দায়িত্ব নেবে তারা। শুধু তা-ই নয়। তারা জানাচ্ছে, আগে থেকেই বিভিন্ন স্কুলে স্কুলে গিয়ে বোর্ড পরীক্ষা ও বিভিন্ন প্রবেশিকা পরীক্ষা সম্পর্কে পড়ুয়াদের নিয়ে সেমিনারের আয়োজন করবে তারা। এবং সেটাও বিনামূল্যে।

তা হলে আর দেরি না করে শুরু করে দিন প্রস্তুতি। এডুমোটিভের হাত ধরে। এই শহরে বসেই পড়াশোনা করেজাতীয় স্তরের বড় পরীক্ষার বৈতরণী পেরোনো অনেকটাই সহজ হতে পারে বলে আশ্বাস দিচ্ছে তারা।

এডুমোটিভ সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজ চাইলে যোগাযোগ করতে পারেন: 9748692221 অথবা 9007042226

(বিজ্ঞাপন প্রতিবেদন)

Comments are closed.