এডুকেশনের নতুন মোটিভ! সারা দেশের পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে পাল্লা দেওয়ার প্রস্তুতি শুরু হবে শহরের দু’প্রান্তে

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: শহর জুড়ে বাড়ছে প্রতিযোগিতা। পড়াশোনা আর এখন শুধু বই-ক্লাস-পরীক্ষায় বন্দি নেইতাকে উৎকর্ষে পৌঁছে দেওয়ার জন্য তৈরি হয়েছে নানা নতুন সোপান। যে সোপান পড়াশুনার শেখানোর পাশাপাশি আত্মবিশ্বাস জাগিয়ে তুলতে পারে আপনার সন্তানের মনে।

    তারই একটা হল কোচিং সেন্টার। স্কুলের বাইরেও পাঠ্য যেখানে ঝালিয়ে নিতে পারবে পড়ুয়ারা। অভ্যাস করতে পারবে অনুশীলনীদিতে পারবে নকল পরীক্ষাও।

    কোচিং সেন্টারের ধারণা কলকাতা শহরে নতুন নয়। কিন্তু নতুন ধারণারও তো নতুন জন্ম হয়! সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ঘটে যায় বিবর্তন। বর্তমান বাজার চলতি জিনিসের ত্রুটি ও ফাঁকফোকর শুধরে নিয়ে তৈরি হয় নতুন ব্যবস্থা। এমনই নতুন ধারণা নিয়ে কলকাতার দুপ্রান্তে শুরু হচ্ছে এডুমোটিভ। তাদের একটি প্রতিষ্ঠান উত্তর কলকাতায়, অন্যটি দক্ষিণে। যারা বলছেএক এক জন পড়ুয়ার এক একটা অসুবিধা থাকলেও সেটা পরিষ্কার করার দায়িত্ব নেবে তারা।

    এ কথা বলাই বাহুল্য, যে কলকাতায় কোচিং সেন্টারের সংখ্যা কম নয়। রীতিমতো নামকরা কিছু প্রতিষ্ঠানের তো একচ্ছত্র আধিপত্য রয়েছে কার্যত। তাই প্রশ্ন উঠতেই পারে, এই নতুন কোচিং সেন্টার এডুমোটিভের মোটিভটা কী?

    সংস্থার তরফে জানানো হলকলকাতায় হলেওউচ্চমাধ্যমিকের পরে এন্ট্রান্স পরীক্ষাগুলি পাশ করার জন্য রাজস্থানের কোটার ধাঁচে পঠনপাঠন হবে এখানে। ফলে যে কোনও পরীক্ষায় সারা দেশের পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে পাল্লা দেওয়ার প্রস্তুতি থাকবে এডুমোটিভের পড়ুয়াদের। “আমাদের মাপকাঠি স্থানীয় কোনও কোচিং নয়রাজস্থানের নানা নামকরা জাতীয় স্তরের কোচিং সেন্টারগুলি।”– বলেন এডুমোটিভের কর্ণধার সঞ্জীব আচার্য।

    তিনি আরও জানান৯০ মিনিটের প্রতিটা ক্লাসে ১৫ থেকে ২০ জনের বেশি ছাত্রছাত্রী রাখা হবে না এডুমোটিভে। এতে সকলে অনেক বেশি সময় ধরে শিখতে পারবেঅসুবিধা আলোচনা করতে পারবে। প্রতি দিন ব্যবস্থা থাকবে পরীক্ষার। সেই সঙ্গে বাধ্যতামূলক ভাবে দেওয়া হবে হোমওয়ার্ক। করানো হবে পুরনো চ্যাপটারের রিভিশন। এডুমোটিভ কর্তৃপক্ষের আরও দাবিদেশের সেরা শিক্ষকেরা থাকবেন সেন্টারের ফ্যাকাল্টিতে।

    প্রতি দিন ছোটো ছোটো পরীক্ষা দেওয়ার ফলে এক দিকে যেমন ছাত্রছাত্রীরা ক্রমাগত রিভিশনের মধ্যে থাকবেনতেমনই পরীক্ষা নিয়ে আলাদা ভীতিও কেটে যাবে। পরীক্ষা দেওয়াটা রোজের কাজের মতোই সহজ হয়ে যাবেজানাল এডুমোটিভ।

    কিন্তু এই সমস্ত ছাড়াওঅন্য সেন্টারের থেকে ঠিক কোথায় আলাদা এডুমোটিভ?

    সংস্থার হেড অব অ্যাকাডেমিক্স অর্ধেন্দু মুখোপাধ্যায় জানালেন, “সমস্ত বড় কোচিং সেন্টারেই সাধারণত ৪০ থেকে ৫০ জন করে পড়ুয়া থাকে প্রতি ক্লাসে। এর ফলে দেড়-দুঘণ্টার ক্লাসে সকলের প্রতি আলাদা করে মনোযোগ দেওয়া সম্ভব হয় না অনেক সময়েই। সেই সুযোগ রাখবেই না এডুমোটিভ। সেই সঙ্গেএই সেন্টারে ভর্তি হওয়ার খরচ বাজার চলতি অন্য সেন্টারগুলির চেয়ে কার্যত ৫০ শতাংশ কম বলে জানাচ্ছেন তাঁরা। এর ফলে মধ্যবিত্ত পরিবারের মেধাবী ছেলেমেয়েরাও সেরা কোচিংয়ের সুযোগ পাবেন।

    এডুমোটিভের বিশেষত্ব হলপ্রতিটা ব্যাচের জন্য তিনটে করে আলাদা টাইমিং থাকবে। যাতে যে কোনও ছাত্রের যখন সুবিধাতখনই কোচিংয়ে আসতে পারেন। প্রতি দিনের ক্লাসের পরে আলাদা করে ডাউট ক্লিয়ারিং সেশন থাকবে। অর্থাৎ পড়ার সময়টা বাদ দিয়ে আলাদা করে সমস্যা বোঝানোর ও বোঝার সুযোগ পাবে পড়ুয়ারা। শুধু তা-ই নয়। এই প্রথম কলকাতার কোনও কোচিং সেন্টারে লাইব্রেরি থাকবে বলে জানালেন তিনি।

    আপাতত শ্যামবাজার ও গোলপার্ক– শহরের এই দুটি প্রান্তে খোলা হচ্ছে এডুমোটিভ। অ্যাডমিশন চলছে। ভর্তি হওয়ার জন্য দিতে হবে প্রাথমিক একটি পরীক্ষা। তার পরেই পাওয়া যাবে স্মার্ট ক্লাসরুমে বসে কোচিং ক্লাস করার সুযোগ। মিলবে অডিও-ভিস্যুয়াল ব্যবস্থায় শেখার সুযোগ।

    তা হলে আর দেরি না করে শুরু করে দিন প্রস্তুতি। এডুমোটিভের হাত ধরে। এই শহরে বসেই পড়াশোনা করেজাতীয় স্তরের বড় পরীক্ষার বৈতরণী পেরোনো অনেকটাই সহজ হতে পারে বলে আশ্বাস দিচ্ছে তারা।

    এডুমোটিভ সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজ চাইলে যোগাযোগ করতে পারেন: 9748692221 অথবা 9007042226

    (বিজ্ঞাপন প্রতিবেদন)

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More