মেট্রোর টানেলে বিকট আওয়াজ ও কাঁপুনি, ফাটল ধরছে বাড়িঘরে! এ বার কাঠগড়ায় দিল্লি মেট্রো

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কলকাতার বৌবাজারের পর এ বার রাজধানী। মেট্রো টানেলের বিকট আওয়াজ এবং কাঁপুনির জেরে রীতিমতো অতিষ্ঠ দিল্লিবাসী। কম্পনের জেরে একাধিক বাড়ির মেঝে ও দেওয়ালে ফাটল তৈরি হয়েছে বলেও অভিযোগ। আতঙ্কিত অনেক বাসিন্দাই নিজেদের বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র গেস্ট হাউসে আশ্রয় নিয়েছেন। অভিযোগের ঠেলায় নড়েচড়ে বসেছে দিল্লির মেট্রো রেল কর্পোরেশন (ডিএমআরসি)।

ক্ষুব্ধ বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই ডিএমআরসি-তে অভিযোগ জানানো হয়েছে। মাটির নীচে দিয়ে রেল গেলেই বিকট কম্পন শুরু হয়। কখনও কখনও মনে হয় ভূমিকম্প হচ্ছে। সেই সঙ্গে বিকট আওয়াজ। অভিযোগ, গত কয়েক দিনে এই কম্পনের মাত্রা আরও বেড়েছে। বেশ কিছু বাড়ির চাঙড় খসে পড়েছে। আতঙ্কিত লোকজন রাস্তায় বেরিয়ে এসেছেন।

ডিএমআরসি কর্পোরেট কমিউনিকেশনের একজিকিউটিভ ডিরেক্টর অনুজ দয়াল বলেছেন, “দিল্লির নানা জায়গা থেকে আমরা অভিযোগ পেয়েছি। অনেকেই দিনে-রাতে বিকট আওয়াজের কথা বলেছেন। সেন্ট্রাল রোড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (CSIR-CRRI) সাহায্যে শব্দের তীব্রতার একটা মাত্রা বেঁধে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। মেট্রোর দরজা খোলা-বন্ধ, চলমান সিঁড়ি সব মিলিয়েই শব্দের তীব্রতা মাত্রা ছাড়িয়েছে। একটা নির্দিষ্ট গাইডলাইনের দরকার।” দ্বারকা মেট্রো ট্র্যাক পরীক্ষা করে দেখা গেছে, সেখানে শব্দের তীব্রতা ৮০ ডেসিবেলেরও বেশি।

অনুজ আরও জানিয়েছেন, দিল্লিতে মোট ১৮১টি মেট্রো স্টেশন রয়েছে। যার মধ্যে জনবসতি এলাকা পড়ে করোল বাগ, পূর্ব কৈলাস ও ময়ূরবিহারে। ওই সমস্ত এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ অনেক বেশি। মেট্রো টানেলে পরীক্ষানিরীক্ষা শুরু করেছেন ইঞ্জিনিয়াররা। কম্পনের মাত্রা কীভাবে কম করা যায়, সেটাও পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে।

ডিএমআরসি জানিয়েছে, দিল্লিতে মাটির তলায় স্টেশন রয়েছে ৬৮টি। বেশিরভাগই মধ্য ও দক্ষিণ দিল্লিতে। চারটি করিডর– ইয়েলো লাইন (হুডা সিটি সেন্টার থেকে সামায়পুর বাডলি), ব্লু লাইন (দ্বারকা সেক্টর ২১ থেকে নয়ডা সিটি সেন্টার), ভায়োলেট লাইন (কাশ্মীরি গেট থেকে রাজা নাহার সিং) এবং এয়ারপোর্ট এক্সপ্রেস লাইন মধ্য দিল্লিতে।

সাকেত, হাউজ খাস, বেগমপুর, শাহাবাদ মহম্মদপুর ইত্যাদি এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, দিনে যতবার ট্রেন যায়, ভূমিকম্পের মতো কম্পন অনুভূত হয়। অনেকের বাড়ির দেওয়ালেই ফাটল ধরেছে। ডিএমআরসি দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে, যে কোনও দিন হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়তে পারে বাড়িঘর। 

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More