‘আরও একটা বালাকোট অভিযানের দরকার পড়লে আমরা প্রস্তুত,’ বায়ুসেনা প্রধানের দায়িত্ব নিয়ে বললেন ভাদুরিয়া

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো:  “আরও একটা বালাকোট অভিযানের দরকার হলে, সবরকম প্রস্তুতি নেবে ভারতীয় বায়ুসেনা। যে কোনও হামলার যোগ্য জবাব দিতে আমরা প্রস্তুত”, বায়ুসেনা প্রধানের দায়িত্ব নিয়ে বললেন এয়ার চিফ মার্শাল আরকেএস ভাদুরিয়া। আজ ৩০ সেপ্টেম্বর বায়ুসেনা প্রধানের পদ থেকে অবসর নিলেন বিএস ধানোয়া। সেই জায়গায় চিফ অব এয়ার স্টাফ (CAS) হিসেবে দায়িত্ব নিলেন ভাদুরিয়া।

এত দিন বায়ুসেনার সহকারী প্রধানের দায়িত্ব সামলেছেন ভাদুরিয়া। রাফাল যুদ্ধবিমান ওড়ানোয় সিদ্ধহস্ত ভারতীয় বায়ুসেনার এই ভাইস চিফ অব এয়ার স্টাফকেই ধানোয়ার উত্তরসূরির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ফ্রান্সের ‘দাসো অ্যাভিয়েশন’ থেকে ৩৬টি রাফাল ফাইটার জেট কেনার চুক্তি রূপায়ণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন ভাদুরিয়া। ফ্রান্স থেকে ভারতের হাতে আসা প্রথম রাফাল যুদ্ধবিমানের টেল নম্বরও তাঁরই নামে–‘আরবি ০১ (RB-01)’।

পুণের ন্যাশনাল ডিফেন্স অ্যাকাডেমি থেকে ভারতীয় বায়ুসেনার ফাইটার স্ট্রিমে যোগ দিয়েছিলেন ১৯৮০ সালে । ২৬ রকমের যুদ্ধবিমান ওড়ানোর প্রশিক্ষণ রয়েছে তাঁর। প্রায় ৪২৫০ ঘণ্টা আকাশে যুদ্ধবিমান ওড়ানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি একাধারে ক্যাটেগরি ‘এ’পর্যায়ের ফ্লাইং ইনস্ট্রাকটর, অন্যদিকে পাইলট অ্যাটাক ইনস্ট্রাকটর। ভারতীয় বায়ুসেনার তরফে তাঁকে‘সোর্ড অব অনার’সম্মান দেওয়া হয়েছে। তা ছাড়া, বায়ু সেনা মেডেল ও পরম বিশিষ্ট মেডেলও পেয়েছেন তিনি।

আর কে এস ভাদুরিয়া

রাফাল বিমান কেনার সময় ফরাসি সরকারের সঙ্গে মধ্যস্থতাকারী দলের সদস্য ছিলেন ভাদুরিয়া। বিমান বাহিনীর প্রথম অফিসার হিসাবে রাফাল চালানোর অভিজ্ঞতাও রয়েছে তাঁর।

’৭১-এ পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধে ভারতীয় বায়ুসেনার তুরুপের তাস ছিল মিগ যুদ্ধবিমান। ক্রমশ তার আয়ু ফুরিয়ে আসছে। তার বদলে এসেছে রাশিয়ার সুখোই যুদ্ধবিমান। কিন্তু সুখোই-এর থেকেও অত্যাধুনিক বিমান হল সব থেকে হাল্কা, ‘লাইট কমব্যাট এয়ারক্রাফ্ট’ (এলসিএ)।ভারতে এলসিএ ‘তেজস’ তৈরি হচ্ছে। এই সুখোই থেকে এলসিএ-র জার্নিতে আধুনিক ও শক্তিশালী ‘মাল্টিরোল কমব্যাট এয়ারক্র্যাফ্ট’ কেনার পরিকল্পনা নিয়েছিল ভারত। ফ্রান্সের তৈরি এই রাফাল যুদ্ধবিমান প্রতিপক্ষের উপর আঘাত হানতে পারে সুনিপুণ দক্ষতায়। অনেক উঁচু থেকে হামলা চালানো, যুদ্ধজাহাস ধ্বংস করা, মিসাইল নিক্ষেপ এমনকী পরমাণু হামলা চালানোর ক্ষমতাও রয়েছে রাফালের। এই মুহূর্তে পৃথিবীতে যে সব যুদ্ধবিমান সবচেয়ে শক্তিধর বলে বিবেচিত, তাদের মধ্যে অন্যতম রাফাল। আরকেএস ভাদুরিয়া বলেছেন, “যে ভাবে তর্জন-গর্জন করছে পাকিস্তান, শক্তিশালী রাফাল হাতে এলে পাকিস্তানের সব আস্ফালন বন্ধ করা যাবে। চিনের  মোকাবিলাও করতে পারবে ভারত।”

 

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More