‘বব কাট সেঙ্গামালাম’, চুলের ছাঁটে সবার নজর কেড়েছে তামিলনাড়ুর এই হস্তিনী

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: তামিলনাড়ুর রাজাগোপালাস্বামী মন্দিরে যাঁরা যান, তাঁদের মন্দির দর্শনের বাইরেও আর একজনকে দেখার কৌতূহল থাকে। না কোনও ভগবান, বা মূর্তি নয়। সবার চোখ খোঁজে ‘বব কাট সেঙ্গামালামকে।’ কিন্তু কে এই বব কাট সেঙ্গামালাম? কেনই তা তাকে দেখার জন্য এত লোক আসেন? 

    আসলে এই সেঙ্গামালাম হল রাজাগোপালাস্বামী মন্দিরে থাকা একটি হস্তিনী। কিন্তু আর পাঁচটা হস্তিনীর থেকে কিছুটা আলাদা সে। একবার তাকালেই সেঙ্গামালামকে চিনতে পারেন সবাই। তার কারণ, এই হস্তিনীর মাথায় থাকা বব কাট চুল। এই চুলের জন্য তাকে বব কাট সেঙ্গামালাম বলা হয়।

    ২০০৩ সালে কেরল থেকে এই রাজাগোপালাস্বামী মন্দিরে নিয়ে আসা হয় সেঙ্গামালামকে। এস রাজাগোপাল নামে এক ব্যক্তি তার দেখভাল করে। এই মাহুতই সেঙ্গামালামের এই চুলের কাটের জন্য দায়ী। আর তার জন্যই তার প্রচুর অনুরাগী। রীতিমতো নিজের একটা ফ্যান বেস তৈরি হয়েছে তার।

    একদিনে আগে ফের এই হস্তিনীর ছবি টুইট করেন ইন্ডিয়ান ফরেস্ট সার্ভিস অফিসার সুধা রামেন। টুইট করে তিনি বলেন, “এই হচ্ছে বিখ্যাত বব কাট সেঙ্গামালাম। নিজের অভিনব চুলের কাটের জন্য তার অনেক ফ্যান বেস রয়েছে। তামিলনাড়ুর রাজাগোপালাস্বামী মন্দিরে গেলেই তাকে দেখতে পাবেন।”

    এই টুইট করার পরেই অনেকেই সেঙ্গামালামের সঙ্গে নিজের নিজের অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করতে থাকেন। প্রায় ১০ হাজারের উপর লাইক ও কমেন্ট আসে তাতে। দেখা যায়, অনেকেই এই হস্তিনীর দেখা পেয়েছেন। সেঙ্গামালামের চুলের কাট তাঁদের সবাইকে ভাল লেগেছে। এমনিতেই এই হস্তিনীর ছবি মাঝেমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখা যায়। ফের তা ভাইরাল হল।

    এই চুলের কাটের জন্য অবশ্য অনেক পরিশ্রম করতে হয় তার মাহুত রাজাগোপালকে। কিন্তু এই চুলের আইডিয়া এল কী ভাবে? সংবাদমাধ্যমকে রাজাগোপাল জানিয়েছেন, “সেঙ্গামালাম আমার সন্তানের মতো। আমি সবসময় ওর একটা বিশেষ লুক দিতে চেয়েছিলাম। একদিন ইন্টারনেটে একটা ভিডিওতে আমি একটা হাতির বব কাট চুল দেখি। তখনই এই সিদ্ধান্ত নিই। আমি সেঙ্গামালামের চুল রাখা শুরু করি। কিন্তু এই কাট সম্ভব হয়েছে ওর স্বভাবের জন্য। খুবই শান্ত স্বভাবের হস্তিনী সেঙ্গামালাম।”

    রাজাগোপাল জানিয়েছেন, সেঙ্গামালামের চুলের যথেষ্ট যত্ন নিতে হয় তাঁকে। গরমকালে দিনে তিনবার শ্যাম্পু করে দিতে হয়। অন্যসময় প্রতিদিন একবার করে করলেই চলে। গরমের সময় সেঙ্গামালামকে ঠান্ডা রাখতে ৪৫ হাজার টাকা দিয়ে বিশেষ বাথরুমও বানিয়েছেন রাজাগোপাল।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More