জামা মসজিদ কি পাকিস্তানে, আদালতের তোপের মুখে দিল্লি পুলিশ

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভীম আর্মির প্রধান চন্দ্রশেখর আজাদের জামিনের মামলার শুনানিতে দিল্লির স্থানীয় আদালতে তীব্র ভর্ৎসনার মুখে পড়তে হল রাজধানীর পুলিশকে। এদিন বিচারক কামিনী লাউ সরকারি আইনজীবীর উদ্দেশে বলেন, “জামা মসজিদ কি পাকিস্তানে নাকি? ওখানে কেন বিক্ষোভ করা যাবে না?”

গত ২১ ডিসেম্বর সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে তুমুল বিক্ষোভ শুরু হয় জামা মসজিদের বাইরে। তখনই দিল্লি পুলিশ গ্রেফতার করে চন্দ্রশেখর আজাদকে। এদিন মামলার শুনানিতে আজাদের জামিনের বিরোধিতা করেন সরকারি আইনজীবী। তখন বিচারক বলেন, “আপনারা কী ভেবেছেন? এটা কোথায় ঠিক হল যে, ধর্মীয় স্থানের বাইরে বিক্ষোভ দেখানো যাবে না? জামা মসজিদ কি পাকিস্তানে নাকি?”

এখানেই থামেননি বিচারপতি লাউ। তিনি বলেন, “পাকিস্তানে হলেও সেখানে গিয়ে বিক্ষসোভ করা যেতে পারে। কারণ পাকিস্তান অবিভক্ত ভারতেই ছিল।” সরকারি কৌঁসুলী আদালতে বলেন, “সোশ্যাল মিডিয়ায় হিংসা ছড়ানোর অভিযোগ রয়েছে চন্দ্রশেখর আজাদের বিরুদ্ধে।” পাল্টা বিচারপতি বলেন, “কোনও হিংসার প্রমাণ আপনারা দিতে পারেননি।” ফের সরকারি আইনজীবী বলেন, “১৪৪ ধারা ভেঙেছেন ভীম আর্মির প্রধান।” তাতেও ক্ষিপ্ত হন বিচারপতি। বলেন, “বারবার ১৪৪ ধারার ব্যবহার কখনই সংবিধান সম্মত নয়। ওখানে ওই ধারার অপব্যবহার করা হচ্ছে।”

জামিয়া মিলিয়ায় লাঠি চালানো থেকে জেএনইউয়ের হামলার তদন্ত—গত দেড় মাসে একাধিক ঘটনায় দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে পক্ষপাত করার অভিযোগ তুলেছিল বিরোধীরা। এদিন আদালতও তোপ দাগল দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে। কংগ্রেস নেতা গুলাম নবি আজাদ সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, “এতদিন আমরা বলছিলাম। আজ আদালতও বলে দিল। দিল্লি পুলিশের হেড কোয়ার্টার এখন বিজেপির পার্টি অফিসে উঠে গিয়েছে। ওখান থেকে যা ঠিক হয় তাই পুলিশ করে।”

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More