বুধবার, অক্টোবর ১৬

জম্মু-কাশ্মীরে যা হচ্ছে, তার অনুপ্রেরণা সর্দার বল্লবভাই প্যাটেল! জন্মদিনে বললেন মোদী

দ্য ওয়াল ব্যুরো: জম্মু ও কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বিলোপ করার সিদ্ধান্তের পিছনে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের চিন্তাধারা। কয়েক দশক ধরে চলতে থাকা সমস্যাকে উনি যে ভাবে সমাধান করার চেষ্টা করেছিলেন, সেই পথেই হাঁটছে কেন্দ্রীয় সরকার। নিজের জন্মদিনে ভাষণ দিতে গিয়ে এমনটাই দাবি করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি আরও জানান, গুজরাতের সাফল্য সারা দেশের কাছে উদাহরণ-স্বরূপ হওয়া উচিত। গুজরাতের মানুষদের উদ্দেশে মোদীর অনুরোধ, তাঁরা যেন সারা দেশের বাকি রাজ্যগুলিকেও পথ দেখান, জীবনযাপনের মান আরও উন্নত করার জন্য।

গত কাল অর্থাৎ জন্মদিনের আগের দিন, সোমবার রাতেই প্রধানমন্ত্রী মোদী গুজরাতে যান। নর্মদা নদীর উপর তৈরি স্ট্যাচু অব ইউনিটি ও সর্দার সরোবর বাঁধ পরিদর্শন-সহ বিভিন্ন কর্মসূচি এবং প্রকল্প পর্যালোচনা করতে তিনি মঙ্গলবার সকালে পৌঁছে যান কেভাদিয়ায়। সেখানেই বহু কর্মী-সমর্থক-অনুগামীর সামনে ভাষণ দেন মোদী।

সেই সময়েই অবধারিত ভাবে উঠে আসে জম্মু-কাশ্মীরের প্রসঙ্গ। তিনি বলেন, “সেপ্টেম্বরের ১৭ তারিখ হায়দরাবাদ লিবারেশন ডে হিসেবেও পালিত হয় প্রতি বছর। সর্দার প্যাটিলজির পরিকল্পনাতেই হায়দরাবাদকে আলাদা করা হয়েছিল ১৯৪৮ সালে। জম্মু-কাশ্মীরকেও সেভাবেই আনা হবে কেন্দ্রীয় শাসনের আওতায়।”

এ ছাড়াও স্ট্যাচু অফ ইউনিটি নিয়ে নিজের খুশি প্রকাশ করেন মোদী। তিনি জানান, গত বছর এই মূর্তি প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর থেকে পর্যটকের সংখ্যা অনেক বেড়েছে। গত বছর, ৩১ অক্টোবর সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের জন্মবার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রী মোদি এই মূর্তিটির উদ্বোধন করেন। তিনি বলেন, “১৩৩ বছরের পুরোনো স্ট্যাচু অফ লিবার্টি দেখতে প্রতি দিন ১০ হাজার পর্যটক আসেন। সেখানে, মাত্র ১১ মাসের পুরনো স্ট্যাচু অফ ইউনিটি দেখতেই রোজ ৮,৫০০ জন পর্যটক আসেন। ”

জন্মদিনে প্রধানমন্ত্রী মোদির অন্য কর্মসূচিতে রয়েছে গরুড়েশ্বর গ্রামের দত্তাত্রেয় মন্দির এবং একটি শিশু উদ্যান পরিদর্শনও। এগুলির পর আমেদাবাদ থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূরে কেভাদিয়াযর একটি জনসভায় বক্তব্য রাখার কথা নরেন্দ্র মোদির।

গত বছর, উত্তরপ্রদেশে নিজের সংসদীয় আসন বারাণসীর স্কুলে শিশুদের নিয়ে সময় কাটিয়ে জন্মদিন উদযাপন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী ।

আরও পড়ুন…

জন্মদিনে মায়ের সঙ্গে দেখা করলেন মোদী, একসঙ্গে খেলেন ডাল-চাপাটি

Comments are closed.