সুস্থ থাকতে, সুন্দর থাকতে ভরসা রাখুন সর্ষের তেলে

১৮

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: আপাদমস্তক সুস্থ সুন্দর থাকতে চান? রোজ সর্ষের তেল মাখুন এবং খান। হ্যাঁ, ইদানিং একটি সমীক্ষায় উঠে এসেছে এমনি তথ্য। রান্নায় তো আজকাল ডায়েটের চক্করে আমরা অনেকেই এই তেলকে ব্রাত্য করে দিয়েছি। কিন্তু এই তেলে থাকা ওমেগা থ্রি, ওমেগা সিক্স, পিইউএফএ, এমইউএফএ, ভিটামিন ই, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, বিভিন্ন মিনারেল আমাদের চুল থেকে ত্বকের হাজারও সমস্যা অনায়াসে মেটাতে পারে। আপনার রেগুলার ডায়েটে এই তেল থাকলে কমে যেতে পারে উচ্চ রক্তচাপ থেকে হাই কোলেস্টরল। শুধু খাওয়াই নয়, আমরা রোজ যদি এই তেলে শরীর মাসাজ করি, আমাদের ঘর্মগ্রন্থিগুলো অনেকটাই বেশি অ্যাক্টিভ হতে পারে, তাতে স্কিনের পোর বা রোমকূপগুলো খুলে যায় বেশি করে, সহজেই শরীর থেকে ঘামের মাধ্যমে অতিরিক্ত টক্সিক পদার্থগুলো বেরিয়ে যেতে পারে। মুখে বয়সের সাথে সাথে অনেকের খুব পিগমেন্টেশনের সমস্যা হয়, তাঁদের জন্যও এই তেল কাজে আসতে পারে। পিগমেন্টেশন সহজে দূর করতে এই তেল মাসাজ করতে পারেন।

অ্যান্টিব্যাকটিরিয়াল গুণ

শরীরের ভিতরে ও বাইরে ব্যাকটিরিয়ার আক্রমণে অনেকেই জেরবার হই। সেটা প্রতিরোধ করতে ঢাল হিসেবে কাজ করে এই সর্ষের তেল। কোলনের ব্যাকটিরিয়া কতটা মারাত্মক হতে পারে, সেটা যাঁর না হয়, তাঁর বোঝা মুশকিল। সেই ব্যাকটিরিয়াকে কাবু করে সর্ষের তেল। চামড়ায় যে কোনও ব্যাকটিরিয়াল ইনফেকশন হয় যখন, বহু ডাক্তার-ওষুধেও বছরের পর বছর পেরিয়েও সমস্যা মেটে না, তখন এই তেলের উপর একটু ভরসা করতে পারেন। এই তেল সেই সমস্যা সহজেই কমিয়ে দিতে পারে। অতএব শরীরের ভিতর হোক বা বাইরে, যে কোনও ব্যাকটিরিয়াকেই যুদ্ধ করে আটকে দিতে পারে এই সর্ষের তেল।

প্রয়োজনীয় ফ্যাটি অ্যাসিডের উৎস
আমাদের শরীরে বেশ কিছু ফ্যাটি অ্যাসিডের প্রয়োজন হয়, যা স্কিন এবং চুলের ময়শ্চার বজায় রাখতে সাহায্য করে। তাই এই তেল দিয়ে মাথা মাসাজ করলে, স্কালের স্বাস্থ্য, চুলের স্বাস্থ্য সুন্দর থাকে। কারণ পর্যাপ্ত ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে এই তেলে। তারই সাথে এতে থাকা অ্যান্টিব্যাকটিরিয়াল গুণ স্কালে কোনও ইনফেক্শন হতে দেয় না, খুসকির সমস্যা থাকে না। চুল থাকে উজ্জ্বল।

হার্টের সমস্যা কমায়
করোনারি হার্ট ডিজি়জ আয়ত্তে রাখতে সাহায্য করে এই তেল। হার্টের সমস্যার সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত কোলেস্টরল এবং উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা। পুরোটাই এই তেল খেয়ে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

মেটাবলিজম বাড়ায়
এতে থাকা থিয়ামিন, ফোলেট, নিয়াসিন আমাদের মেটাবলিজম বাড়াতে সাহায্য করে। ফলে ওজন কমানো সহজ হয়। অন্য ফ্যাটের মতো এই তেলে থাকা ফ্যাট শরীরে জমাট বেধে থাকে না। সহজ হয় ওজন কমানো।

ব্যথা সারাতে কাজে আসে
আপনি আর্থ্রারাইটিসের কষ্টে ভুগলে বা যে কোনও জয়েন্ট পেনে কষ্ট পেলে এই তেল মালিশ আপনাকে অনেকটাই আরাম দেবে। তাছাড়া সিজন চেঞ্জের সময়ে যখন স্কিন খুব ফেটে যায়, বা বুকে কফ জমে ঠাণ্ডায় কষ্ট পান, তখন এই তেল মালিশ করলে সে সব কিছুরই উপশম পাওয়া যায়। স্কিন সুন্দর হয়, বুকের কফ বেরিয়ে যায় সহজেই।

দাঁত ও মাড়ির স্বাস্থ্য সুন্দর হয়
সপ্তাহে অন্তত দু থেকে তিন দিন যদি দাঁত এবং মাড়িতে এই তেল মালিশ করেন, যে কোনও ইনফেকশন দূরে থাকবে। মাড়ি ও দাঁত দুইই মজবুত হবে।

কাজেই যাকে এতদিন ব্রাত্য করে রাখছিলেন, তাকেই বরং আপন করে রান্নাঘরে সাজিয়ে ফেলুন। আর সুস্থ-সুন্দর থাকুন।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More