শনিবার, জানুয়ারি ২৫
TheWall
TheWall

দেশ ছাড়া অপরাধী বলে কি তিনি ভিআইপি নন! তাই সাজ-সাজ রব আর্থার রোড জেলে

Google+ Pinterest LinkedIn Tumblr +

দ্য ওয়াল ব্যুরো: অপরাধীর কোনও পাত্তা নেই। কিন্তু তার জন্য জেলের ‘বাড়িঘর’ তৈরি। ফাঁক নেই সুরক্ষায়। খামতি নেই সুযোগসুবিধায়। হবে না-ই বা কেন, ভিআইপি অপরাধী বলে কথা। তিনি লন্ডন থেকে ফিরলেই তাঁকে কার্যত জামাই আদর করে এনে রাখা হবে শ্রীঘরে। তিনি বিজয় মাল্য। ঋণ কেলেঙ্কারির মামলায় অভিযুক্ত ভারতীয় ব্যবসায়ী।

ন’হাজার কোটি টাকার প্রতারণা ও ঋণ-জালিয়াতি মামলায় ফেঁসে লন্ডনে পালিয়ে গিয়েছেন মাল্য। সেখানেই চলছে শুনানি। সোমবারও ওয়েস্টমিনস্টারের ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে হাজিরা দেন তিনি। গত বছরের এপ্রিল মাসে অভিযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত হওয়ার পরেও নিজের প্রভাব খাটিয়ে জামিনে মুক্ত রয়েছেন ৬২ বছরের এই ব্যবসায়ী।

দেশে ফিরলেই মুম্বইয়ের আর্থার রোডের জেলের ভিতরে একটি দোতলা ব্যারাকে রাখা হবে তাঁকে। এখানকার নিরাপত্তার বলয় সব চেয়ে বেশি পোক্ত বলে জানা গিয়েছে। মুম্বই হামলার মূল চক্রী আজমল কাসভকেও এখানেই রাখা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন জেল কর্তৃপক্ষ। এক আধিকারিক বলেন, “বিজয় মাল্যকে পুরোপুরি ‘সুরক্ষিত’ রাখা নিশ্চিত করেছি আমরা। ওঁর কোনও রকম মেডিক্যাল সহযোগিতার প্রয়োজন হলেও সেটা দেখা হবে। ডাক্তার এবং নার্সেরা তৈরি আছেন।”

এই কড়া নিরাপত্তায় মোড়া ব্যারাকটি জেলের ভিতরের সমস্ত সেল থেকে বিচ্ছিন্ন। ২৪ ঘণ্টার সিসিটিভি নজরদারি রয়েছে সেখানে। নিরাপত্তারক্ষীরা বিশেষ অস্ত্র নিয়ে মোতায়েন সেখানে।

কিছু দিন আগে আর্থার রোডের জেলের ছবি ও ভিডিও দেখতে চেয়েছিল লন্ডন আদালত। সেই ছবি পাঠানোর পরে আইনজীবীর মাধ্যমে বিজয় মাল্য জানান, ভারতের তরফ থেকে জেলের যে ছবি দেওয়া হয়েছে, তাতে প্রাকৃতিক কোনও আলো নেই। মুক্ত বাতাসও নেই। মাল্যের আইনজীবী আরও জানিয়েছেন, বিশেষ প্রক্রিয়ায় ছবিগুলি তোলা হয়েছে। বিশাল উঁচু দেওয়ালের মাধ্যমে ভিতরে কী ভাবে আলো যাবে, প্রশ্ন তুলেছেন মাল্যের আইনজীবী।

আরও পড়ুন: বিজয় মাল্যকে ভারতের হাতে তুলে দিতে রাজি হল ব্রিটেনের আদালত

ভারতের তরফে অবশ্য দাবি করা হয়েছে, জেলের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি, মানবাধিকার কমিশনের দেওয়া গাইডলাইন অনুসারেই। ভারত তাদের আইনজীবীর মাধ্যমে জানিয়েছে, খোলা আলো-বাতাস এবং ওয়াস্টার্ন টয়লেট, পরিচ্ছন্ন বিছানার বন্দোবস্ত করা হয়েছে বিজয় মাল্যের জন্য।

Share.

Comments are closed.