মঙ্গলবার, জানুয়ারি ২৮
TheWall
TheWall

নারদকাণ্ডে মির্জা গ্রেফতার নিয়ে মুখ খুললেন মুকুল, আক্রমণাত্মক দিলীপও

Google+ Pinterest LinkedIn Tumblr +

দ্য ওয়াল ব্যুরো: নারদকাণ্ডে আইপিএস এসএমএইচ মির্জাকে সিবিআই গ্রেফতারের পরে মুখ খুললেন নারদ স্টিংকাণ্ডে অন্যতম অভিযুক্ত বিজেপি নেতা মুকুল রায়। মুকুল এদিন বলেন, “অপরাধীর ক্ষেত্রে তদন্তকারী সংস্থা যেটা মনে করবে সেটাই হবে। এটা সম্পূর্ণ তাঁদের ব্যাপার।” একই সঙ্গে অতীতের মতো এদিনও তৃণমূলের একদা সেকেন্ড ইন কমান্ড বলেন, “যে সময়ে এই লেনদেন চলছিল, সেই সময়ে আমি নির্বাচনে দাঁড়াইনি। কোথাও দেখা যায়নি যে আমি টাকা নিচ্ছি বা দিচ্ছি”।

২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের মুখে ম্যাথু স্যামুয়েলের করা নারদ স্টিং অপারেশনে হইচই পড়ে গিয়েছিল রাজ্যে। তৃণমূল কংগ্রেসের এক ডজন নেতার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগে সাড়া জেগে গিয়ে‌ছিল জাতীয় রাজনীতিতেও। পরবর্তীকালে তদন্তের সময়ে ম্যাথু স্যামুয়েলের সঙ্গে সাক্ষাৎকার প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল মুকুলকে। যদিও এদিন সে প্রসঙ্গে মুকুল রায় বলেন, “আমার সঙ্গে টাকা লেনদেনের ব্যাপারে কোনও কথা হয়নি। ব্যবসার ব্যাপারে পরামর্শ নিতে এসেছিল।” কিন্তু, তাহলে কেন বর্ধমানের প্রাক্তন পুলিশ সুপারের নাম বলেছিলেন তৎকালীন তৃণমূল নেতা মুকুল রায়? সাংবাদিকদের এ প্রশ্নের উত্তরে মুকুলের জবাব, “ওরা বর্ধমানে ব্যবসা করতে চেয়েছিল। জমি কেনা বেচা সংক্রান্ত ব্যাপার, তাই এসএমএইচ মির্জার নাম বলেছিলাম।”

সিবিআইয়ের এই গ্রেফতারি নিয়ে মুকুল বলেন, “সিবিআই কী করবে সেটা তাঁদের ব্যাপার। আমার মত সত্য উদঘাটিত হোক। অনেককেই দেখা গিয়েছে টাকা নিতে। শোভন চট্টোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার এবং আরও অনেকে আছেন। যা প্রমাণ করার আদালতই করবে। আমি বলার কেউ নই। বহু লোক টাকা নেয়। তবে রসিদ আছে কি না তা দেখতে হবে।” অন্যদিকে, রাজীব কুমারের ‘খোঁজের’ মাঝেই মির্জার এই গ্রেফতারির মাধ্যমে কি নজর সরানোর চেষ্টা করা হচ্ছে? সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মুকুল বলেন, “রাজীব কুমার আর এই তদন্ত দুটো আলাদা ব্যাপার। রাজীব কুমারকে খুঁজে পাওয়া যাছে না, এটা রাজ্য সরকারের ব্যর্থতা।”

এদিকে, এসএমএইচ মির্জার গ্রেফতারি নিয়ে রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, “এর আগে ম্যাথু স্যামুয়েলকেই বারবার অপরাধী প্রমাণ করার চেষ্টা করা হচ্ছিল। কিন্তু এবার মানুষ সবটা জানতে চায়। সিবিআই সঠিক দিকেই যাত্রা শুরু করেছে। তদন্ত এগোতে থাকুক।”

Share.

Comments are closed.