বুধবার, নভেম্বর ২০
TheWall
TheWall

ভারতী আর ভোডাফোনের থেকে প্রাপ্য সব টাকা আদায় করা হোক, আর্জি মুকেশ অম্বানির

দ্য ওয়াল ব্যুরো : স্পেকট্রাম ব্যবহারের জন্য ভারতী এয়ারটেল লিমিটেড ও ভোডাফোন ইন্ডিয়া লিমিটেডের থেকে ৪৯ হাজার ৯৯০ কোটি টাকা চেয়েছিল সরকার। এই অর্থের কিছুটা মকুব করার জন্য আবেদন জানিয়েছিল দুই সংস্থা। সরকার তাদের আর্জি বিবেচনা করে দেখছে বলে জানা গিয়েছিল। ইতিমধ্যে শিল্পপতি মুকেশ অম্বানির সংস্থা রিলায়েন্স জিও বিবৃতি দিয়ে বলেছে, দুই সংস্থার কাছে সরকারের যা প্রাপ্য তা যেন পুরোপুরি আদায় করা হয়। তাদের ছাড় দেওয়া উচিত নয়। রবিবার ওই বিবৃতি দেওয়া হয়েছে।

দুই প্রতিদ্বন্দ্বী সংস্থা সম্পর্কে রিলায়েন্স জিও বলেছে, ভারতী এয়ারটেলের পক্ষে ৪০ হাজার কোটি টাকা তোলা কোনও ব্যাপার নয়। ভোডাফোনও প্রাপ্য টাকা দিতে পারবে। রিলায়েন্স জিও-র রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স শাখার প্রেসিডেন্ট কাপুর সিং গুলিয়ানি বলেন, এয়ারটেল যদি তার সম্পদের সামান্য অংশ বিক্রি করে দেয় অথবা তার ইন্ডাস টাওয়ার ব্যবসার ১৫-২০ শতাংশ নতুন ইকুইটি বাজারে ছাড়ে, তাহলে সহজেই ৪০ হাজার কোটি টাকা তুলতে পারবে। ইন্ডাস টাওয়ার ব্যবসার অংশীদার ভোডাফোনও। সুতরাং তাদের কাছে টাকা যোগাড় করা কোনও ব্যাপারই নয়।

সারা দেশে এয়ারটেলের মোট ১ লক্ষ ৬৩ হাজার টাওয়ার আছে।

শিল্পপতি সুনীল মিত্তালের সংস্থা ভারতী এবং কুমার মঙ্গলম বিড়লার সংস্থা ভোডাফোনের আর্জি বিবেচনা করতে রাজি হয়েছে এক সরকারি প্যানেল। তার পরেই রিলায়েন্স জিও থেকে টেলিকম মন্ত্রীকে চিঠি দিয়ে বলা হয়, সরকারের প্রাপ্য টাকা মিটিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা দুই সংস্থার আছে।

ভারতী ও ভোডাফোন, দু’টি সংস্থাই লোকসানে চলছে। ভোডাফোন আইডিয়া পরপর ১১ টি ত্রৈমাসিকে লোকসান করেছে। ভারতী গত জুনে শেষ হওয়া ত্রৈমাসিকে প্রথমবার ক্ষতির মুখে পড়েছে। তাই তারা প্রাপ্য টাকা ছাড় দেওয়ার জন্য সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছিল। রিলায়েন্স জিও সুপ্রিম কোর্টের একটি রায় উল্লেখ করে বলেছে, স্পেকট্রাম থেকে সরকারের যে আয় হয় তা সীমাবদ্ধ। সুতরাং স্পেকট্রাম যেন এমনভাবে ভাড়া না দেওয়া হয় যা জনস্বার্থের বিরোধী।

Comments are closed.