মোদী ভাবেন সকলেই তাঁর মতো, তিনটি ট্রাস্ট নিয়ে তদন্ত হবে শুনে বললেন রাহুল

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো : বুধবার কেন্দ্রীয় সরকার ঘোষণা করে, গান্ধী পরিবারের সঙ্গে সম্পর্কিত তিনটি ট্রাস্টের আর্থিক অনিয়ম নিয়ে তদন্ত হবে। তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে কংগ্রেস নেতার রাহুল গান্ধী বললেন, “যারা সত্যের জন্য লড়াই করে, তাদের কোনও কিছু দিয়েই কেনা যায় না। তাদের ভয়ও দেখানো যায় না।” পরে কংগ্রেস প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলে, সরকার নিজেই ভয় পেয়েছে। তাই তারা এই ধরনের কাপুরুষোচিত কাজ করছে। তবে এভাবে তাদের নেতাদের ভয় সেখানো যাবে না।

    কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছে, তিনটি ট্রাস্টের বিরুদ্ধে তদন্ত হবে, সেগুলি হল রাজীব গান্ধী ফাউন্ডেশন, রাজীব গান্ধী চ্যারিটেবল ট্রাস্ট ও ইন্দিরা গান্ধী মেমোরিয়াল ট্রাস্ট।

    রাহুল এদিন টুইট করে বলেন, “মিস্টার মোদী মনে করেন, সকলেই তাঁর মতো। তিনি মনে করেন, সকলকেই কোনও না কোনও দাম দিয়ে কেনা যায়। ভয় দেখানো যায়। তিনি বোঝেন না, যারা সত্যের জন্য লড়াই করে, তাদের কেনা যায় না। ভয়ও দেখানো যায় না।”

    श्री मोदी को लगता है कि पूरी दुनिया उन के जैसी ही है। उन्हें लगता है हर किसी की क़ीमत होती है या डराया जा सकता है।वो कभी नहीं समझेंगे कि जो सच के लिए लड़ते हैं, उन्हें ख़रीदा और डराया नहीं जा सकता।

    Rahul Gandhi এতে পোস্ট করেছেন বুধবার, 8 জুলাই, 2020

    কংগ্রেসের অভিযোগ, বিজেপি তাদের নেতাদের প্রতি প্রবল ঘৃণা পোষণ করে। কয়েক দিন ধরে কংগ্রেস নেতারা সরকারের বিরুদ্ধে নানা প্রশ্ন তুলেছিলেন। কারণ, সরকার দেশের নিরাপত্তা নিয়ে সমঝোতা করেছে, কোভিড ১৯ মোকাবিলায় ব্যর্থ হয়েছে, আর্থিক মন্দা সামলাতে পারেনি। সেজন্য দেশের সাধারণ নাগরিকরা ব্যাপক সংকটে পড়েছেন। প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার জন্য তারা তিনটি ট্রাস্ট নিয়ে তদন্ত করতে চাইছে। ওই ট্রাস্টগুলি জনকল্যাণমূলক কাজ করে। তাদের নিয়ে যতই তদন্ত হোক না কেন, কিছু যায় আসে না।

    কংগ্রেসের বক্তব্য, প্রতিদিন বিজেপি একটা করে ষড়যন্ত্র করছে। মোদী সরকারের ব্যর্থতা ঢাকার জন্য নানা ভুল তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। মানুষের নজর অন্যদিকে ঘোরানোর চেষ্টা হচ্ছে। বিজেপি নেতারা ভয় পাচ্ছেন পাছে তাঁদের সঙ্গে চিনা সংস্থাগুলির যোগযোগ নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। চিনের বিভিন্ন কোম্পানি পিএম কেয়ার ফান্ডে বিপুল টাকা দিয়েছে। বিজেপি আমলে চিনা সংস্থাগুলিকে নানাভাবে সাহায্য করা হয়েছে।

    কংগ্রেস প্রশ্ন তুলেছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কি বিজেপির আয় ৫০০ শতাংশ বৃদ্ধি নিয়ে তদন্তের নির্দেশ দেবেন? ২০১৫-১৬ সালে বিজেপির আয় ছিল ৫৭০ কোটি ৮৬ লক্ষ টাকা। ২০১৮-১৯ সালে সেই আয় বেড়ে ২৪১০ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More