পুত্রসন্তানের বদলে কন্যাসন্তান! পরিবারের দাবি বদলে গেছে শিশু, হাসপাতাল চাইছে ডিএনএ টেস্ট

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: গর্ভাবস্থায় একাধিক বার আল্ট্রা সোনোগ্রাফি করা হয়েছিল তাঁর। জানানো হয়েছিল, পুত্রসন্তান আসছে কোলে। এক কন্যাসন্তানের মা দীপ্তি দাস তাই খুব খুশিও হয়েছিলেন। মেয়ের পরে ছেলে আসবে কোলে। নির্দিষ্ট সময়েই, আজ রবিবার, বাংলাদেশের চট্টগ্রামের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে সন্তানের জন্ম দেন দীপ্তি। কিন্তু এর পরেই সূত্রপাত সমস্যার। সদ্যোজাত সন্তানের লিঙ্গ দেখে তাকে নিজের সন্তান বলে গ্রহণ করতেই অস্বীকার করেন দীপ্তি ও তাঁর পরিবার। তাঁরা দাবি করেন, অন্য কারও সঙ্গে বদলে গিয়েছে তাঁদের সন্তান। কারণ দীপ্তির ছেলে হওয়ারই কথা ছিল।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ভ্রূণের লিঙ্গ নির্ধারণ করা বাংলাদেশে আইনত অবৈধ নয়।

হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্তৃপক্ষ দাবি করেছেন, শিশু বদলের কোনও প্রশ্নই ওঠে না। একই দিনে প্রায় একই সময়ে তিন মায়ের সিজ়ার করিয়ে সন্তানের জন্ম দেওয়া হয়েছে। শারমিন আখতার ও তামান্না আখতারের পুত্রসন্তান এবং দীপ্তি দাসের কন্যাসন্তান হয়েছে। হতে পারে আল্ট্রা সোনোগ্রাফি রিপোর্ট ভুল এসেছিল দীপ্তির।

যদিও এ কথা মানতে রাজি নন দীপ্তি ও তাঁর পরিবার। দীপ্তির মা শোভারানি বিশ্বাস তাঁর মেয়ের সন্তানকে কোলে নিতেই আপত্তি প্রকাশ করেন। কারণ তাঁর দাবি, তামান্না আখতারের কোলে জন্ম নেওয়া পুত্রসন্তানটিই তাঁর নাতি। চিকিৎসকদের ভুলে নাকি বদলাবদলি হয়ে গিয়েছে তাঁর মেয়ের সঙ্গে। তাঁর অভিযোগ, গর্ভাবস্থায় তাঁর মেয়ের তিন বার আল্ট্রা সোনোগ্রাফি করা হয়, প্রতিবারই পুত্রসন্তান আছে বলে জানানো হয় তাঁদের। তাই এখন কন্যাসন্তানকে মেনে নিতে পারছেন না তাঁরা। 

তামান্নার পরিবারের তরফে অবশ্য স্পষ্ট জানানো হয়েছে, তাঁদের পুত্রসন্তানই হওযার কথা ছিল। সেটাই হয়েছে। এ সন্তান তাঁদেরই। কারও সঙ্গে কোনও রকম বদল হয়েছে বলে তাঁরা বিশ্বাস করেন না। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও জানান, আলাদা চিকিৎসক আলাদা আলাদা অস্ত্রোপচার করেছেন আলাদা সময়ে। ভুলবোঝাবুঝির কোনও অবকাশই নেই। সকলেই নিজের সন্তানকে কোলে পেয়েছেন। তার পরেও যদি এ নিয়ে দীপ্তির পরিবারের কোনও সন্দেহ থাকে, তা হলে তাঁরা যেন তাঁদের শিশুকন্যার ডিএনএ পরীক্ষা করান।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More