বুধবার, জানুয়ারি ২৯
TheWall
TheWall

দিল্লির দূষণ নিয়ে সংসদীয় কমিটির বৈঠকে গরহাজির আধিকারিকরা, নালিশ যাচ্ছে অধ্যক্ষের কাছে

Google+ Pinterest LinkedIn Tumblr +

দ্য ওয়াল ব্যুরো: দূষণ নিয়ে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে গরহাজির রইলেন অধিকাংশ আধিকারিক। এমন গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে আধিকারিকরা গরহাজির থাকায় বিরক্ত নগরোন্নয়ন সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। সংসদ সূত্রে জানা গেছে, বিষয়টি লোকসভার অধ্যক্ষকে জানানো হবে।

বরিষ্ঠ আধিকারিকরা তাঁদের অনুপস্থিতির কথা অন্য কোনও ভাবে না জানিয়ে, অধস্তন আধিকারিককে দিয়ে বলে পাঠান। এতে বিরক্তি আরও বেড়েছে স্থায়ী কমিটির।

সূত্রের খবর, দিল্লির দূষণ নিয়ে ডাকা সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে হাজির ছিলেন না পরিবেশমন্ত্রক ও দিল্লি ডেভেলপমেন্ট অথরিটির (ডিডিএ) আধিকারিকরা, ছিলেন না মিউনিসিপ্যাল কমিশনাররাও।

বৈঠকে দিল্লির গাড়ি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে। দিল্লিতে ৫০ হাজারের উপরে গাড়ি চলে, গাড়ির সংখ্যা কমাতে ইতিমধ্যেই জোড়-বিজোড় নীতি প্রয়োগ করেছে দিল্লি সরকার। কিন্তু দূষণ এখনও তীব্র। এই অবস্থায় দিল্লির সরকার কারপুল বা ওই ধরনের কোনও নীতির কথা ভাবছে কিনা সেই প্রশ্ন তোলা হয়েছে।

দূষণ নিয়ন্ত্রণের জন্য রাজ্যগুলিকে চোদ্দো হাজার যন্ত্র ও ১,১৫০ কোটি টাকা দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। দূষণ নিয়ন্ত্রণের জন্য রাজ্য সরকারগুলি কোন গুণগত ও পরিমাণগত দিক বিচার করে টাকা খরচ করছে এবং তা নিয়ে কোনও বিস্তারিত রিপোর্ট তৈরি করছে কিনা তাও জানতে চায় সংসদীয় কমিটি।

বায়ুদূষণের জন্য যে ক্ষতি হচ্ছে তার জন্য গ্রামপঞ্চায়েতের প্রধান থেকে সচিব – সকলের দায়িত্ব নির্দিষ্ট করতে হবে বলে সর্বোচ্চ আদালত জানিয়েছিল। সেই রায় কার্যকর করার ক্ষেত্রে দায়িত্ব বণ্টন করা এবং কার দায় কতটা তা নির্ধারণ করা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে সংশ্লিষ্ট সংসদীয় কমিটি।

এখন দূষণে মুখ ঢেকেছে দিল্লি। দীপাবলির সময় থেকে বায়ুদূষণের মাত্রা তীব্র থেকে তীব্রতর হয়। সপ্তাহে নির্দিষ্ট দিনে জোড় সংখ্যার ও বিজোড় সংখ্যার গাড়ি পথে নামানোর, বাজির উপরে আংশিক নিয়ন্ত্রণ করেও দূষণ নিয়ন্ত্রণ করা যায়নি। বাধ্য হয়ে কয়েকদিন স্কুল ছুটি দিয়ে দেয় দিল্লি সরকার। এ সব করেও দূষণ নিয়ন্ত্রণে আসছে না। কিন্তু দূষণ নিয়ন্ত্রণ করা নিয়ে উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা নিজেরাই যে উদাসীন, তার আভাস এ দিন পাওয়া গেছে।

দিল্লির দূষণের জন্য আশপাশের রাজ্যকে দূষছেন দিল্লির রাজনীতিকরা। শীতের সময়ে পঞ্জাব ও হরিয়ানায় বিকেলের দিকে নুড়ো জ্বালানো হয় বলে তা থেকে দিল্লিতে দূষণ বাড়ছে – এটাই একাংশের যুক্তি। যদিও এখন পারস্পরিক দোষারোপ বন্ধ করে সমাধানের পথ খোঁজা উচিত বলে মত কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের।

Share.

Comments are closed.