রবিবার, অক্টোবর ২০

বেশিরভাগ দেশই মনে করে, কাশ্মীর ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়

দ্য ওয়াল ব্যুরো : সংবিধানের ৩৭০ ধারা লোপ করার পরে গত এক মাসে বেশ কয়েকটিও দেশে সফর করেছেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর। সেই সব রাষ্ট্রের বিদেশমন্ত্রী ও প্রশাসনের অন্যান্য কর্তার সঙ্গে দেখা করে আলোচনা করেছেন কাশ্মীর নিয়ে। এরপর শুক্রবার কাশ্মীর ও পাকিস্তান নিয়ে বেশ কয়েকটি প্রশ্নের জবাব দেন বিদেশমন্ত্রী। তিনি প্রথমেই বলেন, বেশিরভাগ দেশ মেনে নিয়েছে, কাশ্মীর ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়। সুতরাং ভারত চাইলে তার বিশেষ মর্যাদা রদ করতেই পারে।

তাঁর কথায়, বিদেশিরা মনে করেন, কাশ্মীর ভারতের অভ্যন্তরীণ ইস্যু। পাকিস্তান এ ব্যাপারে বেশ কয়েকবার কড়া মন্তব্য করেছে। সকলেই মনে করে কাশ্মীর নিয়ে যদি কোনও বিতর্ক থাকে, ভারত ও পাকিস্তান আলোচনায় বসে মিটিয়ে নিক।

৩৭০ ধারা সম্পর্কে তিনি বলেন, ভারতের সংবিধানে তা ছিল অস্থায়ী একটি ব্যবস্থা। অস্থায়ী মানে একসময় তা লোপ পাবে। কাশ্মীরের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি বলেন, ৫ অগস্টের আগে ৩৭০ ধারা বহাল ছিল। কিন্তু তখন যে কাশ্মীরে আদর্শ পরিবেশ ছিল, এমন কথা বলা যায় না। পুলিশ অফিসার ও সাংবাদিকরা প্রায়ই সন্ত্রাসবাদীদের হাতে প্রাণ হারাতেন।

কাশ্মীর নিয়ে প্রশাসনিক সমস্যার কথা উল্লেখ করে জয়শংকর বলেন, সেখানে ব্যবসা-বাণিজ্যে নানা অসুবিধা হচ্ছিল। দেশের অন্যান্য প্রান্তে ব্যবসা বাণিজ্যে যে তেজি ভাব দেখা যায়, কাশ্মীরে তা দেখা যেত না।

পাকিস্তান নিয়ে ভারতের অবস্থান ব্যাখ্যা করে জয়শংকর বলেন, আমরা বরাবর বলে এসেছি, যে কোনও বিতর্ক নিয়ে তাদের সঙ্গে কথা বলতে পারলে খুশি হব। কিন্তু সন্ত্রাসবাদীরা যদি আমাদের মাথা লক্ষ্য করে বন্দুক উঁচিয়ে থাকে, তাহলে কীভাবে আলোচনা হওয়া সম্ভব?

সন্ত্রাসবাদের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, পাকিস্তান জানিয়েছে, তারা আমাদের সঙ্গে কথা বলতে চায়। কিন্তু তারা সন্ত্রাসবাদীদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নিচ্ছে, সেকথা কি জানিয়েছে? পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে উদ্ধৃত করে জয়শংকর বলেন, তিনি নিজে স্বীকার করে নিয়েছেন, তাঁদের দেশে ৪০ হাজার সন্ত্রাসবাদী আছে। পাকিস্তানের প্রতিটি বড় শহরেই আছে সন্ত্রাসবাদীদের শিবির।

Comments are closed.