রবিবার, অক্টোবর ২০

গরমে এগিয়ে বাংলা, রাজস্থানের বাড়মেঢ়কে পিছনে ফেলল বাঁকুড়া

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ঘূর্ণিঝড় ফণী থাবা বসিয়ে চলে যাওয়ার  পর থেকেই পুড়ছে বাংলা। রাজ্যের একাধিক জেলায় তাপমাত্র ছাড়িয়েছে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শুক্রবারে বাংলার গরম পিছনে ফেলে দিয়েছে মরুরাজ্য রাজস্থানকেও।

শুক্রবার দক্ষিণবঙ্গে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল বাঁকুড়ায়। সেখানে ৪২.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড গড়েছে। পিছিয়ে ছিল না আসানসোলও। সেখানে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৪২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যার মানে, রিয়েল ফিল ছিল আরও তিন-চার ডিগ্রি বেশি। সেখানে শুক্রবার রাজস্থানের জয়সলমেঢ়ের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৯.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আরএক মরু শহর বাড়মেঢ়ের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৮.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যোধপুরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

শুক্রবার রাজস্থানের একাধিক জেলায় ঝড়-বৃষ্টি হয়। তার জেরে শনিবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা কিছুটা কমে। কিন্তু বাংলার অবস্থা হাঁসফাস। নির্ধারিত সময়েও যদি বর্ষা আসে,  তাহলেও বঙ্গবাসীকে এই দাবদাহ সহ্য করতে হবে আরও প্রায় এক মাস।

শনিবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের তুলনায় ২ থেকে ৩ ডিগ্রি বেশি। আর্দ্রতার পরিমাণ ৭৬ শতাংশ। রবিবারও তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রির আশেপাশে থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। তবে এই চাঁদিফাটা গরমের মধ্যেই খানিক স্বস্তির কথা শুনিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, রবিবার বিকেলের পর থেকে তাপমাত্রা কিছুটা হলেও কমবে দক্ষিণবঙ্গে। সোমবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টি হতে পারে বলেও পূর্বাভাস দিয়েছে মৌসম ভবন। সঙ্গে হতে পারে কালবৈশাখীও। ফলে সাময়িক ভাবে স্বস্তি পেতে পারেন দক্ষিণবঙ্গের বাসিন্দারা। এমনকী রবিবার বিকেলের পর তাপমাত্রা কমার সঙ্গে সঙ্গে দক্ষিণবঙ্গের কিছু জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে বলেও অনুমান। কিন্তু মঙ্গলবার এবং বুধবারেই দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

Comments are closed.