রবিবার, অক্টোবর ২০

হিমালয়ে যেন মৃত্যুমিছিল! মাকালু ও এভারেস্টে প্রাণ হারালেন এক সেনা-সহ দুই ভারতীয় আরোহী

  • 126
  •  
  •  
    126
    Shares

দ্য ওয়াল ব্যুরো: চলতি আরোহণ মরসুমে যেন মৃত্যুমিছিল দেখছে নেপাল-হিমালয়। গত কালই খবর পাওয়া গিয়েছে, কাঞ্চনজঙ্ঘা অভিযানে প্রাণ হারিয়েছেন দুই বাঙালি পর্বতারোহী বিপ্লব বৈদ্য, কুন্তল কাঁড়ার। তার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই, মাকালু অভিযানে আরোহী দীপঙ্কর ঘোষের নিখোঁজ হওয়ার কথা জানিয়েছে নেপালের পর্বতারোহণ আয়োজন সংস্থা। ফের ওই মাকালু অভিযানেই আরও এক অভিযাত্রীর মৃত্যুর খবর এল। মৃত নারায়ণ সিং ভারতীয় সেনাবাহিনীর পর্বতারোহী দলের সদস্য ছিলেন। অন্য দিকে এভারেস্ট শৃঙ্গ আরোহণের পরেও নামার সময়ে এক ভারতীয় আরোহী রবি ঠাকুরের মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে নেপালের পর্বতারোহী আয়োজক সংস্থা সেভেন সামিটস।

ভারতীয় সেনার পর্বতারোহী দল।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, মেজর মনোজ জোশীর নেতৃত্বে মাকালু অভিযানে যাওয়া এই সেনাদলের তরফেই কয়েক দিন আগে দাবি করা হয়েছিল, তারা ইয়েতির পায়ের ছাপ দেখেছে বরফের উপরে। এই নিয়ে বহু তর্ক-বিতর্ক চললেও, শেষমেশ অভিযান সফল হয়েছিল তাদের। কিন্তু সেই সাফল্যেই মিশে গেল মৃত্যুর বিষাদ।

নারায়ণ সিং (চিহ্নিত)

অন্য দিকে, এভারেস্টের সামিট ক্যাম্পে অর্থাৎ ক্যাম্প ফোরে শুক্রবার সকালেই উদ্ধার হয় রবি ঠাকুরের মৃতদেহ। জানা গিয়েছে, আয়ারল্যান্ডের একটি পর্বতারোহী দলের সদস্য হিসেবে, নোয়েল রিচার্ড হান্নার নেতৃত্বে এভারেস্ট অভিযানে গিয়েছিলেন পেশায় সফ্টওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার, হরিয়ানার বাসিন্দা রবি ঠাকুর।

রবি ঠাকুর।

বৃহস্পতিবার সকালেই রবি তাঁর দলের অন্য সদস্যদের সঙ্গে এভারেস্টে পা রেখেছিলেন। সেখান থেকে নামার সময়ে দলের এক আইরিশ সদস্য সিমাস সিন ললেস পড়ে যান পাহাড়ের ঢালে। তিনি এখনও নিখোঁজ। বাকি সকলে ক্যাম্প ফোরে নেমেও আসেন। কিন্তু শুক্রবার সকালেই টেন্টের ভিতরে উদ্ধার হয় রবি ঠাকুরের দেহ। শেরপারা জানিয়েছেন, সম্ভবত বেশি উচ্চতায় অসুস্থতাজনিত কারণে ঘুমের মধ্যেই মৃত্যু হয়েছে তাঁর।

আট হাজার মিটারের বেশি উচ্চতাকে পাহাড়ি পরিভাষায় ‘ডেথ জ়োন’ বলে। সমতলের সঙ্গে অভ্যস্ত শরীর উচ্চতার সঙ্গে খাপ খাওয়াতে না পেরে নানা রকম সমস্যায় পড়ে। সেই সমস্যাই আসলে হাই অল্টিটিউড সিকনেস।

Comments are closed.