শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ২০

দুই মন্ত্রকে বোঝাপড়া, পিএফে সুদের হার কমছে না

দ্য ওয়াল ব্যুরো : ২০১৮-১৯ সালে এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ডে সুদের হার থাকছে ৮.৬৫ শতাংশ। সুদের হার নিয়ে মতবিরোধ ছিল শ্রমমন্ত্রক ও অর্থমন্ত্রকের মধ্যে। সম্প্রতি শ্রমমন্ত্রী সন্তোষ কুমার গঙ্গোয়ার অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমনের সঙ্গে দেখা করে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি বলেন, ৪ কোটি ৬০ লক্ষ কর্মচারীকে ৮.৬৫ শতাংশ হারে সুদ দিয়েও ইপিএফও-র তহবিলে যথেষ্ট পরিমাণে অর্থ থাকবে। তারপরেই স্থির হয়, পিএফে সুদের হার ৮.৬৫ শতাংশ রাখা হবে। এ বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি হবে শীঘ্র।

ইপিএফে সুদের হার স্থির করে সেন্ট্রাল বোর্ড অব ট্রাস্ট্রিজ। তার সভাপতি শ্রমমন্ত্রী। এছাড়া ওই সংস্থায় আছেন কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন উচ্চপদস্থ অফিসার, ট্রেড ইউনিয়নের প্রতিনিধি ও নানা শিল্প সংস্থার প্রতিনিধিরা। গত বুধবার হায়দরাবাদে বোর্ডের বৈঠক হয়। সেখানে স্থির হয়, পিএফে সুদের হার নিয়ে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হবে এক সপ্তাহের মধ্যে।

অর্থমন্ত্রকের সঙ্গে আলোচনা করে সেন্ট্রাল বোর্ড অব ট্রাস্ট্রিজ পিএফে সুদের হার স্থির করে। অর্থমন্ত্রক চেয়েছিল, সুদের হার ১০ বেসিস পয়েন্ট কমানো হোক। পিএফের ট্রাস্টি বোর্ড তাতে রাজি হয়নি। এই মতবিরোধের জন্যই সুদের হার নিয়ে সরকার বিজ্ঞপ্তি দিতে পারছিল না। গত আর্থিক বছরে পিএফে সুদের হার ছিল ৮.৫৫ শতাংশ। জুন মাসে অর্থমন্ত্রক থেকে শ্রমমন্ত্রককে চিঠি লিখে বলা হয়, পিএফে সুদের হার ৮.৬৫ করা ঠিক হবে কিনা একবার ভেবে দেখা উচিত। তার জবাবে শ্রমমন্ত্রক জানায়, ২০১৮-১৯ সালে ৮.৬৫ শতাংশ হারে সুদ দিয়েও ইপিএফও-র তহবিলে ৩১৫০ কোটি টাকা থাকবে।

গত মাসে অর্থমন্ত্রক জেনারেল প্রভিডেন্ট ফান্ডে সুদের হার কমিয়ে করেছে ৭.৯ শতাংশ। ৩০ সেপ্টেম্বর শেষ হওয়া ত্রৈমাসিকে ওই হারে সুদ মিলবে। তার আগের ত্রৈমাসিকে সুদের হার ছিল আট শতাংশ। ভারতীয় মজদুর সঙ্ঘের সর্বভারতীয় সম্পাদক ব্রিজেশ উপাধ্যায় বলেন, অর্থমন্ত্রক পরামর্শ দিতে পারে। হুকুম দিতে পারে না। পিএফে কী হারে সুদ দেওয়া হবে, তা স্থির করবেন ট্রাস্টিরা। আইএনটিইউসি-র সভাপতি সঞ্জীব রেড্ডি বলেন, সেন্ট্রাল বোর্ড অব ট্রস্ট্রিজের তহবিলে যে অর্থ আছে, তাতে কর্মীদের নয় শতাংশ হারে সুদ দেওয়া যায়।

Comments are closed.