ফের প্রতিবাদী মিমি! ‘কত দিন ধরে পচা খাবার বেচছেন’, কড়া টুইট সাবওয়ে ফুডচেনের বিরুদ্ধে

টুইট করার পাশাপাশি কলকাতা পুরসভার খাদ্য দফতরেও লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন মিমি।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: দিন কয়েক আগেই অশালীন আচরণ করা এক ট্যাক্সিচালককে উচিত শিক্ষা দিয়েছিলেন তিনি। মাঝরাস্তায় দক্ষিণ কলকাতার বুকে ট্যাক্সি থেকে তাকে ঘাড় ধরে নামিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দিয়ে বলেছিলেন, “প্রতিবাদ না করলে এ অভব্যতা চলতেই থাকবে।” তিনি মিমি চক্রবর্তী। তাঁর সাহসিকতা ও প্রতিবাদী আচরণকে কুর্নিশ করেছিলেন অনেকেই।

এবার ফের প্রতিবাদী ভূমিকায় মিমি। তবে এবার তাঁর প্রতিবাদ কারও আচরণের বিরুদ্ধে নয়, খাবারের গুণগত মানের বিরুদ্ধে। মার্কিন ফুড চেন সংস্থা সাবওয়ের বিরুদ্ধে তাঁর অভিযোগ, ওই সংস্থার ডেলিভারি করা খাবারে ছত্রাক রয়েছে!

শুধু শুকনো অভিযোগ নয়, খাবারের ছবি-সহ বিষয়টি টুইটও করেছেন তিনি। উগরে দিয়েছেন ক্ষোভ। সেই সঙ্গে মানুষকে সাবধানও করেছেন সাবওয়ে থেকে খাবার কেনা নিয়ে।

মিমি টুইট করে লিখেছেন, গত ১৬ সেপ্টেম্বর তিনি শ্যুটিং করছিলেন রাজারহাটের ইকোস্পেস এলাকায়। শ্যুটিংয়ের মাঝে ওখানকারই একটা সাবওয়ের আউটলেট থেকে তিনি বার্গার জাতীয় একটি খাবার অর্ডার করেন। বার্গার এসে পৌঁছলে দেখা যায়, তাতে ছত্রাকে ভর্তি।

স্বাভাবিক ভাবেই তাতে বেজায় বিরক্ত হন মিমি। খিদের মুখে খাবার জিনিস যদি এমন অস্বস্তিকর রকমের খারাপ হয়, তবে কার ভাল লাগে! এর পরেই রেগে গিয়ে টুইট করেন মিমি। তাতে ট্যাগ করেন সাবওয়ে ইন্ডিয়াকেও। মিমি লেখেন, ”যাঁরা সাবওয়ে থেকে খাবার অর্ডার করেন, তাঁরা এবার থেকে ভেবেচিন্তে করুন।”

টুইট করার পাশাপাশি কলকাতা পুরসভার খাদ্য দফতরেও লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন মিমি। পাশাপাশি তিনি সাবওয়ে-কে তোপ দেগে বলেন, “কত দিন ধরে এরকম বাসি, পচা খাবার বিক্রি করছেন? আপনার গ্রাহকরা, যাঁদের মাধ্যমে রাজত্ব  গড়েছেন, তাঁদেরই স্বাস্থ্যের বিনিময়ে এই সব করছেন!”

বলাই বাহুল্য মিমির টুইটের পরে প্রায় সকলেই তাঁকে সমর্থন করেছেন এবং সাবওয়ে সংস্থার ওপর বেজায় চটেছেন। কিন্তু এর পরে সাবওয়ে কী করবে, ক্ষতিপূরণ দেবে, না ক্ষমা চাইবে, তাদের বিরুদ্ধে কোনও শাস্তি হবে কিনা, তা এখনও কিছু জানা যায়নি।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More