ভয়াবহ আগুন দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানায়

ওভারহেড গ্যাস পাইপে আগুন। ঘটনাস্থলে দমকলের ন'টি ইঞ্জিন। আগুন লাগার কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। ঘটনার পর এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া।

২০

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো, পশ্চিম বর্ধমান: দুর্গাপুরের ইস্পাত কারখানার ভিতরে গ্যাস লাইনের পাইপে ভয়াবহ আগুন লাগে শুক্রবার রাতে। এই দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভীতি ছড়িয়ে পড়ে শ্রমিকদের একাংশের মধ্যে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় কারখানার নিজস্ব ফায়ার ব্রিগেডের প্রায় নয়টি দমকল ইঞ্জিন।

শুক্রবার ১১ই সেপ্টেম্বর রাত ৯টা৪০ নাগাদ হঠাৎই কারখানার ভিতরে একটি ওভারহেড গ্যাস পাইপ লাইনে আগুন জ্বলতে দেখে কারখানার শ্রমিকরা। কিছুক্ষণের মধ্যেই সে আগুন আয়ত্তের বাইরে চলে যায় ও ভয়াবহ আকার ধারণ করে। খবর পাঠানো হয় কারখানার নিজস্ব অগ্নি নির্বাপণ বাহিনীর কাছে।

হিন্দুস্তান স্টিল এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের যুগ্ম সম্পাদক সৌরভ দত্ত এদিন সংবাদমাধ্যমে জানান, আগুনের খবর পাওয়া মাত্রই কারখানার নিজস্ব অগ্নি নির্বাপনের লোকজন যথেষ্ট তৎপরতা দেখায়। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় দমকলের দুটি ইঞ্জিন। দেরি হলে আরও বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা ছিল।

শ্রমিকেরাও স্বীকার করছেন, বড়সড় এক দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেল দুর্গাপুরের ইস্পাত কারখানা। আগুন লাগার কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। তবে অনুসন্ধান চলছে।

দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার তৃণমূল কংগ্রেস স্থায়ী শ্রমিক সংগঠনের প্রাক্তন সভাপতি জয়ন্ত রক্ষিতকে এ প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, “পাইপলাইনে যেখানে আগুন লেগেছিল তার সামান্য দূরেই একটি পেট্রোল পাম্প আছে। আগুন ছড়িয়ে গেলে পরিস্থিতি হাতের বাইরে বেরিয়ে যেত।” তিনি এদিন সংবাদমাধ্যমের সামনে দমকলকর্মীদের বিচক্ষণতার প্রশংসা করে বলেন, “দমকমের লোকজন যে তৎপরতার সঙ্গে আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছেন তা উল্লেখ করার মত।”

কারখানাসূত্রে জানা গেছে, মূলত কার্বন-মনোক্সাইড গ্যাস কারখানার ব্লাস্ট ফার্নেসে নিয়ে যাওয়া হয় ওই পাইপ লাইনের মাধ্যমে। প্রায় ঘণ্টা দেড়েকের আপ্রাণ চেষ্টার পর দমকলকর্মীরা এই বিধ্বংসী আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।

শুক্রবার রাত্রেই খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন কারখানা ফায়ার সার্ভিস ডিজিএম ভাস্কর মুখার্জি। উপস্থিত ছিলেন অন্যান্য আধিকারিকরাও। দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার জনসংযোগ আধিকারিক বি.বি. রায় এর সাথে ফোনে যোগাযোগ করা হলে, তিনি ফোন ধরেননি। পুরো ঘটনায় ওই কারখানার শ্রমিকদের মধ্যে এখনও পর্যন্ত মিশ্র প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More