মাসুদকে নিয়ে রাষ্ট্রপুঞ্জে সমঝোতার দিকে এগচ্ছি, জানাল চিন

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো : চিনের বাধায় পুলওয়ামা কাণ্ডের মূল চক্রী মৌলানা মাসুদ আজহারকে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদী বলে ঘোষণা করতে পারেনি রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদ। কিন্তু বুধবার চিন থেকে জানিয়ে দেওয়া হল, পাকিস্তানের মদতপুষ্ট ওই সন্ত্রাসবাদীর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপুঞ্জে ‘একটা সমঝোতার’ পথে এগোচ্ছে তারা। তবে আমেরিকাকে সতর্ক করে চিন বলেছে, তারা যদি মনে করে নিজেদের প্রস্তাব আমাদের ওপরে চাপিয়ে দেবে, তার পরিণাম ভালো হবে না।

    পুলওয়ামায় জঙ্গি হানার পরে নিরাপত্তা পরিষদে যখন মাসুদের বিরুদ্ধে প্রস্তাব ওঠে, চিন ‘টেকনিক্যাল কারণের’ অজুহাত দিয়ে তা নাকচ করে দেয়। পরে শোনা যায়, আমেরিকা, ব্রিটেন ও ফ্রান্স বলেছে, চিনকে ২৩ এপ্রিলের মধ্যে সব আপত্তি তুলে নিতে হবে। তারপর ফের মাসুদকে নিয়ে প্রস্তাব আসবে। তার ওপরে ভোটাভুটি হবে ও প্রস্তাব পাশ হবে। কিন্তু চিন দাবি করেছে, তাদের কেউ আপত্তি তুলে নেওয়ার কথা বলেনি। চিনের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র লু কাং জানিয়েছেন, মাসুদকে নিয়ে তাঁদের অবস্থান একই আছে। তাঁরা সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে কথা বলছেন। ব্যাপারটা সমাধানের দিকে এগোচ্ছে।

    এর আগে মাসুদের বিরুদ্ধে প্রস্তাবে ভেটো দেওয়ার জন্য চিনের ওপরে অসন্তুষ্ট হয় আমেরিকা। তারা জানিয়ে দেয়, নিরাপত্তা পরিষদে মাসুদকে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদী বলে ঘোষণা করা যায়নি ঠিকই কিন্তু অন্য উপায়ে তাকে কালো তালিকাভুক্ত করা হবে। তখন ফ্রিজ করে দেওয়া হবে তার সব সম্পত্তি। তার চলাফেরায় নিষেধাজ্ঞা জারি হবে। কেউ তাকে অস্ত্রশস্ত্র বিক্রি করতে পারবে না।

    মাসুদের বিরুদ্ধে নিরাপত্তা পরিষদে প্রস্তাব এনেছিল আমেরিকা, ব্রিটেন ও ফ্রান্স। চিনের বক্তব্য ছিল, ভুল পদ্ধতিতে ওই প্রস্তাব আনা হয়েছে। তা পাশ হলে খারাপ উদাহরণ সৃষ্টি হবে। পর্যবেক্ষকদের ধারণা, পাকিস্তানের পাশে দাঁড়ানোর জন্যই মাসুদের বিরুদ্ধে সব প্রস্তাব নাকচ করে দিচ্ছে চিন। মাসুদের সংগঠন জৈশ ই মহম্মদ পাকিস্তানের মদত পায়। ওই সংগঠনের সদর দফতরও পাকিস্তানেই। মাসুদকে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদী বলে ঘোষণা করলে বিপাকে পড়বে পাকিস্তানও।

    চিন যতই বলুক, মাসুদকে নিয়ে তারা রাষ্ট্রপুঞ্জে একটা সমঝোতায় আসতে চায়, বাস্তবে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে তাদের কোনও কাজ করা সম্ভব বলে পর্যবেক্ষকরা মনে করেন না। চিন ঠিক কী ধরনের সমঝোতার কথা বলতে চাইছে, তা স্পষ্ট নয় অনেকের কাছেই।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More