চাঙ্গা হচ্ছে গাড়ির বাজার, গত বছরের তুলনায় মুনাফা বাড়ল মারুতি সুজুকির

৭০৮

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো : জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরের ত্রৈমাসিকে মারুতি-সুজুকির মোট লাভ হয়েছে ১৩৭১ কোটি ৬০ লক্ষ টাকা। বৃহস্পতিবার এমনই জানিয়েছে ওই সংস্থা। গত বছরের একই ত্রৈমাসিকের তুলনায় এবার তাদের মুনাফা বেড়েছে এক শতাংশ বেশি। ভারতের বৃহত্তম গাড়ি নির্মাতা সংস্থা মারুতি সুজুকি জানিয়েছে, চলতি আর্থিক বছরের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে তাদের মোট লাভ হয়েছে ১৮ হাজার ৭৪৪ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা। গত আর্থিক বছরের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে লাভ হয়েছিল ১৬ হাজার ৯৮৫ কোটি টাকা।

নয়াদিল্লিতে কোম্পানির সদর দফতর থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে বিক্রি হয়েছে ৩ লক্ষ ৯৩ হাজার ১৩০ টি গাড়ি। গতবছর দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকের তুলনায় বিক্রি বেড়েছে ১৬.২ শতাংশ। দেশের অভ্যন্তরে বিক্রি হয়েছে ৩ লক্ষ ৭০ হাজার ৬১৯ টি গাড়ি। কিন্তু বিদেশে মারুতি-সুজুকির গাড়ি বিক্রি কমেছে। দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে রফতানি হয়েছে ২২ হাজার ৫১১ টি গাড়ি।

এর আগে মারুতি সুজুকি জানিয়েছিল, গত অগাস্ট মাসে গাড়ি বিক্রি হয়েছে মোট ১ লক্ষ ১৬ হাজার ৭০৪ টি। ২০১৯ সালের অগাস্টে ওই সংস্থার গাড়ি বিক্রি হয়েছিল ৯৪ হাজার ৭২৮ টি।

অগাস্টে মিনি এবং কমপ্যাক্ট সাব সেগমেন্টের গাড়িই বেশি বিক্রি করেছে মারুতি-সুজুকি। ইউটিলিটি ভেহিকলও ভাল বিক্রি হয়েছে। ইউটিলিটি ভেহিকলের মধ্যে আছে ২০২০ ভিতারা ব্রেজ্জা, নতুন লঞ্চ করা গাড়ি ২০২০ এস-ক্রস, এরতিগা এবং এক্সএলসিক্স। অগাস্টে ইউটিলিটি গাড়ির বিক্রি বেড়েছে ১৩.৫ শতাংশ।

মারুতি-সুজুকি জানিয়েছে অগাস্টে তারা ৭৯২০ টি গাড়ি রফতানি করেছে। ওই সংস্থার রফতানির হার কমেছে ১৫.৩ শতাংশ। দেশীয় বাজারে বিক্রি এবং বিদেশে রফতানি, দু’ইয়ে মিলে মারুতি-সুজুকির বিক্রি গত বছরের অগাস্টের তুলনায় বেড়েছে ১৭.১ শতাংশ।

কোভিড ১৯ অতিমহামারীর ফলে অন্যান্য গাড়ি নির্মাতা সংস্থার মতো কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে মারুতি-সুজুকিও। কিন্তু অগাস্টের বিক্রির পরিমাণ দেখেই পর্যবেক্ষকদের ধারণা হয়, ধীরে ধীরে চাঙ্গা হচ্ছে গাড়ির বাজার।

দেশের মুখ্য অর্থনৈতিক উপদেষ্টা কে ভি সুব্রমনিয়ম আশ্বাস দিয়েছেন, সামগ্রিকভাবে অর্থনীতির বিকাশ তলানিতে পৌঁছানোর পরে ফের ঘুর দাঁড়ানোর সম্ভাবনা দেখা গিয়েছে। রেলে বেড়েছে পণ্য পরিবহণ। বিদ্যুতের ব্যবহারও বেড়েছে।

তাঁর কথায়, “একসময় কঠোরভাবে লকডাউন কার্যকর করা হয়েছিল। আমরা জানতাম বিকাশের হার কমবে। কিন্তু আশার কথা হল, অর্থনীতির ফের ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষণ দেখা দিয়েছে।” এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রেলে কী পরিমাণে পণ্য পরিবহণ করা হচ্ছে, তা থেকে আন্দাজ করা যায় অর্থনীতির হাল কেমন। বর্তমানে রেলে পণ্য পরিবহণের পরিমাণ গত বছর জুলাই মাসের ৯৫ শতাংশ। গত বছর অগাস্টের তুলনায় এবছর অগাস্টের প্রথম ২৬ দিনে পণ্য পরিবহণ হয়েছে ছয় শতাংশ বেশি। বিদ্যুতের চাহিদাও গত বছরের তুলনায় মাত্র ১.৯ শতাংশ কম।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More