বৃহস্পতিবার, জুলাই ১৮

রাখে হরি মারে কে! নায়াগ্রা জলপ্রপাতে তলিয়ে গিয়েও প্রাণে বেঁচে গেলেন যুবক

দ্য ওয়াল ব্যুরো: নায়াগ্রা জলপ্রপাতে তীব্র তোড়ে ভেসে গেছিলেন যুবক। তলিয়ে গিয়েছিলেন ১৮৮ ফুট গভীর খাদে। সকলকে চরম বিস্মিত করে দিয়ে জীবিত অবস্থায় খোঁজ মিলল তাঁর। শুধু জীবিতই নয়, তাঁর শরীরে তেমন কোনও বড় চোট-আঘাতেরও চিহ্ন মেলেনি বলে জানিয়েছে পুলিশ।

গোটা ঘটনায় রীতিমতো স্তম্ভিত কানাডা পুলিশ। তারা জানিয়েছে, যে ভাবে বিশ্বের বৃহত্তম জলপ্রপাতে পড়ে হারিয়ে গিয়েছিলেন ওই যুবক, তাতে তাঁর বেঁচে থাকা দূরের কথা, কোনও খোঁজ মেলারই কথা ছিল না। তার বদলে জলপ্রপাতের নীচে একটি পাথরের উপরে দিব্যি বসে থাকতে দেখা গেল তাঁকে!

পুলিশ জানিয়েছে, মঙ্গলবার ভোর চারটে নাগাদ আচমকাই একটি ‘ডিসট্রেস কল’ আসে তাদের কাছে। জানা যায়, কেউ এক জন নায়াগ্রা ফলসের নীচে, একটি পাথরের উপরে বসে আছেন। তাঁর সাহায্য প্রয়োজন। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে ছুটে যায় পুলিশ। দেখে, একটি মানুষ পাথরে বসে আছে। জানা যায়, নায়াগ্রার ওপরে একটি পাথরের উপর দিয়ে হাঁটতে গিয়ে আচমকা পড়ে যান তিনি।

মূলত তিনটি পাশাপাশি অবস্থিত আলাদ আলাদা জলপ্রপাত নিয়ে নায়াগ্রা জলপ্রপাত গঠিত। এই তিনটি জলপ্রপাতের নাম হর্স্‌ শু ফল্‌স বা কানাডা ফল্‌স, আমেরিকান ফল্‌স এবং ব্রাইডাল ভিল ফল্‌স। নায়াগ্রা জলপ্রপাত যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার সীমান্তবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত। হর্স্‌শু ফল্‌স এর আকার ঘোড়ার খুড়ের মতো। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কারণে পর্যটকদের কাছে এটি একটি আকর্ষণীয় স্থান। এই ফলসটি ১৮৮ ফুট উঁচু।

এই হর্স শু জলপ্রপাতেই ঘটে দুর্ঘটনা। ১৮৮ ফুট নীচে পড়ে যান ওই ব্যক্তি। যেখানে পড়লে প্রাণে বেঁচে যাওয়া কার্যত অসম্ভব।

এক পুলিশ আধিকারিক বলেন, “উনি পড়ে গেছিলেন নাকি আত্মহত্যা করতে গেছিলেন, তা এখনও জানা যায়নি। কিন্তু আমরা এ সব খোঁজ নেওয়ার আগেই হাসপাতালে নিয়ে যায় ওই অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিকে। যদিও খুব বড় কোনও চোট-আঘাত দেখা যায়নি তাঁর শরীরে।”

পুলিশ জানিয়েছে, নায়াগ্রা ফলসে পড়ে গিয়েও জীবিত থাকার ঘটনা ঘটল এই নিয়ে চারটি।

Comments are closed.