শনিবার, সেপ্টেম্বর ২১

ওকে ভাঙড়বাসী ভালবাসে, জিতেই নেত্রীর সহানুভূতি পেলেন আরাবুল

দ্য ওয়াল ব্যুরোপঞ্চায়েত ভোটের তেরাত্তি আগে ভাঙড়ে নির্দল প্রার্থী হাফিজুল ইসলাম খুন হতেই আরাবুল ইসলামকে গ্রেফতার করার নির্দেশ দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সে দিন তিনি বলেছিলেন, হিংসা বরদাস্ত করব না। তা সে নিজের দলের লোক হোক না কেন!

কিন্তু ভোটে জেল থেকে খেল দেখিয়ে ফের দলনেত্রীর সহানুভূতি আদায় করে নিলেন ভাঙড়ে তৃণমূলের ‘তাজা নেতা’ আরাবুল ইসলাম। পঞ্চায়েত ভোটের ফল ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নবান্ন থেকে বেরনোর সময় মুখ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, “আরাবুলকে ভাঙড়ের মানুষ ভালবাসে। তাই জেলে থাকলেও ও জিতেছে, ওর বউ জিতেছে, ওর ছেলে জিতেছে।“ এখানেই থামেননি মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “ভা্ঙড়ে একটা ঘটনা ঘটেছে। তাতে আরাবুলের নাম উঠেছিল, তাই গ্রেফতার করতে বলেছিলাম। কিন্তু আরাবুল ওই ঘটনা ঘটিয়েছে কিনা এখনও প্রমাণ হয়নি। ওখানে তো মাওবাদীরা ঢুকে বসে আছে।”

মুখ্যমন্ত্রী মুখে এ কথা শুনেই এ দিন একই রকম প্রতিক্রিয়া দিয়েছে বাম-বিজেপি কংগ্রেস। বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, “আমি আগেই বলেছি আরাবুলকে গ্রেফতার করা আইওয়াশ মাত্র। বাড়ির পিছনের ঝোপ থেকে আরাবুলকে ধরা হয়েছে শুনেই সেটা বোঝা গেছিল। চিন্তা নেই আরাবুল পুলিশের লক আপ থেকে বেরিয়ে এলো বলে।“ অন্য দিকে, প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী বলেন, “দিদিমণির এ সব খেলা মানুষ আগেই ধরে ফেলেছে। বোম মারুন বলার পরে অনুব্রত মণ্ডলকে যিনি বলতে পারেন ভালো সংগঠক, তিনি সব পারেন।”

অন্যদিকে সিপিএম ও জমি জীবিকা সমিতির নেতারা বলেন, পুলিশের লক আপের নামে আরাবুল ভাঙড় থানায় বসে ভোটের আগের দিন থেকে গুণ্ডা বাহিনীকে পরিচালন করছিল। ভোটের দিন আরাবুলের বাহিনীর তাণ্ডব গোটা দুনিয়া দেখেছে। এটা একেবারেই সরকারের লোক ঠকানো বিদ্যে।

Leave A Reply