Breaking রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য ১৮ শতাংশ ডিএ ঘোষণা মমতার

0 ২৮

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো:  জামাই ষষ্ঠীতে হাফ ছুটি পেয়ে রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা দুপুর ২ টোয় অফিস থেকে বেরিয়ে গিয়েছিলেন। তার পরই মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তাঁদের জন্য ‘খুশির খবর’দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

সম্প্রতি রাজ্য সরকারি কর্মচারী সংগঠনের এক সভায় গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, লোকসভা ভোটের আগেই তাঁদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা তথা ডিএ বাড়িয়ে দেওয়া হবে। মঙ্গলবার সেটাই করলেন মমতা।

অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্রকে পাশে নিয়ে এ দিন নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন, “রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ১৮ শতাংশ ডিএ বাড়ানো হবে। সরকারি স্কুলের শিক্ষক, শিক্ষা কর্মী এবং পঞ্চায়েত-পুরসভার কর্মীরাও এই সুবিধা পাবেন। ১ জানুয়ারি ২০১৯ থেকে তা কার্যকর করা হবে।”

যার মানে এখনই বর্ধিত মহার্ঘ ভাতা পাবেন না কর্মচারীরা। তা হাতে পেতে আরও ৬ মাস। তবে সেটা এখনই জানিয়ে দেওয়া হল।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ মেটানোর ব্যাপারে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। ১৮ শতাংশ ডিএ বাড়ানো ছাড়াও এতোদিন যে ১০ শতাংশ অন্তর্বতী সুরাহা দেওয়া হতো (ইন্টেরিম রিলিফ) তাও এ বার মহার্ঘ ভাতার সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া হল। ১০ শতাংশ অন্তবর্তী সুরাহা মহার্ঘ ভাতার সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়ার অর্থ মোটামুটি ভাবে আরও ৭ শতাংশ ডিএ বেড়ে যাওয়া। অর্থাত ডিএ বাড়ানো হল মোট ২৫ শতাংশ”। তাঁর কথায়, “ এর মানে যে টুকু ডিএ বাকি ছিল টোটালটাই দিয়ে দেওয়া হচ্ছে। মোট কথা রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা ১ জানুয়ারি থেকে ১২৫ শতাংশ ডিএ পাবেন”।

এ ব্যাপারে বাম জমানার প্রসঙ্গও এ দিন আনেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, সিপিএম যখন ক্ষমতায় ছিল তখন মাত্র ৩৫ শতাংশ ডিএ দিতে পেরেছিল। কিন্ত বর্তমান সরকার হাজার হাজার কোটি টাকা ঋণের বোঝা নিয়ে কন্যাশ্রী, যুবশ্রীর মতো প্রকল্প রূপায়ণ করার পরেও ওদের থেকে ৯০ শতাংশ ডিএ বাড়ালো। এটা কম কথা নয়।

প্রশ্ন হল, মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণায় কি রাজ্য সরকারি কর্মচারী সংগঠনগুলি খুশি।

রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের সংগঠন নব পর্যায়ের তরফে অঞ্জন সেনগুপ্ত বলেন, ৬ মাস পর যা কার্যকর করা হবে তা এখন ঘোষণা করা হল! এমন হাস্যকর ঘোষণা আগে কখনও শোনা যায়নি। মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, সমস্ত বকেয়া ডিএ মিটিয়ে দেওয়া হল? কিন্তু জানুয়ারি মাসের মধ্যে কেন্দ্রীয় সরকার তো তাদের কর্মচারীদের জন্য আরও দু কিস্তি ডিএ দেবে। তা ছাড়া ৪২ শতাংশ ডিএ বকেয়া ছিল কর্মীদের। নবান্ন যে হিসাব দিল তা কর্মচারীদের হিসাবের সঙ্গে মিলছে না।

দ্বিতীয়ত, এর পরিষ্কার মানে এই যে ষষ্ঠ বেতন কমিশন আরও অন্ধকারে চলে গেল। যা কর্মচারীদের হতাশা আরও বাড়িয়ে দেবে। বিশেষ করে জানুয়ারি মাসের আগে যাঁরা অবসর নেবেন তাঁরা কোনও সুবিধাই পাবেন না। মোদ্দা কথা হল, এক্কেবারে বোকা বানানো হল কর্মচারীদের।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Leave A Reply

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More