কেন্দ্রের চাপেই অসময়ে মৃত্যু তাপসের, বিস্ফোরক মমতা

“একবছর হয়ে গেল শ্রীকান্তকে আটকে রেখেছে। কী খেলা আমি জানি না। মার্ডার কেসে তো তিনমাসের মধ্যে চার্জশিটে দিতে হয়। এসব কেসে কি চার্জশিট হয়েছে! আমি জানি না!"

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: অভিনেতা তথা প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ তাপস পালের মৃত্যুর দায় সরাসরি বিজেপি ও কেন্দ্রীয় সরকারের ঘাড়ে চাপালেন ম্যুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

    বুধবার সকাল থেকে প্রয়াত অভিনেতা তাপস পালের মরদেহ শায়িত রাখা হয় রবীন্দ্র সদনে। সেখানে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে যান মুখ্যমন্ত্রী। তারপর কেন্দ্রীয় এজেন্সি ও নরেন্দ্র মোদী সরকারের বিরুদ্ধে সরাসরি ক্ষোভ উগরে দেন মমতা। তাঁর কথায়, “কেন্দ্রীয় এজেন্সির চাপে, ক্ষতবিক্ষত হয়ে অকালে মৃত্যু হল তাপসের।”

    আরও পড়ুন: মমতার পাপেই তাপসের মৃত্যু, বিস্ফোরক জবাব দিলীপের

    এদিন মমতা বলেন, “কেন্দ্রীয় সরকারের রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জন্যই অসময়ে চলে যেতে হল তাপসকে। মৃত্যুর আগে জানতেও পারল না অপরাধটা কোথায়!” এদিন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় ও পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে পাশে দাঁড় করিয়ে মমতা আরও বলেন, “একটা এন্টারটেনমেন্ট চ্যানেলে ডিরেক্টর ছিল তাপস। মাইনে পেয়েছিল। তার জন্য তাপসের মতো নাম্বার ওয়ান একজন অভিনেতাকে এক বছর একমাস জেলে রাখা হল।”

    তাপস পাল চিটফান্ড কাণ্ডে অভিযুক্ত ছিলেন, কেন্দ্রীয় এজেন্সি এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের মামলায় ভুবনেশ্বর জেলেও ছিলেন তিনি। এর আগে নারদ কাণ্ডে অভিযুক্ত তৃণমূলের সাংসদ সুলতান আহমেদের মৃত্যু হয়েছিল। তখনও কেন্দ্রীয় এজেন্সির দিকে আঙুল তুলেছিলেন তৃণমূলনেত্রী। এদিন মমতা বলেন, “এই নিয়ে তিনজনের মৃত্যু হল কেন্দ্রের চাপে। এর আগে সুলতান আহমেদ। তাঁকে চিঠি পাঠাল, ফোন করল, তারপর সে বাথরুমে গেল আর মারা গেল।” প্রাক্তন ফুটবলার তথা তৃণমূল সাংসদ প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রীর মৃত্যুও কেন্দ্রীয় এজেন্সির জন্য হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন মুখ্যমন্ত্রী।

    শ্রী ভেঙ্কটেশ ফিল্মসের মালিক শ্রীকান্ত মোহতার কথাও উল্লেখ করেন দিদি। তাঁর কথায়, “একবছর হয়ে গেল শ্রীকান্তকে আটকে রেখেছে। কী খেলা আমি জানি না। মার্ডার কেসে তো তিনমাসের মধ্যে চার্জশিটে দিতে হয়। এসব কেসে কি চার্জশিট হয়েছে! আমি জানি না! আমি খোঁজ নিয়েছি শ্রীকান্তও অসুস্থ। আপনাদের একজন সাংবাদিক বন্ধুও আছেন। তিনিও অসুস্থ। এতদিন পর্যন্ত জেলের মধ্যে বন্দি করে রাখার কী কৌশল?”

    শিল্পীদের উদ্দেশে মমতা বলেন, এ ভাবে যদি কাজ করতে গিয়ে বা ব্র্যান্ড অ্যাম্বাস্যাডর হলে অকালে প্রাণ চলে যাচ্ছে তাহলে কী হবে? আমি শিল্পী, টেকনিশয়ানদের ভাবতে অনুরোধ করব।”

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More