অভিজিতের বাড়িতে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী, তাঁর মাকে গান গেয়ে শোনালেন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার জিতে বাংলার গর্ব বাড়িয়েছেন আরও এক বাঙালি,- অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়। সে খবর নবান্নে পৌঁছনোর পর থেকেই আলোচনা শুরু হয়ে গিয়েছে তাঁকে কী ভাবে সম্বর্ধনা দিতে পারে সরকার। তার পাশাপাশি আজ বুধবার বিকেলে অভিজিতের বালিগঞ্জের বাড়িতে গিয়ে তাঁর মা নির্মলা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

    নোবেল জয়ের জন্য অভিনন্দন, বিজয়ার শুভেচ্ছা বিনিময়, মিষ্টিমুখ, গান, আড্ডা — সেই দৃশ্য ছিল দেখার মতোই। মুখ্যমন্ত্রী আসার খবর পেয়ে প্রতিবেশীদের মধ্যেও কয়েক জন চলে আসেন অ্যাপার্টমেন্টে। তার পর যা হয়। এমন পরিবেশে মুখ্যমন্ত্রীও আদ্যন্ত ঘরোয়া হয়ে যান। এমন ভাবে মিশে যান যে মালুম হয় না সেখানে এই প্রথম গিয়েছেন তিনি। এও ঠাওর করা যায় না, তিনি অতিথি নাকি পরিবারেরই এক জন।

    আরও পড়ুন

    নোবেলজয়ী অভিজিৎকে ‘অভিষেক’ বললেন মমতা, রইল সেই ভিডিও

    মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন স্বরাষ্ট্রসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়, কলকাতার পুলিশ কমিশনার অনুজ শর্মা। এ ছাড়াও ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন। মুখ্যমন্ত্রীর অনুরোধে অভিজিতের মাকে একটি গানও গেয়ে শোনান ইন্দ্রনীল- “প্রাণ ভরিয়ে তৃষা হরিয়ে মোরে আরও আরও দাও প্রাণ।” ইন্দ্রনীলের গান শেষ হতেই সকলে হাততালি দিয়ে ওঠেন।

    পরে অ্যাপার্টমেন্ট থেকে বেরোনোর সময় মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “গরিব মানুষকে নিয়ে আমরাও অনেক কাজ করেছি। স্বাস্থ্য সাথী, কন্যাশ্রী ইত্যাদি। এগুলো সব মানুষকে জানাতে হবে”। এর পরেই পাশে দাঁড়ানো নির্মলা দেবীকে উদ্দেশ করে মমতা বলেন, “মাসিমারও অনেক পরামর্শ রয়েছে। বিশেষ করে কৃষির ব্যাপারে ওনার আগ্রহ রয়েছে। আমি আলাপনকে বলেছি ওনার সঙ্গে সবিস্তারে কথা বলতে। তার পর মাসিমা ও তাঁর টিম যদি আমাদের সাহায্য করতে পারেন তা হলে ভাল কথা।” মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, “অভিজিৎ আমাদের গর্ব। উনি বাংলাকে কী ভাবে সাহায্য করতে পারেন সে ব্যাপারে আমরা কথা বলব। ওনার সুবিধা মতো যদি সময় বের করতে পারেন তা হলে ভাল হয়।”

    অভিজিতের সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যোগাযোগ অনেক আগেই থেকেই রয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আগ্রহেই অভিজিৎকে প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের মেন্টর করা হয়েছিল। তা ছাড়া শিক্ষামন্ত্রীর কথায়, অভিজিৎ কাজ করেছেন ‘পুওর ইকোনমিক্স’ নিয়ে। মানুষের জন্যই তাঁর কাজ। মুখ্যমন্ত্রীও মানুষের জন্যই কাজ করছেন।

    শিক্ষামন্ত্রী আরও ইঙ্গিত দিয়েছেন, শীঘ্র অভিজিতের কলকাতায় আসার সম্ভাবনা রয়েছে। তখন যাতে রাজ্য সরকার তাঁকে সম্বর্ধনা দিতে পারে সে জন্য ইতিমধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে।

    নবান্নের একটি সূত্রের মতে, অভিজিৎকে বঙ্গরত্ন বা শিক্ষারত্ন পুরস্কার দেওয়া হতে পারে। সেই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হতে পারে প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ে। তবে কোনও কিছুই এখনও চূড়ান্ত নয়।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More