কাল প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও কনফারেন্সে থাকবেন না মুখ্যমন্ত্রী, বুধবারই জানিয়ে দিলেন

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: দেশজুড়ে লকডাউন ঘোষণার আগে সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্স একবার দীর্ঘ আলোচনা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। গোটা দেশের পরিস্থিতি বিচার করে ওই কনফারেন্সেই প্রধানমন্ত্রী ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে লক ডাউন ঘোষণা করার পথে হাঁটতে চলেছে কেন্দ্র।
    কাল বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে ফের ভিডিও কনফারেন্সে বসবেন প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু তিনি উপস্থিত থাকতে পারবেন না বলে বুধবারই জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোাধ্যায়।

    কেন?

    বুধবার নবান্নের সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আগের দিন আটটা রাজ্যকে তিন মিনিট করে বলতে দিয়েছিল। সেদিন আমি বাংলার কথা বলেছিলাম। কাল আমাদের বলার কিছু নেই। অন্য ১০টা রাজ্য বলবে। কালকে বাংলা জাস্ট অডিয়েন্স। তাই মুখ্যসচিব থাকবেন। যদি কোনও তথ্য চায় তাহলে উনি দিয়ে দেবেন।” ”
    প্রধানমন্ত্রীর ডাকা বৈঠকে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী যোগ দেবেন না শুনে.অনেকেই রাজনৈতিক বিতর্ক উস্কে দিতে পারেন আন্দাজ করে এদিন মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট বলে দেন, “এটাকে আবার অন্য ভাবে নেবেন না যেন! কাল যখন আমাদের বলারই কিছু নেই তাই ওই সময়টা আমি অন্য কাজ করব।”

    প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রীর ডাকা আগের বৈঠক থেকে বেরিয়ে সংবাদমাধ্যমকে তাঁর প্রতিক্রিয়াও জানিয়েছিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। বলেছিলেন, আমি বলেছি, করোনার বিরুদ্ধে আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে লড়ব এবং জিতবও।
    এ ব্যাপারে লোকসভায় কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী বলেন, “নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে রাজনৈতিক মতান্তর কারও থাকতেই পারে। কিন্তু তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রী। উনি ভিডিও কনফারেন্স ডাকলে সব মুখ্যমন্ত্রীদের থাকা উচিত। এটা বুঝতে হবে যে সংকটের মধ্যে দিয়ে চলেছে দেশ তা থেকে কেউই বিচ্ছিন্ন থাকতে পারবে না। সেই কারণে সব কটি রাষ্ট্র যেমন পরস্পরের সঙ্গে সমন্বয় করে চলছে, জি২০ গোষ্ঠীর রাষ্ট্রনেতারা নিজেদের মধ্যে ভিডিও কনফারেন্সে আলোচনা করছেন, তেমনই দেশে সব রাজ্যগুলির মধ্যে সমন্বয় থাকা জরুরি বলেই আমার মত”।

    আবার টিপ্পনি কাটতে ছাড়েনি বিজেপিও। রাজ্য বিজেপির মুখপাত্র বলেন, “এটাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসনিক মডেল। শুধু নিজেই বলবেন। কারওটা শুনবেন না।” তাঁর কথায়, “আগের দিন তো আটটা রাজ্য বলেছিল। বাকি মুখ্যমন্ত্রীরা শুনেছিলেন। তাঁদের কি কাজ ছিল না? আসলে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী সংসদীয় শিষ্টাচারটাই মানেন না।”

    এদিন দুপুরে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখে বাংলার জন্য ২৫ হাজার কোটি টাকা চেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সাংবাদিক বৈঠকে সেই প্রসঙ্গে বলেন, “আমি চিঠি লিখে টাকা চেয়েছি। কারণ আমাদের ৫০ হাজার কোটি টাকার ধার শোধ করে এত কিছু করতে হয়। পুরো ইকোনমিটাই লকডাউন হয়ে গেছে।”

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More