বেতন দেওয়ার টাকা নেই, মন্ত্রীদের লাক্সারি গাড়ি কেনার খরচ ১ কোটির বেশি

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো : বৃহস্পতিবারই মহারাষ্ট্রের ত্রাণ ও পুনর্বাসন দফতরের মন্ত্রী বিজয় ওয়াদেত্তিয়ার বলেছিলেন, সরকারি কর্মীদের বেতন দেওয়ার জন্য টাকা ধার করতে হবে। কিন্তু শনিবার জানা গেল, রাজ্যের ক্রীড়া ও শিক্ষা দফতরের জন্য ছ’টি লাক্সারি গাড়ি কিনতে দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি গাড়ির দাম ২২ লক্ষ টাকার বেশি। সব মিলিয়ে খরচ হচ্ছে ১ কোটি ৩৭ লক্ষ টাকা। মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে নিজে ওই গাড়িগুলি কেনার প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছেন।

    বিজয় ওয়াদেত্তিয়ার বলেছিলেন, “রাজ্যের পরিস্থিতি এখন এমনই যে, আগামী মাসে সরকারি কর্মীদের বেতন দেওয়ার জন্য আমাদের ঋণ নিতে হবে। তিন-চারটি দফতর বাদে বাকি দফতরগুলিতে খরচও কমানো হবে।”

    রাজ্যের হাতে যথেষ্ট অর্থ না থাকার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারকে দোষ দেন মন্ত্রী। তবে একইসঙ্গে বলেন, কোভিড ১৯-এর মোকাবিলায় রাজ্যে অর্থের অভাব নেই। গত মার্চে রাজ্য সরকার ঘোষণা করে, মন্ত্রী, জনপ্রতিনিধি ও শীর্ষস্থানীয় অফিসাররা বেতনের ৪০ শতাংশ পাবেন। বাকি বেতন তাঁদের দেওয়া হবে দু’টি কিস্তিতে।

    এই পরিস্থিতিতে রাজ্য সরকার যেভাবে লাক্সারি গাড়ির পিছনে এক কোটি টাকার বেশি খরচ করছে, তার সমালোচনা করেছে বিজেপি। দলের নেতা রাম কদম বলেন, “মহারাষ্ট্রে এই সরকার মানুষকে সাহায্য করছে না। তারা পুলিশকে রক্ষা করচ্ছে না। কর্মীদের বেতন দিতে পারছে না। কিন্তু এই সরকারই মন্ত্রীদের জন্য লাক্সারি গাড়ি কিনছে।”

    বিজেপির দাবি, সরকারি কর্মীদের বকেয়া বেতন মিটিয়ে দেওয়া হোক। সাধারণ মানুষকে দেওয়া হোক আর্থিক প্যাকেজ। দেশের বাণিজ্যিক রাজধানী মুম্বইতে লকডাউনের জেরে শিল্প রীতিমতো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী ১২ টি বিদেশি সংস্থার সঙ্গে চুক্তি সই করেছেন। আশা করা হচ্ছে, এর ফলে রাজ্যের অর্থনীতি ফের সচল হয়ে উঠতে পারে।

    করোনা অতিমহামারীতে দেশে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মহারাষ্ট্র। সেখানে আক্রান্ত হয়েছেন ১ লক্ষ ৯৩ হাজার মানুষ। মারা গিয়েছেন ৮৩৭৬ জন। সারা দেশে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা সাড়ে ছয় লক্ষ। মারা গিয়েছেন ১৮ হাজার ৬৫৫ জন।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More