Latest News

বাংলার ঐতিহ্য ও আধ্যাত্মিকতায় নানাভাবে মিশে আছেন জগন্নাথ

শেখ মকবুল ইসলাম

শ্রীচৈতন্যদেব বাঙালির ঘরে ঘরে শ্রীজগন্নাথকে পৌঁছে দিয়েছিলেন। ১৫১০ খ্রিস্টাব্দে তিনি যখন নীলাচলে গমন করেন, তাঁর সঙ্গে বহু ভক্ত পুরী চলে যেতে চেয়েছিলেন। ভাগীরথী নদী ধরে আদিগঙ্গা হয়ে, আটিসারা ছত্রভোগ হয়ে, তিনি নীলাচলে গিয়েছিলেন। তাঁকে নদী পার করে দিয়েছিলেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার রামচন্দ্র খান। তাঁর সঙ্গে পুরী গমনেচ্ছু ভক্তদের তিনি ঘরে জগন্নাথ সেবার পরামর্শ দেন। পরবর্তীকালে শ্রীচৈতন্যদেব বলেন, যিনি কৃষ্ণ তিনিই জগন্নাথ। শ্রীকৃষ্ণ এবং শ্রীজগন্নাথ অভিন্ন।

পুরীতে পৌঁছে শ্রীচৈতন্যদেব শ্রীজগন্নাথের বিগ্রহের মধ্যে মুরলীধর শ্রীকৃষ্ণকে দেখেন। কৃষ্ণ-জগন্নাথ একীভূত হয়ে যাওয়ার কারণে গৌড়ীয় বৈষ্ণবরা শ্রীজগন্নাথের আরাধনা শুরু করেন। শ্রীচৈতন্যদেব পুরীতে অবস্থানের কারণে বাংলার সঙ্গে পুরীর ধর্মীয় সাংস্কৃতিক সম্পর্কসূত্র বৃদ্ধি পায়।

শ্রীচৈতন্যদেব ইচ্ছে করলে বৃন্দাবন বা মথুরা বা ভারতবর্ষের অন্য যে কোনও তীর্থস্থানে থাকতে পারতেন। কিন্তু তিনি পুরীকে বেছে নিয়েছিলেন। এর অনেকগুলি কারণ ছিল। মায়ের আদেশ শিরোধার্য করে তিনি পুরীতে ছিলেন। সংস্কৃত ভাষাকে কেন্দ্র করে সনাতন শাস্ত্র চর্চার ধারাটি পুরীতে খুব শক্তিশালী ছিল। পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের আনন্দবাজার ছিল জাতিবিচার বিমুক্ত এক স্বতন্ত্র পরিসর। এখানে ব্রাহ্মণ, চণ্ডালের কোনও ভেদ ছিল না। তিনি হরিভক্ত চণ্ডাল এবং ব্রাহ্মণের মধ্যে কোন ভেদরেখা দেখতে চান নি। এরকম একটি উদাহরণ যে চৈতন্যদেবকে প্রভাবিত করবে এ বিষয়ে আর সন্দেহ কী?

পুরীর জগন্নাথ মন্দির এবং চৈতন্যদেব বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা না করলেও চলবে। এসব কথা সবার জানা। যে কথাটি বলা দরকার তা হল, শ্রীচৈতন্যদেবের পূর্বেই বঙ্গদেশে জগন্নাথ চেতনা প্রবেশ করেছিল। মাহেশের জগন্নাথ মন্দিরের কিংবদন্তি অনুসারে শ্রীজগন্নাথ চেতনা চৈতন্যদেবের পূর্বেই মাহেসে উপস্থিত হয়। বাংলাদেশের পাবনা জেলার হান্ডিয়ালে যে নীলমাধবের মন্দির আছে, সেটাও চৈতন্যদেবের আগেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

বাংলা সাহিত্যের আদি মধ্যযুগের অন্যতম লিখিত নিদর্শন শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যে শ্রী জগন্নাথ চেতনার সুস্পষ্ট প্রমাণ আছে। এই কাব্যে অন্তত ১৪ বার জগন্নাথ শব্দটি উল্লেখ আছে এবং এই জগন্নাথই যে নারায়ণ সে কথা স্পষ্টভাবে সূচিত করা হয়েছে। বলা যেতে পারে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যে জগন্নাথের প্রসঙ্গ খুব সুগঠিত ভাবে উল্লেখিত হয়েছে।


সাহিত্য ছাড়া যদি মন্দিরের কথা বিচার করা হয় তাহলে দেখা যাবে ১৩৪০ খ্রিস্টাব্দে বাঁকুড়ার তুঙ্গভূমে একটি জগন্নাথ মন্দির প্রতিষ্ঠা হয়েছিল। এই মন্দিরকেই বাংলার আদি জগন্নাথ মন্দির হিসেবে গ্রহণ করা হয়। এরপরে ১৪৫০ খ্রিস্টাব্দে বিষ্ণুপুরের নিকটবর্তী শ্যামকুণ্ড গ্রামে আরও একটি জগন্নাথ মন্দির তৈরি করা হয়। এই দুটি মন্দিরের কোনোটিই আজকে নেই। পূর্ববর্তী গবেষকরা এই মন্দির দুটির বিষয়ে আমাদের সূচনা দিয়েছেন।

এইসব উদাহরণ থেকে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যায় যে, চৈতন্যদেবের আবির্ভাবের অনেক আগেই বাংলা ভূমিতে জগন্নাথ চেতনার প্রবেশ ঘটেছে।

তবে তা ব্যাপক প্রচার প্রসার লাভ করেনি। শ্রীচৈতন্যদেবের পরবর্তীকালে শ্রীজগন্নাথ বিষয়ে কৃষ্ণ-জগন্নাথ ভাবনা নির্মাণের ফলে, বাংলার গণমানুষের মধ্যে জগন্নাথ চেতনার প্রচার প্রসার ঘটে।

এই প্রসঙ্গে রাজনৈতিক শর্তের দিকটিও মনে রাখতে হবে। সুলতানি আমলে এবং ব্রিটিশ আমলে সুবে-বাংলার রাজধানী ছিল যথাক্রমে ঢাকা, মুর্শিদাবাদ এবং কলকাতা। রাজকার্য এবং প্রশাসন কার্য পরিচালনা করার জন্য উড়িষ্যার মানুষকে এই তিনটি অঞ্চলে আসতে হত। ফলে বাংলার সঙ্গে ওড়িশার ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল।


এইসব অঞ্চল এবং তার আশেপাশে জগন্নাথ চেতনার প্রসার ঘটেছে মূলত গৌড়ীয় বৈষ্ণবের মাধ্যমে।

বাংলা থেকে বহুদূরে সুদূর মণিপুরে গৌড়ীয় বৈষ্ণব ধর্মের প্রচার হয়েছিল। উড়িষ্যার রায় বনমালী মনিপুরের রাজপরিবারকে বৈষ্ণব মন্ত্রে দীক্ষিত করেছিলেন। পরবর্তীকালে গৌড়ীয় বৈষ্ণব গান মূলত নবদ্বীপ-শান্তিপুরের বৈষ্ণবগণ মনিপুরী সর্ব সাধারণের মধ্যে গৌড়ীয় বৈষ্ণব ধর্মের প্রসার ঘটান। ১৭১৫ খ্রিস্টাব্দে কাছাড় থেকে ৩৯ জন বৈরাগী মণিপুরে গিয়েছিলেন। এ তথ্য মনিপুরের রয়েল ক্রনিকল থেকে জানা যায়। ১৭১৫ খ্রিস্টাব্দে মনিপুরের রাজা গরীব নেওয়াজ বৈষ্ণব গোপাল গুরুর কাছ থেকে দীক্ষা গ্রহণ করেন। সেই সূত্রেই রাধামাধব শ্রীজগন্নাথ মণিপুরে পূজিত হতে থাকেন। শ্রীচৈতন্য দেবের বিগ্রহ, নিত্যানন্দের বিগ্রহ বা অদ্বৈতাচার্যর বিগ্রহ মনিপুরে আজও পূজিত হয়। বাঙালির জগন্নাথ চেতনার কথা বলতে গেলে মনিপুরের কথা উল্লেখ করা দরকার।


উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রসঙ্গ যখন উঠল, তখন একথাও বলা দরকার যে অসম, ত্রিপুরা বা মেঘালয়ের মত রাজ্যেও বহু বাঙালি গুরু আচার্য জগন্নাথ সেবা পূজার পত্তন করেছেন। গৌড়ীয় মঠ, ইসকনের মত প্রতিষ্ঠান, একাধিক রাজ্যে শ্রীজগন্নাথের প্রচার করে চলেছে।

এসব বিষয়ে নির্দিষ্ট কেস স্টাডি উল্লেখ করে গেলে এক দীর্ঘ তালিকা তৈরি হবে।

এবার একটু অন্য প্রসঙ্গে আসি। ১৮৮১ খ্রিস্টাব্দে লালন ফকির জগন্নাথপুরী গিয়েছিলেন। এরপরে লালন ফকির শ্রীজগন্নাথকে নিয়ে নিয়েএকটি বিখ্যাত পদ রচনা করেছিলেন – “একবার জগন্নাথ দেখরে যেয়ে জাত কেমন রাখিস বাঁচিয়ে”।

লালন ফকির মানবতার সাধক। শ্রীচৈতন্যদেবের মত তিনিও মানুষে-মানুষে ভেদ করতেন না। পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের আনন্দবাজারের ভেদহীনতার বাস্তব দৃষ্টান্ত লালন ফকিরের মনকে স্পর্শ করে থাকবে। লালন ফকিরের পুরী যাওয়ার আরও একটি কারণ উল্লেখ করা দরকার।

পুরীর পঞ্চসখা বৈষ্ণবরা বাংলার বাউলদের মত পিণ্ড-ব্রহ্মাণ্ড ভাবনায় বিশ্বাস করতেন। যা আছে দেহ পিণ্ডএ, আছে ব্রহ্মাণ্ডে। পিণ্ড-ব্রহ্মাণ্ডপন্থী কোন সাধু বা সম্প্রদায়ের সঙ্গে মত বিনিময়ের জন্য লালন ফকির পুরী গিয়ে থাকবেন বলে অনুমান করা যায়। তবে এই বিষয়ে লিখিত ইতিহাস কিছু নেই।

লালন ফকিরের পর একাধিক বাউল মরমিয়া সাধকদের পদে জগন্নাথ চেতনার প্রমাণ মেলে। বাংলা সাহিত্যে বিশেষত বাউল গানে জগন্নাথ চেতনা প্রকাশ গবেষকরা লক্ষ্য করেছেন।
খোদাবক্স শাহ, পাঞ্জু শাহ, পীর একরামদের বাউল পদাবলীতে শ্রীজগন্নাথের প্রসঙ্গ উঠে এসেছে।


বাংলা ভাষায় বৌদ্ধ সাহিত্য (চর্যাপদ), শাক্ত সাহিত্য , বৈষ্ণব সাহিত্য ইত্যাদি বিষয়ে গবেষণা হলেও, বাংলার “জগন্নাথ সাহিত্য” নিয়ে গবেষণার কাজ বিগত দশকে শুরু হয়েছে।

বাংলা পুথির ভাণ্ডারে জগন্নাথের বন্দনা, জগন্নাথের স্তুতি, জগন্নাথমঙ্গল অনেকগুলি পাওয়া যাবে। বিশ্বম্ভর দাস কিংবা গদাধর দাসের কথা এই প্রসঙ্গে উল্লেখযোগ্য। সুকুমার মাইতি কিংবা শ্যামল বেরার মত গবেষক এইসব পুঁথি সংগ্রহ করেছেন। এ বিষয়ে কাজও করেছেন।

দয়ারামের জগন্নাথ বন্দনা কিংবা কৃষ্ণধন দাস মহাপাত্রর জগন্নাথ বন্দনার কথা এই প্রসঙ্গে উল্লেখ করা যেতে পারে।

শ্রীজগন্নাথ নিয়ে অনেকেই গান লিখেছেন। শ্রী শ্রী ঠাকুর ওঙ্কারনাথের শিষ্য যোগমায়া-মা অনেকগুলি গান লিখেছিলেন। চুঁচুড়ার কনকশালীতে তাঁর বাসভবনে গিয়ে অনেকগুলি গান শুনে এসেছিলাম। শ্রীজগন্নাথ প্রোজেক্টের স্কলার দেবশ্রী পালিত গানগুলি সংগ্রহ করেছিলেন।

এক কালে বাংলার জগন্নাথ সাহিত্য যাঁরা লিখেছেন, তাঁদের মধ্যে নবদ্বীপের কিশোর রায় গোস্বামীর কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করতে হয়। তাঁর লেখা ভক্তিপুষ্পাঞ্জলি, ভক্তিকুসুমপরাগ এবং ভক্তিকাব্যমঞ্জুষা গ্রন্থগুলির কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করতে হয়। এইসব গ্রন্থে জগন্নাথ বিষয়ে আকর্ষণীয় রচনা আছে। নবদ্বীপে গিয়ে কিশোর রায় গোস্বামীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করার সুযোগ আমার ঘটেছিল। নবদ্বীপের ড. শিহরণ চক্রবর্তী আমাকে তাঁর কাছে নিয়ে গিয়েছিলেন।

বাঙালি ও শ্রীজগন্নাথ আরাধনার কথা বলতে গেলে আন্দামান-নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের কথা বলতে হয়। দেশ ভাগ হওয়ার পর নানা সামাজিক রাজনৈতিক উত্থান পতনের কারণে শরণার্থী সমস্যা সৃষ্টি হয়। পূর্ব পাকিস্তান থেকে আগত শরণার্থীদের অনেককেই আন্দামান দ্বীপপুঞ্জের নানা স্থানে পুনর্বাসন দেওয়া হয়েছিল। এরা পোর্টব্লেয়ারসহ অন্যান্য দ্বীপে পুনর্বাসন প্রাপ্ত হয়েছেন। দক্ষিণ আন্দামান, নীল আইল্যান্ড অথবা হ্যাভলক দ্বীপ ছাড়াও অন্যান্য দ্বীপে পুনর্বাসন প্রাপ্ত বাঙালিরা আছেন। আন্দামানের বাঙালিদের সংস্কৃতি নিয়ে কাজ করেছেন জ্যোতির্ময় রায় চৌধুরী। তাঁর গবেষনার বিষয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য মিলবে।

আন্দামানের পোর্ট ব্লেয়ার শহরে রাজস্থান মঞ্চ মন্দিরে জগন্নাথের আরাধনা করা হয়। তবে এর উদ্যোক্তা মূলত ওড়িয়া সমাজ। এছাড়া আন্দামানের রবীন্দ্রনগর, বিবেকানন্দ নগর এবং নেতাজিনগরে শ্রী জগন্নাথের যে সেবা পূজা ও রথযাত্রা হয়, সেটির উদ্যোক্তা মূলত বাঙালিরা। লিটল আন্দামানে সুফল বাওয়ালীর বাড়িতে থেকে কাজ করার সুযোগ হয়েছিল। উত্তর আন্দামানের দিগ্লিপুর, মধ্য আন্দামানের কদমতলা, নিম্বুতলা, বিল্লিগ্রাউন্ড (হরিনগর ) বা রংগতের রথযাত্রার মূল উদ্যোক্তা বাঙালিরাই। উত্তর-মধ্য আন্দামানে আমার গবেষণার সহায়তা করেছে প্রদীপ ঢালী। আন্দামানের বাঙ্গালীদের কথা আমরা মূল ভূখণ্ডের বাঙালিরা খুব স্পষ্টভাবে জানিনা।

কলকাতার সেন্ট পলস ক্যাথিড্রাল মিশন কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে শ্রী জগন্নাথ রিসার্চ সেন্টার (২০০৯), ইউনিভার্সিটি গ্রান্টস কমিশন-এর সহায়তায়। এই কলেজ থেকেই সম্পন্ন হয়েছে শ্রীজগন্নাথ বিষয়ক দুটি বৃহত্তর গবেষণা প্রকল্প। একটি প্রকল্পের কাজ আন্তর্জাতিক পরিসরে হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ, বাংলাদেশ ও নেপালের শ্রীজগন্নাথ নিয়ে কাজ হয়েছে প্রথম প্রকল্পে (২০০৯-২০১১)। দ্বিতীয় প্রকল্পটিতে উত্তর-পূর্ব ভারতের জগন্নাথ বিষয়ে গবেষণা সম্পন্ন হয় (২০১৫-২০১৮)। মূলত অসম, ত্রিপুরা, মনিপুর, মেঘালয় নাগাল্যান্ড অঞ্চলে কাজ হয়েছে। এই সূত্রেই মিয়ানমারের তথা ব্রহ্মদেশের একটি জগন্নাথ মন্দির নিয়ে কাজ করা সম্ভব হয়েছে।

শ্রী জগন্নাথ রিসার্চ সেন্টার থেকে বাংলা, বাঙালি সমাজ ও জগন্নাথ বিষয়ে একাধিক গবেষণার কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং এই কেন্দ্রের গবেষণার উপরে নির্ভর করে বহু প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। প্রবন্ধের পাশাপাশি প্রকাশিত হয়েছে সাত-আটটি জগন্নাথ বিষয়ক গ্রন্থ। এরমধ্যে নেপালের জগন্নাথ, বাংলাদেশের জগন্নাথ, আন্দামানের জগন্নাথ, বাংলার জগন্নাথ সাহিত্য, শ্রীজগন্নাথ ভাব শাস্ত্র তত্ত্ব, শ্রীজগন্নাথ বাঙালি মানুষ ও লোকায়ত জীবন- ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। আমাদের এই পশ্চিমবঙ্গেই শ্রীজগন্নাথের নামে নামাঙ্কিত একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান রয়েছে, এ তথ্য অনেকের কাছেই অজানা।

আগামী দিনে আরও গুরুত্বপূর্ণ ও দায়িত্বপূর্ণ গবেষণা উপহার দেওয়ার জন্য এই গবেষণা প্রতিষ্ঠান অক্লান্ত ভাবে পরিশ্রম করে চলেছে। শ্রী জগন্নাথ বিষয়ক গবেষণা আসলে একটি বিরাট কাজ। এই গবেষণার কাজ গত এক দশক ধরে বিধিবদ্ধ। অনেক কাজ এখনও বাকি। এখানে কিছু পরিবেশন করা হল।

লেখক কলকাতার সেন্ট পলস ক্যাথিড্রাল মিশন কলেজের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক এবং শ্রীজগন্নাথ রিসার্চ সেন্টারের অধিকর্তা। ১৯৯২ সাল থেকে তিনি শ্রীজগন্নাথ বিষয়ে গবেষণার কাজ করে চলেছেন। বাংলা ওড়িশা সাংস্কৃতিক সম্পর্ক এবং শ্রীজগন্নাথ বিষয়ে গবেষণার জন্য ওড়িশার উৎকল ইউনিভার্সিটির থেকে লাভ করেছেন ‘ডিলিট উপাধি’। পেয়েছেন শ্রীজগন্নাথ গবেষণার সর্বোচ্চ সম্মান “নবকলেবর অ্যাওয়ার্ড- ২০১৫”।

You might also like