Latest News

আলেকজান্ডারের শহরে পাওয়া গিয়েছিল অশোকের শিলালিপি!

Greek edicts of Ashoka found in the city of Alexander

Greek edicts of Ashoka

রূপাঞ্জন গোস্বামী

আফগানিস্তানের দক্ষিণে বইছে খরস্রোতা নদী ‘আরঘানদাব’। নদীর তীরে অবস্থিত ঐতিহাসিক শহর কান্দাহার। নাম শুনলেই জল হয়ে যায় বুকের রক্ত। এই সেই কান্দাহার, যে শহরকে কেন্দ্র করে ১৯৯৪ সালে গড়ে উঠেছিল মোল্লা ওমরের সামরিক সংগঠন তালিবান। তাই বিশ্বের কাছে কান্দাহার আজও পরিচিত তালিবানদের দুর্ভেদ্য দুর্গ হিসাবে।

এই সেই কান্দাহার, ১৯৯৯ সালে পাক সন্ত্রাসবাদীরা যেখানে নিয়ে এসেছিল ছিনতাই করা ইন্ডিয়ান এয়ারলাইন্সের বিমান। ভারতের কারাগারে বন্দি তিন পাকিস্তানি জঙ্গি নেতার মুক্তির বিনিময়ে মুক্তি পেয়েছিলেন অপহৃত যাত্রীরা। কিন্তু তার আগে কান্দাহার বিমানবন্দরে সন্ত্রাসবাদীদের ছুরিতে অকালে ঝরে গিয়েছিল সদ্য বিবাহিত ভারতীয় যুবক রুপিন কাটিয়ালের প্রাণ।

কান্দাহার

কিন্তু পুরাণ ও ইতিহাস চেনায় এক অন্য কান্দাহারকে

প্রাচীনকালে কান্দাহার ছিল পেশোয়ার ও সোয়াত উপত্যকাকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা সুবিশাল গান্ধার রাজ্যের অন্তর্গত। রাজ্যটি পূর্বে সিন্ধু নদ ও পোটোহার মালভূমির তক্ষশীলা, পশ্চিমে কাবুল উপত্যকা ও উত্তরে কারাকোরাম পর্বতমালা পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। অর্থাৎ উত্তর পাকিস্তান ও পূর্ব আফগানিস্তান জুড়ে ছিল এই গান্ধার রাজ্যের বিস্তৃতি।

বর্তমান কান্দাহারের পশ্চিম দিকে ছিল প্রাচীন কান্দাহার শহর। যাকে স্থানীয়রা বলেন ‘জোর শার’। বিশ্ববিজয়ের পথে ম্যাসিডনিয়ার সম্রাট আলেকজান্ডার, এখানেই গড়ে তুলেছিলেন অত্যাধুনিক শহর ‘আলেকজান্দ্রিয়া আরাকোসিয়া’

দুর্ভেদ্য ‘চিল জেনা’ পর্বতের পাদদেশে, পারস্যের আচামেনিড সাম্রাজ্যের সময় গড়া দুর্গের ধ্বংসস্তুপের ওপর, ৩৩০ খ্রিস্ট পূর্বাব্দে নির্মিত হয়েছিল এই নয়নাভিরাম শহর। এরপর এই শহরকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল শক্তিশালী গ্রিক রাজ্য ‘আরাকোসিয়া’। শহরটি পরবর্তীকালে চলে গিয়েছিল মৌর্য , ইন্দো-স্কাইথিয়ান, সাসানিদ, আরব, জুনবিল, সাফারিদ, গজনভী, ঘোরি, তিমুরিদ, মুঘল, সাফিভিদ সম্রাটদের দখলে।

কান্দাহারের এই অংশে আলেকজান্ডার গড়ে তুলেছিলেন আলেকজান্দ্রিয়া আরাকোসিয়া

ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল আলেকজান্দ্রিয়া আরাকোসিয়া

খিলজি পাশতুন সেনাপতি মিরওয়াইস হটাক, ১৭০৯ খ্রিস্টাব্দে দখল করে নিয়েছিলেন আরাকোসিয়া রাজ্য। আলেকজান্দ্রিয়া আরাকোসিয়া  হয়েছিল হটাক রাজত্বের রাজধানী। তবে বেশি দিন স্থায়ী হয়নি এই রাজত্ব।

শেষ হটাক সুলতান, শাহ হুসেন হটাককে হারিয়ে, ১৭৩৮ খ্রিস্টাব্দে আলেকজান্দ্রিয়া আরাকোসিয়া  দখল করে নিয়েছিলেন পারস্যের আফশারিদ সম্রাট নাদির শাহ। নির্মমভাবে ধ্বংস করে দিয়েছিলেন আলেকজান্দ্রিয়া  আরাকোসিয়া  শহরটিকে।ধ্বংসস্তুপের নীচে চাপা পড়ে গিয়েছিল আলেকজান্ডারের সাধের শহর আলেকজান্দ্রিয়া  আরাকোসিয়া

ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল আলেকজান্দ্রিয়া  আরাকোসিয়া

আলেকজান্ডারের শহরে অশোকের শিলালিপি!

ইতালিয় প্রত্নতাত্ত্বিক উমবার্তো স্কিরাতো, ১৯৫৮ সালে এসেছিলেন কান্দাহারে। শহরের পশ্চিমে থাকা আলেকজান্দ্রিয়া আরাকোসিয়ার ধ্বংসস্তুপ ও আশপাশে চালিয়েছিলেন অনুসন্ধান। ‘চিল জেনা’ পর্বতের কাছে অনুসন্ধান চালানোর সময়, প্রত্নতাত্ত্বিক উমবার্তো খুঁজে পেয়েছিলেন পাথরের একটি ফলক। ধ্বংসস্তুপের তিনফুট নীচে চাপা পড়েছিল ২২ ইঞ্চি × ১৯.৫ ইঞ্চি মাপের সেই ফলকটি।

চুনাপাথরের ফলকটিকে নিয়ে শুরু হয়েছিল গবেষণা। ফলকটির গায়ে খোদাই করা লিপির মর্মোদ্ধার করার পর চমকে উঠেছিলেন গবেষকেরা। জানা গিয়েছিল, ২৬০ খ্রিস্ট পূর্বাব্দে আলেকজান্ডারের গড়া শহরে ফলকটি স্থাপন করেছিলেন মহাপরাক্রমশালী মৌর্য সম্রাট ‘অশোক’। যিনি ২৬৮ খ্রিস্ট পূর্বাব্দ থেকে ২৩২ খ্রিস্ট পূর্বাব্দ পর্যন্ত ছিলেন প্রবল প্রতাপশালী মৌর্য সাম্রাজ্যের অধীশ্বর। যাঁর রাজধানী ছিল পাটলিপুত্র।

মৌর্য সম্রাট ‘অশোক’

তাই মনে প্রশ্ন জাগতে পারে, রাজধানী থেকে এত দূরে থাকা গ্রিক শহরে কেন ফলকটি স্থাপন করেছিলেন অশোক! এর কারণ হল, গ্রিকদের পর ‘আরাকোসিয়া’ রাজ্যটি চলে গিয়েছিল মৌর্য সম্রাটদের দখলে। মৌর্য সম্রাট অশোক তাঁর শাসনকালে আলেকজান্দ্রিয়া আরাকোসিয়া শহরের কোনও এক সুরম্য প্রাসাদের দেওয়ালে স্থাপন করেছিলেন ফলকটি। যে ফলকে খোদাই করা ছিল অশোকের প্রধান ১৪টি অনুশাসনের চতুর্থ অনুশাসনটি।

আরও পড়ুন: পাঁচ হাজার তিনশো বছর আগে খুন হয়েছিল ‘ওটজ়ি’, শেষ মুহূর্তটি ছিল ভয়াবহ

অনুশাসনটির মর্মোদ্ধার করতে বিস্মিত হয়েছিলেন ভাষাতত্ত্ববিদেরাও। কারণ ফলকে থাকা অশোকের অনুশাসনটি খোদাই করা হয়েছিল গ্রিক ও আরামাইক ভাষায়। প্রাচীন ইরান ও সিরিয়ায় বসবাসকারী আর্মেনিয়ার অধিবাসীরা ব্যবহার করত এই আরামাইক ভাষা। এরপর ভাষাতত্ত্ববিদদের মনে প্রশ্ন জেগেছিল, অশোকের অন্যান্য শিলালিপির মত এক্ষেত্রে কেন ব্যবহার করা হয়নি মাগধী প্রাকৃত বা ব্রাহ্মী ভাষা। সে প্রশ্নের উত্তর তাঁরা পরে খুঁজে পেয়েছিলেন, কিন্তু তার আগেই বিশ্বের প্রত্নতাত্ত্বিকদের কাছে ফলকটি বিখ্যাত হয়ে গিয়েছিল “Kandahar Bilingual Rock Inscription” নামে।

এই ‘চিল জেনা’ পর্বতে পাওয়া গিয়েছিল অশোকের শিলালিপিটি

কী লেখা ছিল ফলকটিতে!

ফলকটি স্থাপনের এক বছর আগে, ২৬১ খ্রিস্ট পূর্বাব্দে হয়েছিল কলিঙ্গ যুদ্ধ। লক্ষ লক্ষ মানুষের রক্তে স্নান করার পর সম্রাট অশোকের হয়েছিল তীব্র অনুশোচনা। নিদারুণ মর্মবেদনার হাত থেকে বাঁচতে তিনি বৌদ্ধ ধর্মে দীক্ষিত হয়েছিলেন। নিয়েছিলেন ভগবান বুদ্ধের শান্তির বাণী সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে দেওয়ার শপথ।

সম্রাট অশোক, মৌর্য সাম্রাজ্যের সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে স্থাপন করেছিলেন অনুশাসন সম্বলিত ফলক ও স্তম্ভ। সাম্রাজ্যের সর্ব পশ্চিম সীমান্তে ছিল আলেকজান্দ্রিয়া আরাকোসিয়া। তাই সেখানে পাওয়া গিয়েছিল সম্রাটের অশোকের স্থাপন করা অনুশাসন সম্বলিত ফলক। যাঁকে  গ্রিকরা চিনত ‘পিয়োডাসেস’ নামে।

ফলকটিতে গ্রিক ও আরামাইক ভাষায় লেখা ছিল, রাজত্বের অষ্টম বৎসর পূর্ণ হওয়ার পর আমাদের প্রভু পিয়োডাসেস হয়েছেন সত্যের সন্ধানী। তাই শয়তান অন্তর্হিত হয়েছে সমস্ত মানুষের অন্তর থেকে। পৃথিবীতে দেখা দিয়েছে আনন্দ ও শান্তি। তিনি তাঁর রাজত্বের অধিবাসীদের ধার্মিক হওয়ার নির্দেশ দিচ্ছেন। এর ফলে কল্যাণ হবে সমগ্র পৃথিবীর। জীব হত্যা থেকে বিরত হয়েছেন রাজা। শিকারি ও মৎস্যজীবীরাও জীব হত্যা পরিহার করেছে। অসংযমীরা হয়েছে সংযমী।  অনুগত হয়েছে পিতামাতা ও গুরুজনদের। এখন থেকে প্রতিনিয়ত সেভাবেই তাদের চলতে হবে। আরও ভালোভাবে ও অনেক বেশি সুখ নিয়ে তারা বাঁচবে।”

Alexandria Arachosia
ফলকের গায়ে গ্রিক ও আরামাইক ভাষায় খোদাই করা অশোকের অনুশাসন

১৯৬৩ সালে পাওয়া গিয়েছিল দ্বিতীয় ফলক

প্রথম শিলালিপিটি যেখানে পাওয়া গিয়েছিল, তার ঠিক দেড় কিলোমিটার দক্ষিণে পাওয়া গিয়েছিল আর একটি শিলালিপি। ১৯৬৩ সালে সেটি খুঁজে পেয়েছিলেন এক ফরাসি প্রত্নতাত্ত্বিক। তবে তাঁর কাছ থেকে সম্ভবত চুরি হয়ে গিয়েছিল বেলেপাথরের শিলালিপিটি। পরে কান্দাহারের বাজার থেকে শিলালিপিটি কিনে নিয়েছিলেন জার্মান চিকিৎসক সেইরিং। তুলে দিয়েছিলেন কাবুল মিউজিয়ামের হাতে।

গবেষণার পর জানা গিয়েছিল, সম্রাট অশোক দ্বিতীয় ফলকটি স্থাপন করেছিলেন ২৫৮ খ্রিস্ট পূর্বাব্দে। ১৭ ইঞ্চি × ২৭ ইঞ্চি মাপের ফলকটিতে পাওয়া গিয়েছিল সম্রাট অশোকের ১২তম ও ১৩তম অনুশাসনের অসম্পূর্ণ অংশ। আলঙ্কারিক গ্রীক ভাষায় খোদাই করা ছিল অনুশাসন দুটি। তাই ফলকটি পরিচিত হয়েছিল “Kandahar Greek Edicts of Ashoka” নামে। তবে গবেষকদের অনুমান, ফলকটি ছিল আরও বড়। বেশি লাভের আশায় খণ্ড খণ্ড করে ফলকটি বিক্রি করে দিয়েছিল চোরেরা।

আলেকজান্দ্রিয়া আরাকোসিয়ার এই দুর্গ থেকে পাওয়া গিয়েছিল অশোকের দ্বিতীয় শিলালিপিটি

১২ তম অনুশাসনের শেষে লেখা ছিল

“… সমস্ত মতাদর্শের মধ্যে শ্রেষ্ঠ হল ধার্মিকতা ও নিজের ওপর কর্তৃত্ব। যিনি তাঁর জিহবার প্রভু, তিনি নিজেরও প্রভু। তাঁরা নিজের প্রশংসা চান না। প্রতিবেশীদের অপমান করেন না। তাই তাঁরা প্রতিবেশীদের মন জয় করেন। যাঁরা এই নীতি লঙ্ঘন করেন, নিজেদের প্রশংসা করেন, প্রতিবেশীদের অপমান করেন তাঁরা স্বার্থান্বেষী। নিজেদের মহিমান্বিত করতে গিয়ে নিজেরাই নিজেদের শিকার করেন। কিন্তু এই অনুশাসন অপরকে সম্মান জানাতে শেখায়, অপরের থেকে শিক্ষা নিতে শেখায়, অন্তর্দৃষ্টিসম্পন্ন হতে শেখায়…।”

১৩ তম অনুশাসনের শুরুতে লেখা ছিল,

” শাসনের অষ্টম বর্ষে পিয়োডাসেস জয় করেছিলেন কলিঙ্গ। দেড় লক্ষ মানুষকে বন্দি ও বহিষ্কার করা হয়েছিল। হত্যা করা হয়েছিল এক লক্ষ মানুষকে। অন্যভাবে প্রাণ হারিয়েছিল সমসংখ্যক মানুষ। আত্মগ্লানিতে জীর্ণ হয়ে (অশোক) ডুবে গিয়েছেন ভক্তি ও দয়ার সাগরে। নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছেন ধর্ম প্রচারের কাজে। জীব হত্যা থেকে বিরত থাকার আদেশ দিচ্ছেন। তাঁর রাজত্বে থাকতে গেলে পিতা মাতা, শিক্ষক ও গুরুজনদের শ্রদ্ধা করতে হবে। বন্ধু ও সঙ্গীদের সাথে মিশতে হবে বিশ্বাস, ভরসা ও ভালোবাসার সাথে। ক্রীতদাস ও নির্ভরশীলদের সাথে সবসময় ভালো ব্যবহার করতে হবে।”

কেন গ্রীক ও আরমেইক ভাষায় লেখা হয়েছিল শিলালিপি!

আলেকজান্দ্রিয়া আরাকোসিয়া শহরটির ভৌগলিক অবস্থান ও গুরুত্ব ধরা পড়ে গিয়েছিল বিচক্ষণ সম্রাটের চোখে। ভারতীয় উপমহাদেশ ও মধ্য এশিয়ার মধ্যে থাকা সেতু ছিল এই শহর। যেখান থেকে এশিয়ার তিনদিকে চলে গিয়েছিল সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ তিনটি বানিজ্য পথ।

সম্রাট চেয়েছিলেন সেই বানিজ্য পথগুলি ধরে প্রভু বুদ্ধের শান্তির বাণী ও সম্রাটের অনুশাসন ছড়িয়ে পড়ুক সারা বিশ্বে। ছড়িয়ে পড়ুক গ্রিক ও আরামাইক ভাষাভাষীদের মাধ্যমে। কোটি কোটি মানুষ চিনুক সম্রাট অশোকের সর্বশক্তিমান প্রভু অমিতাভ বুদ্ধকে। যাঁর চরণতলে নিজেকে সঁপে দিয়ে চণ্ডাশোক হয়েছেন ধর্মাশোক।

পূর্ণ হয়নি সম্রাটের মনোবাসনা

প্রভু বুদ্ধের শান্তির বাণী প্রচার করার পাশাপাশি, নিজের অন্ধকারাচ্ছন্ন রূপটিও বিশ্ববাসীকে চেনাতে চেয়েছিলেন। তাই নিজের পাশবিকতাকে আড়াল না করে খোদাই করে গিয়েছিলেন পাথরের বুকে। যা হাজার হাজার পরেও বিশ্ববাসীকে জানাবে তাঁর রক্তস্নানের কথা। তাঁর ভূল থেকে শিক্ষা নেবে আগামী দিনের শাসকেরা। তবেই হানাহানি ভুলে পৃথিবী হয়ে উঠবে মাটির স্বর্গ। অকালে ঝরে যাওয়ার হাত থেকে বেঁচে যাবে কোটি কোটি নিরীহ প্রাণ।Greek edicts of Ashoka

তবে পূর্ণ হয়নি মৌর্য সম্রাট অশোকের মনোবাসনা। আলেকজান্দ্রিয়া আরাকোসিয়া গুঁড়িয়ে দিয়েছিলেন নাদির শাহ। সম্রাটের স্থাপন করা ফলক দুটি চলে গিয়েছিল ধ্বংসস্তুপের গভীরে।  অবিশ্বাস্যভাবে সেগুলিকে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও, তালিবানের উত্থানকালে শিলালিপি দুটি চুরি হয়ে গিয়েছিল কাবুল মিউজিয়াম থেকে।

আজও মেলেনি শিলালিপি দুটির খোঁজ। তাই হয়ত অন্ধকার থেকে আলোয় ফেরা সম্রাট অশোকের অনুশাসনের বিপরীতে হেঁটে চলেছে ঐতিহাসিক শহর কান্দাহার। আরঘানদাব নদীর জল হয়ে উঠেছে রক্ত লাল।

পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা ‘সুখপাঠ’

You might also like