Latest News

Satyajit Ray: প্রয়াণ দিবসে ‘অপরাজিত সত্যজিৎ’-এর দ্বিতীয় খণ্ড প্রকাশিত কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ে

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সদ্য পেরিয়েছে বিশ্ববরেণ্য পরিচালক সত্যজিৎ রায়ের (Satyajit Ray) মৃত্যুদিন। ১৯৯২ সালের ২৩ এপ্রিল মারা গিয়েছিলেন তিনি। তাঁকে নিয়ে আজও লেখালিখি বা আলোচনার শেষ নেই। পাশাপাশি, সোশ্যাল মিডিয়ার দেওয়াল জুড়েও রয়েছেন তিনি।

এই বিশেষ দিনকে আরও বিশেষ করে রাখতে কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশ করল দ্বিতীয় খণ্ডের ‘অপরাজিত সত্যজিৎ’। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মানস কুমার সান্যাল জানালেন, ‘বইটি প্রকাশ করে আমরা গর্বিত। আমেরিকা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইংল্যান্ড, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, রাশিয়া, সুইজারল্যান্ড, বাংলাদেশ ও ভারতের পঞ্চান্ন জন লেখক এই বইয়ে লিখেছেন। সত্যজিৎ (Satyajit Ray) নিয়ে আমাদের আরও পরিকল্পনা আছে।’

বইয়ের ভূমিকায় সন্দীপ রায় লিখেছেন, ‘সবচেয়ে বড় কথা, কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এরকম একটি না, একাধিক বই প্রকাশিত হয়েছে। এটা আমার কাছে সত্যিই বিস্ময়কর। রায় পরিবার খুবই খুশি এই উদ্যোগে।’

বইটি সম্পাদনা করেছেন জার্নালিজম অ্যান্ড মাস কমিউনিকেশন বিভাগের ইন-চার্জ অধ্যাপক সুখেন বিশ্বাস। তিনি বলেছেন, ‘মহাশিল্পীর মতোই সত্যজিতের অস্তিত্বে ছিল ইতিহাসচেতনা আর বিশুদ্ধ শিল্পবোধ। বার্গম্যান যেখানে শুধুই আত্মজৈবনিক অভিজ্ঞতা শোনাতে ব্যস্ত, কুরোসাওয়া যেখানে স্থির— মধ্যযুগের সামুরাই জাপানে, সেখানে সত্যজিতের ছবি বিষয়বস্তুর শাখাপ্রশাখায় পল্লবিত। এই বইয়ে বিচিত্র বিষয়ে সত্যজিৎ পল্লবিত।’

মেলবোর্ন শহরে সত্যজিতের (Satyajit Ray) আবক্ষ মূর্তি যেমন অনেকেরই অজানা, তেমনই অনেকের জানা নেই বার্লিন-ক্লাসিক্যালে গত আট বছরে সত্যজিৎই রয়েছেন সেরার তালিকায়। লন্ডনের সত্যজিৎ গবেষক অরিজিৎ গাঙ্গুলি লিখেছেন, বুকের এক কোণে লন্ডনই ছিল সত্যজিতের ঠিকানা। মস্কো থেকে সুমিত সেনগুপ্ত জানিয়েছেন, সোভিয়েত ইউনিয়নে তাঁর কথা কিংবদন্তি হয়ে আছে। প্যারিস ইউনিভার্সিটির রিসার্চ ফেলো অনম্বর আদিত্য চৌধুরী লিখেছেন, ফ্রান্সে তাঁদের ক্লাসের নাম সত্যজিৎ রায়।

সত্যজিতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে মিশে কানাডাবাসী দীপ্তেন্দু চক্রবর্তী সিদ্ধান্তে এসেছেন সত্যজিতের তেমন কোনও বন্ধু ছিল না। সুইজারল্যান্ডের জুরিখে সত্যজিৎ উন্মাদনা দেখে অবাক হয়ে গেছেন দীপ্তনীল সেনগুপ্ত। ঠিক সেইরকমই ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটি বিগত কয়েক বছর ধরে সত্যজিতের কাজকর্ম সংরক্ষণ করে চলেছে, জানিয়েছেন ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জয়তী চৌধুরী।

এই বইয়ের অন্যান্য লেখকের মধ্যে রয়েছেন গুলজার, তানভীর মোকাম্মেল, দাউদ হায়দার, মমতাশংকর, প্রদীপ মুখোপাধ্যায়, মনোজ মিত্র, অশোক মুখোপাধ্যায়, শৈবাল মিত্র, অভিজিৎ দাশগুপ্ত, চন্দনা মুখোপাধ্যায়, সুবীর মিত্র প্রমুখ।

কালই সিবিআই থেকে পুলিশ, আজ থানায় গেলেন সেই নির্যাতিতার বাবা! সঙ্গে তৃণমূল নেতা

You might also like