আড়ালে আততায়ী ১৩

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    সুকান্ত গঙ্গোপাধ্যায়

    শ্রাবণীদেবীর বদনাম শুনতে খারাপ লাগে ঝিনুকের। বাড়িতে পুলিশ ঢোকানোর প্ল্যানটা দীপকাকুই দিয়েছেন ওঁকে। দীপকাকু এখন বললেন, তথ্যটা বানানো নয়। যে দেখেছে ডা. রায়কে ধাক্কা মারা হয়েছে, তাকে জেরা করছি আমরা। মনে হয়নি মিথ্যে বলছে।

    মিথ্যে এখন দীপকাকু বললেন। কী অবলীলায়! কমলবাবু বলেন, এর পর আমার আর কী বলার থাকতে পারে। অপরাধ যখন ঘটেছে, অপরাধীকে ধরা গোয়েন্দা, মানে, আপনার কাজ।

    ঝিনুকদের জন্য চা-স্ন্যাক্স এসে গেল। যে লোকটি দরজা খুলে দিয়েছিল, নিয়ে এল সে। কমলবাবু বললেন, নিন। চা-টা খেয়ে নিন।

    চা ঝিনুক খায় না। কেউ না জিজ্ঞেস করে এনে দিলে, ইদানীং খেয়ে নেয়। কাউকে অপ্রস্তুত অবস্থায় ফেলতে চায় না। পেস্ট্রিতে কামড় দিয়ে চায়ের কাপ তুলে নিলেন দীপকাকু। বললেন, আপনি তো ডা. রায়ের খুব কাছের লোক ছিলেন। ওঁর কোনও শত্রু ছিল কি?

    –অলকেশের সবচেয়ে বড় শত্রু ছিল, ছেলেকে নিয়ে চিন্তা। ওর স্ত্রী মারা যাওয়ার পর চিন্তা আরও বেড়েছিল। খালি বলত, ছেলেটার কী হবে! কোথায় পড়ে আছে, কী খাচ্ছে, অদৌ বেঁচে আছে তো… এই সব ভাবনাতে কাহিল থাকত। এই টেনশন থেকেই শরীর খারাপ হল। ভর্তি করতে হল নার্সিংহোমে।

    –হ্যাঁ, শুনেছি। আপনিই অ্যাডমিট করান।

    –শুধু অ্যাডমিট করানো নয়, সেই রাতটা আমি নার্সিংহোমে ছিলাম। ওর বাড়ির কেউ ছিল না। এটুকু তো আমায় করতেই হবে। ও আমার কতদিনের বন্ধু!

    –কতদিনের? চা খেতে খেতে জানতে চাইলেন দীপকাকু। স্ন্যাক্স প্রায় একাই খেলেন। ঝিনুক নিয়েছে অল্প।

    কমলবাবু বলছেন, ও আমার স্কুলবেলার বন্ধু। কলেজেও একসঙ্গে পড়ার ইচ্ছে ছিল, আমার বাবা সে সুযোগ দিলেন না। কমার্স নিয়ে পড়তে পাঠালেন। যেহেতু বাবার বিজনেস ছিল। পরে যার হাল ধরতে হবে আমাকে।

    –আপনি এখন কি বাবার বিজনেসটাই করছেন?

    –হ্যাঁ।

    –কীসের বিজনেস?

    –ফার্নিচারের। কাঠের ফার্নিচার। শো-রুম ভবানীপুরে। দোকানের নাম ‘বিশ্বাস ফার্নিচার’।

    উত্তর শুনে চুপ করে আছেন দীপকাকু। কী যেন ভাবছেন। একটু পরে বলে উঠলেন, আপনার বন্ধু হোমিওপ্যাথি পড়তে গেলেন কেন? কার উৎসাহে?

    –উৎসাহটা পেয়েছিল ওর বাবার বন্ধুকে দেখে। ডাক্তার জীবন দত্ত। বসতেন খিদিরপুরে। সার্থকনামা লোক মশাই, কত লোকের যে জীবনদান করেছেন! অ্যালোপ্যাথি ফেল মেরে গেলে লোকে ওঁর কাছে আসত। অলকেশ কলেজ থেকে বেরনোর পর অনেকদিন ওঁর আন্ডারে কাজ করেছে।

    –ডা. রায় ওষুধের যে কোড-নেম ব্যবহার করতেন, সেটা নিশ্চয়ই ডাক্তার জীবন দত্তর কোড, তাই না?

    –একদম ঠিক ধরেছেন। ও এমন কোড, কেউ এখন অবধি ব্রেক করতে পারেনি।

    শেষকথাটা দীপকাকু শুনলেন কি না সন্দেহ আছে। খুবই অন্যমনস্ক দেখাচ্ছে তাঁকে। সারাঘরে একবার চোখ বুলিয়ে বলে উঠলেন, আপনি সম্ভবত পুরোনো ফার্নিচারের বিজনেস করেন। ঘরে এত অ্যান্টিক ফার্নিচার!

    –পুরোনো ফার্নিচারের বিজনেস করি বটে, তবে এটা আমার শখও বলতে পারেন। ভবানীপুরের শো-রুমে নতুন ফার্নিচারই বেশি। ছেলে দেখাশোনা করে দোকানটা। আমি পুরনো ফার্নিচার কেনাবেচা নিয়ে আছি।

    –আপনার ক’টি সন্তান?

    –দু’টি। একটি ছেলে, ছোটটি মেয়ে। মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে।

    কথাটা শুনে নিয়ে ঘরের এককোণে একটা ফার্নিচারের দিকে আঙুল নির্দেশ করে দীপকাকু বললেন, ওই ক্যাবিনেটটা কিন্তু বেমানান। মানে এই ঘরের সাজসজ্জার নিরিখে।

    –কেন? কী দেখে এই কথা বলছেন? বাড়তি কৌতূহল নিয়ে জানতে চাইলেন কমল বিশ্বাস।

    দীপকাকু বললেন, আপনার এ ঘরে ওই একটি বাদে সব ফার্নিচারই ব্রিটিশ স্টাইল। অ্যান্টিক ব্রিটিশ ফার্নিচার। ওই ক্যাবিনেটটাই শুধু ফ্রেঞ্চ স্টাইল। ওটাও অ্যান্টিক।

    –ওরে বাবা! আপনি তো দেখছি ফার্নিচারের ব্যাপারে যথেষ্ট ওয়াকিবহাল। এই বিষয়ে চর্চাও আছে মনে হচ্ছে। প্রশংসার কণ্ঠে বললেন কমলবাবু।

    ঝিনুক জানে, দীপকাকুর পড়াশোনার রেঞ্জ কতটা! বহুবার প্রমাণ পেয়েছে। প্রশংসিত হয়ে দীপকাকু একটু যেন লজ্জা পেলেন। বিনয়ের সঙ্গে জানতে চাইলেন, ফ্রেঞ্চ ফার্নিচার তো বেশ রেয়ার। চন্দননগর থেকে পেলেন নাকি? ওখানেই তো ফরাসি উপনিবেশ ছিল। বেশিদিন হয়নি কালেকশন করেছেন। সদ্য পালিশ হয়েছে বোঝা যাচ্ছে।

    –হ্যাঁ, আন্দাজ আপনি ভালই করেছেন। চন্দননগর, মানকুণ্ডু থেকে আগে আমি অনেক ফ্রেঞ্চ অ্যান্টিক ফার্নিচার পেয়েছি। তবে এটা আমি পেলাম নৈহাটির এক জমিদারবাড়ি থেকে। মাস-দুয়েক হল। চন্দননগর, চুঁচুড়ার ওপারেই তো নৈহাটি, গঙ্গা পেরিয়ে ফার্নিচারটা যোগাড় করতে অসুবিধে হয়নি জমিদারবাবুর। ও বাড়িতে আরও কিছু ফ্রেঞ্চ ফার্নিচার আছে। এখনকার মালিক বিশাল দাম হাঁকছে। বলে থামলেন কমলবাবু। কী একটু ভেবে নিয়ে সংকোচের সঙ্গে বললেন, এই সব অ্যান্টিক ফার্নিচার নিয়ে আমি একটা বই লিখেছি। আপনি সমঝদার মানুষ। বইটা দিতে ইচ্ছে করছে।

    –আরেঃ, এ তো আমার সৌভাগ্য। খুশির গলায় বললেন দীপকাকু।

    কমল বিশ্বাস বলেন, বইটা আছে স্টাডিরুমে। দাঁড়ান এনে দিচ্ছি।

    –চলুন না, আমরাও যাই আপনার পড়ার ঘরে। সেখানে নিশ্চয়ই আরও কিছু ফার্নিচার দেখতে পাব।

    দীপকাকুর আবদারে ‘না’ করলেন না কমলবাবু। বললেন, আসুন।

    স্টাডিরুম একতলাতেই। এখানেও অনেক অ্যান্টিক ফার্নিচার। কোনটা কোন আমলের, ঝিনুকের পক্ষে বোঝা সম্ভব নয়। দীপকাকু ফার্নিচারগুলোর ওপর চোখ বোলাচ্ছেন। এ ঘরে তাক ভর্তি অনেক বইও আছে। বোঝাই যাচ্ছে, ভদ্রলোকের লেখাপড়ার প্রতি বেশ ঝোঁক আছে। তা না থাকলে বই লিখবেন কেন? র‍্যাক থেকে নিজের বই বার করলেন কমলবাবু। দীপকাকুর দিকে বাড়িয়ে দিয়ে বললেন, পড়বেন কিন্তু, ফিডব্যাক দেবেন।

    বইটা হাতে নিলেন দীপকাকু। পাশ থেকে ঝিনুক দেখল বইটার নাম, ভারতের পুরোনো আসবাব।

    দীপকাকু বইটা কমলবাবুকে ফেরত দিয়ে বললেন, এটাতে আমার অ্যাসিস্ট্যান্টের নাম লিখে সই করে দিন। বন্ধুদের দেখাতে পারবে। লেখক সই করে বই দিয়েছেন, এটা ওদের বয়সে খুবই গর্বের ব্যাপার।

    টেবলের থেকে পেন নিয়ে এসে কমলবাবু ঝিনুককে জিজ্ঞেস করলেন, তোমার নাম?

    –আঁখি সেন। বলল ঝিনুক।

    খুশি মুখে সই দিতে দিতে কমলবাবু বললেন, আমার তো এই একটাই বই। সই দেওয়াটা আমার কাছেও বেশ গর্বের ব্যাপার। বইটা ঝিনুকের হাতে দিলেন কমলবাবু। ঝিনুক ‘থ্যাঙ্ক ইউ’ বলল। দীপকাকু বললেন, আমরা তা হলে এখন আসি?

    –চলুন, আপনাদের এগিয়ে দিই। বললেন কমল বিশ্বাস।

    ।।আট।।

    দীপকাকু বলে থাকেন, গোয়েন্দাগিরি হচ্ছে সম্ভাবনার অনুসন্ধান। বিপুল ধৈর্যের সঙ্গে এবং একাগ্রচিত্তে সন্ধান চালিয়ে যেতে হয়। সাফল্য আসে আপনা থেকেই। ডা. রায়ের কেসটাতে দীপকাকু তাঁর উক্তি হাতেনাতে প্রমাণ করলেন। আজ এই তদন্তের যবনিকা পতন হতে চলেছে। ঝিনুকরা এখন চলেছে ডা. অলকেশ রায়ের বাড়িতে। দীপকাকু ঝিনুকদের বাড়িতে সকালের জলখাবার সারলেন। তার আগেই বাবাকে বলেছেন, রজতদা, আজ একটু বেলা করে অফিসে যাবেন। কেসের শেষ পার্টটা বড় ইচ্ছে করছে আপনাকে দেখাতে।

    সিকিউরিটি এজেন্সিটা বাবার। দেরি করে গেলে কাউকে কৈফিয়ত দেওয়ার নেই। তাই বাবা বলেছিলেন, যেতে তো আমার কোনও অসুবিধে নেই। কিন্তু যবনিকাপাতটা ঠিকঠাক বুঝে উঠতে পারব তো? ফাঁক থেকে যাবে না? তুমি তো কেসটার ব্যাপারে আমার সঙ্গে সেভাবে আলোচনাই করোনি। ঝিনুকও তথ্য দিয়েছে সামান্য কিছু। এখন আবার বলছে, অপরাধীর নাম জানে। কিন্তু বলবে না। যেহেতু ও জানে না, কী কী সাক্ষ্যপ্রমাণের মাধ্যমে তুমি শনাক্ত করেছ অপরাধীকে।

    –চলুন না। আজকের মিটিংয়ের পর ঝিনুকের কাছে সব ক্লিয়ার হয়ে যাবে। আপনি যেটুকু বুঝবেন না, পরে ঝিনুক আপনাকে বুঝিয়ে দেবে। বলেছিলেন দীপকাকু। প্রস্তাবে রাজি হয়েছেন বাবা। বাবার গাড়িতেই যাওয়া হচ্ছে একবালপুরে ডা. রায়ের বাড়িতে। গাড়ি চালাচ্ছে ঝিনুকদের ড্রাইভার আশুদা।

    ঝিনুক সত্যিই জানে, কে অপরাধী। সেটা জেনেছে ঘটনাচক্রে। ব্যক্তিটির অপরাধ কী পদ্ধতিতে চিহ্নিত করলেন দীপকাকু, ঝিনুককে বলার সুযোগ পাননি। আজ সকালে ফোন করে বললেন, তোমাদের বাড়ি যাচ্ছি। আজকেই ডা. রায়ের কেসটার ফয়সালা হয়ে যাবে।

    ঝিনুক তো অবাক! এত তাড়াতাড়ি কেসটা সমাধান করে ফেলবেন দীপকাকু, ভাবতে পারেনি! তার মানে, চুপিসারে এমন কিছু তদন্ত চালিয়েছেন, যা ঝিনুককে বলেননি। সেগুলো কী হতে পারে, সেটাই এখন গাড়ির পিছনে বসে ভাবছে ঝিনুক। পাশে বাবা। ড্রাইভার আশুদার পাশের সিটে দীপকাকু।

    গত পরশু কমল বিশ্বাসের বাড়ি থেকে বেরিয়ে দীপকাকু ঝিনুককে সঙ্গে নিয়ে গিয়েছিলেন ভবানীপুরে। একে-তাকে জিজ্ঞেস করে খুঁজে বার করলেন কমলবাবুর দোকান, ‘বিশ্বাস ফার্নিচার’। শো-রুমটা এলগিন রোডের উপরে। কাউন্টারে ছিলেন কমলবাবুর ছেলে। বাবার সঙ্গে চেহারার অনেক মিল। দীপকাকু কমলবাবুর ছেলেকে বললেন, একটা ডবল বেড খাট নেব। ডেলিভারি দিতে হবে দুর্গাপুরে। কীভাবে দেবেন?

    –ট্রান্সপোর্টে পাঠিয়ে দেব। তার জন্য আলাদা পে করতে হবে আপনাকে। বলেছিলেন কমলবাবুর ছেলে।

    দীপকাকু তখন বলেন, ট্রান্সপোর্টের ব্যবস্থা যদি আমি করি।

    –সে-ক্ষেত্রে জিনিস ড্যামেজ হলে আমরা দায় নিতে পারব না। সাফ জানিয়ে দিলেন কমলবাবুর ছেলে।

    দীপকাকু জানতে চেয়েছিলেন, আপনারা কোন ট্রান্সপোর্ট কোম্পানিকে দিয়ে জিনিস পাঠান?

    –জয়গুরু ট্রান্সপোর্ট। বললেন কমলবাবুর ছেলে।

    ঝিনুকের খুব চেনা চেনা ঠেকছিল কোম্পানির নামটা। এর পরে যখন দীপকাকু জানতে চাইলেন, ল্যান্সডাউনের জয়গুরু ট্রান্সপোর্ট তো?

    ঝিনুকের মনে পড়ে গিয়েছিল ডা. রায়ের মৃত্যুর পরই এই কোম্পানিতেই চাকরি নিয়েছিল ড্রাইভার নন্দ গড়াই। কমলবাবুর ছেলের থেকে সায় পাওয়া গেল, কোম্পানিটা ল্যান্সডাউনেই। যেহেতু এলগিন রোড থেকে ল্যান্সডাউন কাছেই, তাই তারা ওই কোম্পানিটাকে বেছেছেন। কোম্পানির সার্ভিস ভাল। দূরত্ব কমের জন্য ট্রান্সপোর্টেশন খরচা খানিকটা বাঁচে।

    –ঠিক আছে। পরে আপনাদের সঙ্গে যোগাযোগ করব বলে ‘বিশ্বাস ফার্নিচার’ থেকে বেরিয়ে এসেছিলেন দীপকাকু। মোটরবাইকে ওঠার আগে ফোন করলেন বন্ধু রঞ্জনকাকুকে। যিনি লালবাজারের ইন্সপেক্টর। ট্রান্সপোর্ট কোম্পানিটার নাম-ঠিকানা উল্লেখ করে বললেন, তুই ওদের একটু বলে দে, আমার ইনভেস্টিগেশনে যেন হেল্প করে।

    এর পরই ঝিনুকরা পৌঁছেছিল ‘জয়গুরু ট্রান্সপোর্ট’ কোম্পানিতে। যাওয়ার পথে ঝিনুক দীপকাকুকে জিজ্ঞেস করেছিল, আপনি কীভাবে আন্দাজ করলেন, যে কোম্পানিতে ড্রাইভারি করত নন্দ গড়াই, তাদের দিয়েই জিনিস পাঠায়। ‘বিশ্বাস ফার্নিচার’?

    –পরে বলব। বলে এখনও বলেননি দীপকাকু। আজ নিশ্চয়ই জানা যাবে। জয়গুরু কোম্পানিতে ফোন করে দিয়েছিলেন রঞ্জনকাকু। পুলিশের ফোন পেয়ে ওরা দীপকাকুকে হেল্প করার জন্য রেডি ছিল। দীপকাকু ওদের কাছে চাইলেন ‘বিশ্বাস ফার্নিচার’ গত তিনমাসে কোথায় কোথায় গুডস পাঠিয়েছে বা আনিয়েছে তার লিস্ট।

    কম্পিউটারে ছাপা লিস্ট পাওয়া গেল ওদের থেকে। দেখা গেল, গত দু’মাস কেন, তিনমাসে একবারও নৈহাটি থেকে আসেনি বিশ্বাস ফার্নিচারের গুডস। অথচ কমল বিশ্বাস বলছেন, ফ্রেঞ্চ ক্যাবিনেটটা আনিয়েছেন নৈহাটি থেকে। এদিকে লিস্টে একটা ব্যাপার চোখ টানছে, চন্দননগরের লালবাগানে বেশ ক’বার বিশ্বাস ফার্নিচারের হয়ে জয়গুরু কোম্পানির গাড়ি গিয়েছে-এসেছে। যে বাড়িতে গিয়েছে, নাম ‘সাহেব কুঠি’।।

     

    চিত্রকর: শুভ্রনীল ঘোষ                                                                       পরের পর্ব আগামী শুক্রবার

    রহস্য উপন্যাসের আগের পর্বগুলি পড়ার জন্য নীচের শব্দে ক্লিক করুন

    আড়ালে আততায়ী

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More