বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ১৪

পাখিঘর ধারাবাহিক উপন্যাস পর্ব ২৭

মৃত্তিকা মাইতি

মেয়েদের হোম। নাম তার আশ্রয়। এখানে কেউ এসেছে সোনাগাছি থেকে, কেউ পাচারকারীর হাত থেকে উদ্ধার হয়ে, ঠাঁই পেয়েছে আঁস্তাকুঁড়ে ফেলে যাওয়া মেয়েও। দেশ, ধর্ম, জাত, ভাষা আলাদা হলেও এখানে তাদের একটাই পরিচয়। বঞ্চিত ও লাঞ্ছিত। হোম-মাদারের কাজ পেয়ে এখানেই এসে পড়ে পরমা। তার নিজের জীবনকেও তাড়া করে ফিরেছে দুঃখ আর অপমান। তবু সে মিশে যেতে থাকে হোমের মেয়েদের সঙ্গে। এক একজনের জীবনের কথা তোলপাড় তোলে মনে। সেইসঙ্গে সামনে আসতে থাকে হোমের নানা সমস্যা, চোরা দুর্নীতি, ক্ষোভ ও বিক্ষোভ। পরমা জড়িয়ে পড়ে সমস্ত কিছুর সঙ্গে। এ যেন এক খাঁচা। পাখিঘর। যার ঠিকানা শুধু জানে মুক্তির আকাশ। দ্য ওয়ালের ধারাবাহিক। আজ পর্ব – ২৭

ধারাবাহিকটি প্রথম থেকে পড়তে নীচের লাইনে ক্লিক করুন

উপন্যাস পাখিঘর পর্ব ১ থেকে পর্ব ২৬  

সেদিন রাতের খাওয়া শেষ হতে হতে দশটা বেজে গিয়েছিল। আরও কিছুক্ষণ পর পরমা আর উর্মিলা ফিরল ছোটবাড়িতে। অন্য তিনজনও বড়বাড়িতে ঢুকে গিয়েছে। উর্মিলা বাড়ি থেকে ফেরার পর এখনও আর কেউ ছুটি নেয়নি।

আলো নিভিয়ে দেওয়ার আগে পরমা তার ঘরের সব বাঙ্কের মেয়েদের কাছে গিয়ে একবার দেখে নেয় তারা ঠিকঠাক আছে কিনা। তেমনই যাবে ভাবছিল। তখনই মনিটর আয়েষা ঢুকে এল ঘরে। সিকিউরিটির একজন বাইরে থেকে ডাকছে। কারা যেন এসেছে হোমে।

আয়েষাকে রেখে উর্মিলার কাছে গেল পরমা। সে বলল, ‘এখন আবার কে এল রে? নতুন মেয়ে নয় তো!’

কিছুটা অবাক হয়েছে পরমা। ‘রাতেও মেয়েদের আনা হয় না কি?’

‘হয় তো। অনেকদিন এমন আসেনি অবশ্য, তাই তুই দেখতে পাসনি। এক একদিন রাত বারোটা-একটাতেও পুলিশের জিপ এসেছে। কোথাও থেকে কাউকে উদ্ধার করা গেলে তাকে কোনও না কোনও হোমে পাঠাতেই হবে। ওরা তো রেখে দিতে পারে না। তখন খাতাপত্রে সব তুলতে হয়। জায়গা না থাকলে ফেরতও পাঠাতে হয়। চল দেখি’

বাড়ির গেটে তালা লাগিয়ে বেরিয়ে এল দু’জনে। গার্ড দাঁড়িয়েই ছিল। এই ছেলেটার নাম ভাস্কর। বলল, ‘ম্যাজিস্ট্রেট এসেছেন। বাইরে গাড়ি দাঁড়িয়ে। কথা বলতে চাইছেন। তোমরা এসো গেটে।’ হড়বড়িয়ে কথাগুলো বলেই চলে যাচ্ছিল সে।

‘ম্যাজিস্ট্রেট! এখন? হোমে তো কেউ নেই। কথা বলবে কে?’ হতভম্ব হয়ে পরমার দিকেই তাকিয়ে রইল উর্মিলা। ‘আমি এর আগে একজনকেই আসতে দেখেছি। অর্পিতাদি বলেছিল তিনি অবজার্ভার না কী যেন। কিন্তু সে তো দিনেরবেলা। তখন সর্বাণীদিরা ছিলেন, তারাই যা বলার বলেছেন। কী হল বল তো? মেয়েরা যে পালিয়ে গেছিল সেই নিয়ে কিছু জানতে আসেননি তো?’

‘হতেও পারে।’

উর্মিলার চোখে ভয়। ‘যত দেরিই হোক, নাড়াচাড়া তো পড়বেই। কী হবে রে এখন?’

‘কী আবার হবে। আমাদেরই কথা বলতে হবে।’

‘আমার হাত-পা কাঁপছে। তুই গিয়ে বল। আমি বড়বাড়ি থেকে ওদের ডেকে আানি।’ বলেই ছুট লাগাল উর্মিলা।

পরমা গেটের দিকে পা বাড়িয়েছিল। কিন্তু পুরোটা যেতে হল না। সিকিউরিটি একজনকে সঙ্গে নিয়ে ভেতর দিকেই এগিয়ে আসছে। লম্বা চেহারার মানুষটি। মাথায় কোঁকড়ানো চুল। সাদা শার্ট-প্যান্ট। পায়ের কালো বুটজোড়া এই আধো অন্ধকারেও চকচক করছে।

কাছে এসে গার্ড চোখের ইশারায় পরমাকে বোঝাতে চাইছিল ইনিই ম্যাজিস্ট্রেট। তারপর তাকে বলল, ‘এ হোমেরই স্টাফ। আপনি এর সঙ্গে কথা বলুন।’ বলেই আবার গেটে ফিরে যাচ্ছিল সে। অ্যালশেসিয়ানদুটো অন্য কোথাও ছিল। এসে হাজির হয়েছে এর মধ্যে। দূরে দাঁড়িয়ে মুখ তুলে ঘেউ ঘেউ শুরু করে দিয়েছে তারা।

তিনি প্র‌থমেই বললেন, ‘এখানে রাতে কুকুর ছাড়া থাকে না কি?’

‘হ্যাঁ। রোজই দশটার পর ওদের খুলে দেওয়া হয়। আটকে রাখতে বলব?’

‘না, থাকুক। হোমের স্টাফ মানে আপনি কে?’

‘আমি হোম-মাদারদের একজন।’

‘ও, আপনারা কতজন আছেন এখানে?

‘পাঁচজন।’

‘বাকিরা কোথায়?’

কুকুরদুটো চিৎকার থামিয়েছে। পরমা বড়বাড়ির দিকে দেখাল। ‘ওখানে। ডাকতে গেছে একজন।’

‘হুঁ, হোম-ইনচার্জ তো এখন থাকেন না নিশ্চয়ই।’

‘না, উনি তো অফিসের সময়টায়—।’

পরমাকে কথা শেষ করতে না দিয়েই তিনি বললেন, ‘ঠিক আছে, হোম- মাদারদের ইনচার্জ কে? তিনি কোথায়?’

এইবার সমস্যায় পড়ে গেল পরমা। শুক্লাদি তো কোনওদিনও এখানে রাতে থাকেন না। এখন কী বলবে সে?

ওরা চারজন এসে পড়েছে। পরমা অর্পিতাকে বলল, ‘দিদি, তুমি কথা বলো।’

সে পাশ কাটিয়ে যাওয়ার মতো করে বলল, ‘তুই বলছিস তো। যা জানতে চাইছেন বল না।’

উর্মিলার দিকে তাকাল পরমা। সেও গুটিয়ে রয়েছে। সঞ্চিতা আর প্রীতির তো এমন ভাব যেন একে অন্যের পিছনে লুকোতে পারলে বাঁচে।

‘কী হল, বলুন, মাদার-ইনচার্জ কোথায়?’

আমতা আমতা করে পরমা বলল, ‘উনি তো— মানে— এখানে থাকেন না।’

‘থাকেন না! বাড়ি চলে যান? রাতে তাহলে হোম কার দায়িত্বে থাকে?’

‘আমাদের, হোম-মাদারদের।’

গম্ভীর হয়ে যাচ্ছিল তার মুখ। ‘এতগুলো মেয়েকে শুধু আপনাদের ভরসায় রাখা হয়? সকালে ক’জন গার্ড থাকে?’

‘দু’জন।’

‘রাতেও এতবড় হোমে মাত্র দু’জন গার্ড! মেজর কোনও সিকিউরিটি ব্রিচ হলে ওরা কিছু করতে পারবে!’ এরপর তিনি যা করলেন তা ওরা কেউ ভাবতেই পারেনি। প্যান্টের পকেট থেকে মোবাইল বের করে ডায়াল করলেন। ‘হ্যালো, গোবিন্দপুর থানা? কে বলছেন আপনি? ও, আমি এস ডি ও সুধীর ব্যানার্জি বলছি। শুনুন, আমি আশ্রয় হোমে এসেছিলাম ইন্সপেকশনে। এসে তো দেখছি মেয়েদের কোনও নিরাপত্তাই নেই এখানে। এক্ষুনি ফোর্স পাঠান তো। ইমিডিয়েটলি।’

ফোনটা আবার পকেটে রাখার পর তার কঠিন গলা কিছুটা নরম হয়ে এল। ‘শোনো, আমি বাঘ-ভাল্লুক নই। এখানকার মেয়েদের সুবিধে-অসুবিধে দেখতে এসেছি। আর তোমরা যারা এখানে কাজ কর, তাদেরও। কিছু গোপন কোরো না। সব বলো।’

এরমধ্যে শংকরের ঘরের দরজা খুলে গিয়েছে। সে বেরিয়ে কাছাকাছি আসতেই তিনি জানতে চাইলেন, ‘ইনি কে?’

‘শংকরদা, আমাদের হোমের গাড়ি চালান। এখানেই থাকেন ফ্যামিলি নিয়ে।’

অর্পিতা বলল, ‘আপনি বসবেন স্যার? অফিসঘর খুলে দিই?’

‘না।’ হাত নাড়লেন তিনি। ‘দরকার নেই। আমার প্রশ্নের সঠিক উত্তর পেলেই চলবে। ‘মেয়েদের দুটো বাড়িতে ভাগ করে রাখা হয়?

পরমাই বলল, ‘হ্যাঁ। ওদিকেরটা বড়, এদিকেরটা ছোট।’

‘এখন টোটাল কত মেয়ে রয়েছে?’

‘একশো চুয়াল্লিশ।’

‘তিনজন পালিয়ে যাওয়ার পর?’

একটু থমকে গিয়েছিল পরমা। তারপর বলল, ‘না, ঠিক তা নয়। তার আগে-পরে আরও কয়েকজন বেরিয়ে গেছে। একজনের বিয়ে হয়েছে। কেউ বাড়ি—’

আবার কথাটা কেটে তিনি বললেন, ‘পালাল কেন ওরা?’

ওরা সকলেই চুপ করে ছিল। কী বলবে?

তিনি বোধহয় জবাব চাননি। কেননা ততক্ষণে পরের প্রশ্ন ধেয়ে এসেছে। ‘হুঁ, আচ্ছা বলো তো, খাওয়াদাওয়া ঠিক করে পায় মেয়েরা? কাপড়জামা আসে দরকার মতো? মেডিসিন?’

অর্পিতার মুখে তালাচাবি পড়ে গিয়েছে। পরমার মনে হল, ইনি কথার পিঠে কথা চাপাচ্ছেন। জেনেও জানতে চাইছেন? না কি আচমকা এসেছেন নিজেই সব দেখবেন বলে? এরপর যদি মেয়েদের কারও সঙ্গে কথা বলতে চান?

‘কী হল? বললাম যে সব খুলে বলতে। ভাল কিছু বলা যাচ্ছে না, তাই তো? বুঝেছি। এবার বলো তো তোমরা স্যালারি কত পাও?’

আগের কথাগুলোয় এখনও কিছুই বলা যায়নি। তার মধ্যে এটা শুনে গলা আটকে গেল পরমার। বাকিদের মুখে তাকাল।

তিনি পরমার দিকেই দেখলেন। ‘কত পাও? তুমি তোমারটাই বলো।’

বলল পরমা।

‘হুঁ, তোমাদের স্যালারি তো এত কম হওয়ার কথা নয়।’

‘প্র‌থম থেকে আমি এটাই পাচ্ছি।’

‘কীসে সই করে টাকা নাও? ভাউচারে?’

‘হ্যাঁ।’

‘যা হাতে পাও তাই কি লেখা থাকে সেখানে?’

এবার পরমা স্পষ্ট করেই বলল, ‘না।’

‘হুঁ, তোমরা কি জান তোমাদের হোম মাঝে মাঝেই সরকারি গ্রান্ট পায়? কাজেই সরকার এসব খোঁজখবর করতে পারে। তা না হলেও পারে।’ কথার ফাঁকে ফাঁকেই উনি এদিক ওদিক চোখ ঘুরিয়ে নিচ্ছিলেন। কলপাড়ের দিকে হাত তুলে বললেন, ‘ওদিকটা এত অন্ধকার কেন? কী আছে ওখানে?’

‘ওটা পিছন দিক। পাঁচিল আছে। ওপারে পুকুর।’

আর একদিকে তাকালেন তিনি। ‘ওদিকেও কী তাই?’

‘না, ওটা রান্নাঘর, তার পিছনে মেয়েদের পড়ার জায়গা।’

‘হরিবল্‌, ভেতরে এরকম অন্ধকার! সাফিশিয়েন্ট আলোর ব্যবস্থা নেই কোথাও! এখানে তো কোনও কিছুই ঠিক নেই দেখছি। এভাবেই হোম চালাচ্ছেন মিসেস দত্ত!’

কবজি ঘুরিয়ে ঘড়ি দেখলেন তিনি। ‘থানা থেকে এখনও আসতে পারল না কেউ! ডিসগাস্টিং।’ যেন যতখানি পারা যায় তেমনভাবে আর একবার সব দিকে চোখ বুলিয়ে নিয়ে বললেন, ‘আর ওয়েট করা যাবে না, আমায় যেতে হবে এবার। ঠিক আছে।’ জুতোর আওয়াজ তুলে তিনি রওনা দিলেন গেটের দিকে।

হোম-মাদাররা এ ওর মুখের দিকে তাকাতে লাগল। শংকরও হতভম্ব হয়ে দাঁড়িয়ে। পরমার মনে হল, যেমন হঠাৎ এসেছিলেন তেমনই চলে যাচ্ছেন ইনি। যাওয়ার আগে বলে গেলেন পুলিশ ফোর্স আসবে। কিন্তু কেন? একদিন এসেই বা কী করবে? এভাবেই তো তারা দিনের পর দিন কাটিয়ে যাচ্ছে।

এর মধ্যে শব্দ করে হেসে উঠল প্রীতি। ‘এবার নবনীতা দত্তের টনক যদি নড়ে। তবে আমাদের জন্যে কোন দুর্ভোগ অপেক্ষা করছে তা জানি না।’

ধমকে উঠল উর্মিলা। ‘সবেতেই তোর দাঁত বেরিয়ে রয়েছে! কোনও হাসির ব্যাপার ঘটেছে কি?’

ধমক খেয়ে হাসি গিলে ফেলল প্রীতি। পরমা বলল, ‘সর্বাণীদিকে কি একটা ফোন করবে অর্পিতাদি? উনি যে এসেছিলেন, পুলিশও আসছে, জানাতে হবে তো।’

অর্পিতা বলল, ‘উনি যখন ছিলেন তখনই করব ভাবছিলাম, তারপর মনে হল কী জানি, দেখতে পেলে যদি চেপে ধরেন! আর এখন কী হচ্ছে তার পুরোটা না জেনে কী বলব ফোনে? তখন আবার সর্বাণীদির কাছে ধ্যাতানি খাব।’

ছোটবাড়ির সামনে কথা হচ্ছিল ওদের। এই সময় গেটে ধাক্কা দেওয়ার আওয়াজ কানে এল। গার্ড ছোট গেটটা খুলতেই ওপার থেকে কেউ বলল, ‘থানা থেকে আসছি।’

দু’জন গার্ড মিলে বড় গেটটাই খুলে দিল। একজন অফিসার ভেতরে এলেন। দেখা যাচ্ছে বাইরে পুলিশ বোঝাই দুটো গাড়ি। তাদের কথাবার্তাও শোনা যাচ্ছিল।

যিনি ভেতরে এসেছেন হোম তার চেনা। বললেন, ‘কী ব্যাপার? কোনও গণ্ডগোল হয়েছে না কি এখানে?’

হোম-মাদাররাও এগিয়ে গিয়েছিল গেটের দিকে। অর্পিতা বলল, ‘ম্যাজিস্ট্রেট এসেছিলেন হোম দেখতে। ফোনটা তিনিই করেছিলেন। এখন তো চলে গেছেন।’

অফিসার মোবাইল বের করে কারও সঙ্গে কথা বলতে শুরু করলেন। ‘হ্যাঁ ম্যাডাম, আমরা তো আপনাদের এখানেই এসেছি। আমাদের কাছে ফোন গেছিল। এস ডি ও নিজেই করেছিলেন। হ্যাঁ, উনি হোমে এসেছিলেন তো। বললেন এখানে নাকি নিরাপত্তা নেই! আমরা তো তাই ফোর্স নিয়ে আসতে বাধ্য হলাম।’

ওপারের কথা শুনতে পাচ্ছিল না হোম-মাদাররা। এপারে শুধু অফিসারের ‘হ্যাঁ’, ‘না’, ‘ওক্কে’। তাতে তাদের কিছু বোঝার উপায় নেই।

কথা শেষ করে অফিসার বললেন, ‘আমাদের কাজ হয়ে গেছে। আসতে বলা হয়েছিল, এসেছি। এবার চলি।’

পুলিশের জিপগুলো তখনও হোমের সামনের রাস্তা ছাড়িয়ে যেতে পারেনি। অর্পিতার ফোন বেজে উঠল। ‘হ্যাঁ দিদি বলুন। হ্যাঁ, উনি তো ফোন করার একটু পরেই বেরিয়ে গেছিলেন। পুলিশ? তারাও তো এই গেল। না না। কী? ও আচ্ছা, ঠিক আছে দিদি।’

অর্পিতা ফোন ছাড়ার পর পরমা জানতে চাইল, ‘সর্বাণীদি? আসছেন?’

‘না, আসছেন না। তবে কাল সকালে আমাদের ডাকবেন। সবাইকে থাকতে বলেছেন।’

শংকর তার ঘরে ফিরে গিয়েছে। ওরাও যে যার জায়গায় চলে যাচ্ছিল। হোম আবার আগের মতো নিঝুম হয়ে পড়বে এবার। যেতে যেতে শুধু প্রীতি বলল, ‘কাল দ্যাখো কী হয়। ঝড় উঠবে একটা মনে হচ্ছে।’

আগামী পর্বে সমাপ্য

অলঙ্করণ – দেবাশিস সাহা

ধারাবাহিকটি প্রথম থেকে পড়তে নীচের লাইনে ক্লিক করুন

উপন্যাস পাখিঘর পর্ব ১ থেকে পর্ব ২৬ 

এই উপন্যাসের যে কোনও চরিত্র এবং যে কোনও ঘটনার সঙ্গে বাস্তবের কোনও চরিত্র এবং কোনও ঘটনার মিল থাকলে তা নিতান্তই অনিচ্ছাকৃত, আকস্মিক ও কাকতালীয় বলে গণ্য করতে হবে।

মৃত্তিকা মাইতির জন্ম ১৯৮৯ সালে, পূর্ব মেদিনীপুরে। পারিবারিক পরিস্থিতি সুস্থির না থাকায় প্রথাগত শিক্ষা পাওয়া হয়ে ওঠেনি। পরে নিজের চেষ্টায় যা শিখেছেন তাতে তাঁকে স্বশিক্ষিত বলা যায়। তাঁত বোনা থেকে শুরু করে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থায় চাকরি পর্যন্ত সবই করেছেন জীবনের প্রয়োজনে। বর্তমানে একটি প্রকাশনা সংস্থার সঙ্গে যুক্ত। লেখালেখিতে নবীন। কয়েকটি পত্র-পত্রিকায় গল্প প্রকাশিত হয়েছে।

Comments are closed.