বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ১৭

স্বপ্নবয়ন

অনিতা অগ্নিহোত্রী

প্রেসিডেন্সী কলেজে অর্থনীতি, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তর অর্থনীতির পাঠ শেষ করে চলে গিয়েছিলেন হিমালয়ের কোলে জাতীয় অ্যাকাডেমিতে। দু’বছরের জন্য আইএএস অফিসারের ট্রেনিং নিতে। প্রিয় শহরের প্রতি একরাশ অভিমান ছিল মনে।
তারপর ঝাড়খণ্ডের কয়লা খনি অঞ্চল, মধ্য ও উত্তর ওড়িশার অরণ্য পর্বত স্কুল মালভূমিতে প্রান্তিক মানুষের জন্য কাজ। প্রশাসনের বুকের পাঁজর হয়ে বসে মানুষের প্রতি উত্তরদায়িত্বের ভাবনায় প্রতি নিয়ত দ্বন্দ্ব ও সংশয়ে দীর্ণ হওয়া। কবিতার পাশাপাশি গল্প লেখা চলেছে বাংলার বাইরের জনজীবন নিয়ে।
বড় বাঁধ প্রকল্পের পুনর্বাসন নীতির প্রয়োগ করতে গিয়ে বাস্তুচ্যুত মানুষদের গ্রামে পৌঁছোন। সেই সময়েই শুরু হল রাষ্ট্র ও নাগরিক অধিকারের সংঘর্ষের নতুনতর পাঠ। এর পর বিদেশে ডেভেলপমেন্ট ইকোনমিক্স পড়তে পড়তে লিখে ফেলা প্রথম উপন্যাস, ভুলতে না পারা মহুয়ার দেশ নিয়ে।
১৯৯৬ সাল। অর্থনৈতিক উদার নীতি তখন টলমল পায়ে হাঁটতে শেখা এক শিশু। পনের বছর বাংলার মাটি থেকে নির্বাসনের পর ফিরে এলেন বাঙালী সাহিত্যিক। সদ্য রূপ বদলানো বৈদেশিক বাণিজ্য অফিসের শীর্ষে। কিন্তু এই কি তাঁর ফেলে যাওয়া শহর?
প্রশাসনের অন্তরমহলের ভাষ্য নয়, মানুষের আঙিনায় বসে দেখা রাষ্ট্রের রূপ। প্রান্তিক জীবনের নিত্যকার লড়াই, জীবনে লিপ্ত হয়ে থাকার আখ্যান। ১৯৯৬-২০১৬ এই দু’দশক ব্যাপী সততসঞ্চরমান, সৃজনশীল শিল্পীর লেখা— চলন বিল।

বৈদেশিক বাণিজ্য অফিসের কাজ শেষ হলে নিজের ক্যাডারে ফিরে যাব, এমনই ঠিক ছিল। বাধ সাধল সংসার ও একটি অলীক স্বপ্ন। বাবা তখনও শয্যাশায়ী। এবং সেই কারণেই তাঁর শারীরিক অবস্থা ক্রমশ জটিল হচ্ছে। মাথায় রক্তক্ষরণ ও পক্ষাঘাতের কয়েক মাস পরেও কিছুটা কথা বলতে পারতেন এবং হাঁটা চলা করানোর চেষ্টাও চলছিল। এখন তিনি সম্পূর্ণ স্থবির। প্রায় মৌন। মাঝে মাঝে দু একটা বাক্য বলে ওঠেন আপন মনে। মা কার্যত চব্বিশ ঘন্টাই তাঁর শুশ্রুষায় লেগে আছেন। রাতেও প্রায় জেগেও থাকেন। দুজন সেবিকা আছেন। তাঁদের উপর খাবার বা ওষুধ খাওয়ানোর কাজ ছাড়া যায় না। রাতের জন সারা দিন খেটে এত ক্লান্ত থাকেন যে সারা রাত ঘুমিয়ে থাকেন। এঁদেরও মাঝে মাঝে পালা বদল ঘটে তখন উপযুক্ত বিকল্পের সন্ধানে সেবিকা কেন্দ্রে ফোন করতে হয়। হাসপাতাল থেকে ফেরার পর থেকে বাড়িতে চিকিৎসার দায়িত্ব দুই দাদার উপর।

দুই ছেলেকে ডাক্তারিতে ভর্তি করে বাবা বলেছিলেন, দুজন ডাক্তার হাতে রইল। একজনকে না পেলে, অন্যজন। দুই ডাক্তারের চিকিৎসার সদ্ব্যবহার যে এমন করুণ পরিস্থিতিতে হবে তা কে ভেবেছিল! মা বিশ্রামবিহীন যে সেবা করে যাচ্ছেন, তা অতিমানবিক। তবু মাঝে মাঝে অবস্থা বিকল হয়ে পড়ে। মা নিজে অসুস্থ, অথবা সেবিকারা আসেননি। তখন অফিসে ছুটি নিয়ে, ছেলে–মেয়ে ফেলে মায়ের কাছে ছুটতে হয়। আমার নিজের জীবন কাজ লেখা সব অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। এই অবস্থায় আমার ফিরে যাওয়া মন থেকে মেনে নিতে পারছেন না মা। আমি ডাক্তার নই, কিন্তু বাবা মায়ের সংসার সচল রাখতে যা যা দরকার সব আমিই করি। ব্যাংক, পোস্ট অফিস, দোকান বাজার, ওষুধ আনা থেকে চাকা–চেয়ারের মেরামত। আমি মনে মনে ভাবছি কীভাবে কলকাতায় আরও দু–এক বছর থেকে যাওয়া যায়, এমন সময় দুজন স্বপ্ন বুনিয়ের আবির্ভাব।

সেরজো স্ক্যাপানিনি। রোম থেকে মাঝে মাঝেই কলকাতায় আসছেন তখন। লেখক, চলচ্চিত্র প্রযোজক। শিল্প সাহিত্য, দেশ বিদেশ নিয়ে আড্ডায় সদা উৎসাহী। সেরজোর লেখা বই অনুবাদ হচ্ছে বাংলায়। তাঁর অন্যতম বন্ধু গৌতম ঘোষ ইতালি সরকারের সঙ্গে কথাবার্তা চালিয়ে যাচ্ছেন, কলকাতায় একটি সমাজ সংযোগ চলচ্চিত্র কেন্দ্র হবে। সত্যজিৎ রায় এমন ইচ্ছে প্রকাশ করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সচিব গোপী অরোরাকে লেখা একটি চিঠিতে। তরুণ–তরুণীরা নব্যতম কারিগরি শিখবে, কিন্তু চলচ্চিত্র নির্মাণের উপাদান আহরণ করবে জনজীবন থেকে, মানুষের কাছ থেকে উপাদান নিয়ে। সত্যজিৎ চলে যাবার পর সেই মর্মে একটি মেমোরান্ডাম অব আন্ডারস্ট্যান্ডিং হয়েছে ভারত সরকার ও ইতালি সরকারের মধ্যে। তার রূপদানের দায়িত্ব পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উপর। কেন জানি না সেরজো আর গৌতম ঘোষ এবিষয়ে একমত হয়েছিলেন যে, একেবারে ভিত থেকে এমন একটি কেন্দ্র গড়ে তুলতে গেলে কল্পনাশক্তি এবং প্রশাসনিক দক্ষতা সমান মাত্রায় আছে এমন কাউকে দরকার।

আমার মধ্যে এই দুয়ের উপযুক্ত মিশ্রণ আছে কিনা না ভেবেই রাজি হয়েছিলাম। কারণ সম্পাদক সত্যজিতের প্রশ্রয়ে বেড়ে উঠেছিল আমার শৈশব কৈশোরের লেখক জীবন। গৌতম ঘোষের সঙ্গে আলাপ করিয়ে দিয়েছিলেন পড়শি ও স্কুলের সহপাঠী উজ্জ্বল চক্রবর্তী, যিনি আবার পুরনো সন্দেশী। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ফিল্ম ল্যাব রূপায়ণ–এর কাছ ঘেঁষে যে পাঁচ একর জমিতে একদা সত্যজিৎ রায়ের বাসভবন বানানোর কথা ভাবা হয়েছিল, এবং বিশপ লেফ্রয় রোড ছেড়ে যেখানে যেতে তিনি রাজি হননি, সেখানেই  গড়ে উঠবে এই নতুন সমাজ সংযোগ চলচ্চিত্র কেন্দ্র। ইতালি সরকারের সঙ্গে কথা শেষ পর্যায়ে, যোগাযোগের দায়িত্ব নিয়েছেন সেরজো। তাঁরা আবশ্যক যন্ত্রপাতি, অন্য সরঞ্জাম পাঠাতে রাজি। একদল ভাবী শিক্ষককে নিযুক্ত করা হলে ইতালিতে ট্রেনিং পর্ব আরম্ভ হবে। এখন দরকার সংস্থাটিকে স্বনিয়ন্ত্রক হিসেবে গড়ে তোলার প্রস্তুতি। সরকারের অধীনে আন্ডারটেকিং হিসেবে তৈরি করলে এর নিজস্ব গতি ও ভঙ্গিতে কাজ করার ক্ষমতা সীমিত হয়ে থাকবে। তাই প্রাথমিক আলোচনায় ঠিক হয়েছে একটি রেজিস্টার্ড সোসাইটি হিসেবে তৈরি হবে কেন্দ্র।

আমি তখনও বৈদেশিক বাণিজ্য অফিসে। নতুন সংস্থা গড়ে তোলা নিয়ে কতখানি আগ্রহ বা আবেগ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মনে কাজ করছিল, তা জানার কোনও প্রত্যক্ষ উপায় আমার কাছে ছিল না । কিন্তু নতুন স্বপ্নের মধ্যে জড়িয়ে পড়েছিলাম বলে আমারও উৎসাহ ছিল ষোল আনা। তাছাড়া সত্যজিৎ রায় ১৯৬৯ থেকে ১৯৭৫ পর্যন্ত আনাড়ি হাতের অজস্র কবিতা গদ্য সন্দেশে উদার ভাবে ছেপেছেন। এবার আমার পালা গুরুদক্ষিণা দেওয়ার। কখনও গৌতম ঘোষ, কখনও বা উজ্জ্বল এটা ওটা খসড়া করতে অনুরোধ করেন। বুঝতে পারি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নিজ দফতরের কাজ আমার ঘাড়ে চাপছে, কিন্তু তা নিয়ে মাথা ঘামানোর সময় আমার নেই।


আসলে তখনই ভেবে দেখা উচিত ছিল, যাঁরা অজাত সংস্থার নিয়মাবলি তৈরির বরাত একজন অচেনা বহিরাগতকে দিয়ে করাতে চান, হলেনই বা তিনি একজন প্রশাসক, তাঁরা সেই প্রতিষ্ঠানকে জন্মের পর বাঁচিয়ে রাখবেন বা চালাবেন কীভাবে? তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগ, যা তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রীর অধীনে ছিল, তাদের রক্তে–মজ্জায় বঙ্গীয় কর্মসংস্কৃতি। গুণী, প্রতিভাবান মানুষেরা আছেন, বিদ্বজ্জন হিসেবে তাঁদের আলাদা সামাজিক পরিচিতিও আছে, অথচ সরকারি দফতরে তাঁরা যেন কেমন ঢিলেঢালা, নিস্পৃহ। আঠেরো মাসে বছর। প্রতিষ্ঠানের মুখ্য কার্যনির্বাহী আধিকারিক হিসেবে আমাকে আনার ব্যাপারে গৌতম ঘোষের আগ্রহে তাঁরা রাজি হয়েছেন বটে কিন্তু না পাঠিয়েছেন কেন্দ্র সরকারকে কোনও প্রস্তাব, না আমার ক্যাডার স্টেট ওড়িশাকে। এই ভাবেই বছর গড়িয়ে গেল। ততদিনে নতুন নিযুক্ত হওয়া শিক্ষকদের, যাঁদের পোশাকি নাম ইনস্ট্রাকটর, ইতালি পাঠানো হয়েছে, তাঁরা চলচ্চিত্র ও সমাজ সংযোগ এই সব নানা বিষয়ে তালিম পেয়ে ফিরেছেন কিন্তু তাঁদের কী কাজ দেওয়া হবে কেউ জানেন না। ফিল্ম ল্যাবের ডায়রেক্টরকে দেওয়া হয়েছে অতিরিক্ত ভার, কিন্তু নিজের কাজ করে তাঁর কাছে সময় কোথায়, যে এই তরুণ–তরুণী দের কাজ দেখবেন? কাজ নেই, তাই ইনস্ট্রাকটররা বাড়ি থেকে বই এনে পড়ে। সিকিওরিটি দিয়ে তাদের বলানো হয়, অফিস বই পড়ার জায়গা নয় হে। তারা কখনও কাজ করার সুযোগ না পেয়ে ক্লান্ত হয়ে হাতে মাথা রেখে ঘুমিয়ে পড়েন। তখন বলা হয়, অফিসটা কি তোমাদের ঘুমোবার জায়গা? তবে তারা করবে কী?

এ দিকে কার্যনির্বাহী আধিকারিক বা সিইও হিসেবে আমাকে নিয়ে আসার কাগজপত্র এমন শামুক গতিতে চলেছে যে, আমারও নিজের জায়গায় ফেরার সময় হয়ে এল। আমার অবস্থা সেই মায়ের মতন যাকে আড়াল থেকে দেখতে হচ্ছে যে, সন্তানরা না খেয়ে দেয়ে ধূলায় গড়াচ্ছে।

হয়ত এই আকাশ কুসুম রচনায় আমার জড়িয়ে পড়া একেবারেই উচিত হয়নি। সরকারের সঙ্গে গৌতম ঘোষ কথা বলছেন, সরকারের সঙ্গে তিনি ও সেরজো নিয়ত সংযোগ রেখে চলেছেন। কিন্তু তাঁরা সরকারি ব্যবস্থার ভিতরের খবর জানতে পারেন না। জানা সম্ভবও নয়। তার ফলে রচিত হচ্ছে নতুন নতুন চিত্রনাট্য। উৎসাহী ইতালি সরকার ডিজিটাল ভিডিও মাধ্যমের নতুন একরাশ যন্ত্রপাতি পাঠিয়েছেন, তার মধ্যে আছে এডিটিং, ক্যামেরা, সাউন্ড রেকর্ডিং ও অ্যানিমেশনের সেট আপ। তার সঙ্গে ক্যামেরা ফিট করা ঝকঝকে আনকোরা নতুন এক আউটডোর ব্রডকাস্ট ভ্যান। সেগুলির ব্যবহার করার মত পরিকাঠামো নেই, কারণ প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব বাড়ি তৈরির কাজ আরম্ভ হয়নি। প্রশিক্ষকরা সেগুলি ব্যবহার করে হাত মকশো করতে চান, কিন্তু ফিল্ম ল্যাবের অস্থায়ী পরিসরে এসব ব্যবহার করার অনুমতি দিতে সরকার নারাজ। সেগুলি ওয়াটার প্রুফ প্ল্যাসটিকে মুড়ে সারি সারি রাখা হয়েছে অস্থায়ী অফিসের মস্ত এক হলঘরে। বর্ষায় ছাতের কোণা দিয়ে জল গড়ায়।

নতুন প্রতিষ্ঠানের বাড়ির মঞ্জুরি এসে গেছে অথচ তৈরির কাজ আরম্ভ হয়নি, এমন সময় কলকাতায় এসে উপস্থিত ইতালির এক ডেলিগেশন, কাজের অগ্রগতি দেখতে। বিপন্ন সরকার গৌতম ঘোষের শরণাপন্ন হল। ফিল্মে যেমন হয়, তেমন করেই গৌতম ঘোষ ক্রেন বুলডোজার লেবার সব ভাড়া করে ফাঁকা মাঠে বানিয়ে দিলেন বিল্ডিং তৈরির দৃশ্য— শব্দ, ধুলো, হইচই সব মিলিয়ে তুমুল ব্যাপার। বিদেশিরা ফিরে  গেলে খালি মাঠ আবার যে কে সেই!
বৈদেশিক বাণিজ্য অফিসের কাজ সেরে বাড়ি বসে মাসখানেকে আমি তখন তৈরি করছি নতুন প্রতিষ্ঠানের কাজের পরিসর এবং শর্তাবলি। এ কাজে সরকারের কাছ থেকে কোনও মন্তব্য বা পরামর্শ পাওয়া যায়নি, এতটাই নিশ্চিন্ত তাঁরা। কিন্তু মনের আনন্দ আমার ধরে না। সৃজনশীল কাজের গৌরব, আরম্ভ থেকে একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা — এ সৌভাগ্য প্রশাসনে থেকে কজন পান? আমার তৈরি সেই খসড়ার অনেকটাই রুটিনচিত্ত করণিক ও আধিকারিকরা ফেলে বাদ দিয়েছিলেন, কিছু না বুঝেই। কিন্তু যা বাকি ছিল তাতেই পরে অনেক নতুন কাজ করার সুবিধে পেয়েছিলাম।

এইভাবে একদিন বহু বাধা ও বিলম্ব ঠেলে আমি রূপকলা কেন্দ্র নামক প্রতিষ্ঠানটির অভ্যন্তরে প্রবেশ করলাম। হাতের উপর মাথা রেখে ক্লান্ত প্রশিক্ষকের দল আমাকে দেখে ঝাঁপিয়ে এলেন, এতদিন কোথায় ছিলেন, বলে। স্থায়ী অফিস নেই, একজন আইএএস অফিসারের কাজের উপযুক্ত পরিকাঠামো, যার মৌখিক প্রতিশ্রুতি বঙ্গ সরকার দিয়েছিলেন, তার ছিটেফোঁটাও নেই। তবু আমি এবং সকলে খুশি। নিস্তব্ধ বাবার চোখে জল। দেওয়ালের ছবিতে সত্যজিতের হাসিমুখ।

নতুন কাজে যোগ দেওয়ার প্রাককালে আমার সন্দিগ্ধচিত্ত মা এমন একটি মৌলিক কথা বলেছিলেন, যা না শুকোনো ক্ষতের মতন আজও আমার চিত্তে লেগে আছে।

—“হ্যাঁরে, যেটা ছাড়া এতদিন সবার দিব্যি চলে গেছে, সেটা গড়ে তুললে বাঁচবে তো?”

অলঙ্করণ – সৌজন্য চক্রবর্তী

(ক্রমশ)

অনিতা অগ্নিহোত্রীর জন্ম কলকাতায়। প্রেসিডেন্সী কলেজ ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি পডেছেন। সাহিত্যের সব ধারাতেই আনা গোনা। অতল স্পর্শ, মহুলডিহার দিন, আয়নায় মানুষ নাই, কবিতা সমগ্র, মহানদী ইত্যাদি চল্লিশটিরও বেশি বইয়ের লেখক। কর্মসূত্রে ছিলেন ভারতীয় প্রশাসনিক সেবা বা ইন্ডিয়ান অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিসে। কাজে ও না কাজে ঘুরেছেন পূর্ব ও মধ্য ভারত। 

আরও পড়ুন:

প্রথম পর্ব : আমার শহর

দ্বিতীয় পর্ব : বাণিজ্যে বসত

তৃতীয় পর্ব: কোলকাতার কোল

 

 

 

 

 

Comments are closed.