শনিবার, সেপ্টেম্বর ২১

মহাভারত কথার সঙ্গে আজকের ভারতকথার মেলবন্ধন ‘আবাসভূমি’

বিশ্বজিৎ পাণ্ডা

আবাসভূমি ।। অরিন্দম বসু ।। দে’জ পাবলিশিং ।। ২০১৬ ।। ১৫০/- টাকা

অরিন্দম বসুর ‘আবাসভূমি’ উপন্যাসের কেন্দ্রে আছে ভূমি। ভূমির জন্য লড়াই। ভূমি নিয়ে ব্যবসা। ভূমির হাতবদল। ভূমির স্বরূপ এবং চরিত্র বদল ইত্যাদি। গ্রাম থেকে গঞ্জ, গঞ্জ থেকে শহর। বিশ্বায়নের পরে বড় দ্রুত বদলে যাচ্ছে ভূমিরূপের বদল। শহরের ব্যাপ্তি বাড়ছে। কলকাতার চৌহদ্দি বাড়ছে।

দক্ষিণ কলকাতার সন্নিহিত গ্রামীণ অঞ্চল আলোচ্য উপন্যাসের পটভূমি। রাঘবপুর, চরবগলাপুর, নেপালগঞ্জ। সেখান থেকে সোজা রাস্তা চলে গেছে কবরডাঙ্গা। অদূরে ঠাকুরপুকুর। এই জায়গাগুলো এখনও কলকাতা হয়ে যায়নি। এই অঞ্চলকে ঘিরে রয়েছে জলাভূমি, ধানখেত, পুকুর, মাছের ভেড়ি, মাঠ, গাছপালা। সপ্তাহে তিন দিন হাটও বসে এখানে।

কিন্তু বদলাতে শুরু করেছে সব। তার অনিবার্য প্রভাব চার পাশে। মহানগরের হাঁ-মুখ গিলে ফেলছে এবার। জমিগুলো সব বিক্রি হয়ে যাচ্ছে। ছোট ছোট চাষের জমি ‘প্রোজেক্ট’ হয়ে উঠছে। এখন সব কোম্পানি। মানুষেরাও এক একটা কোম্পানি। চাষিরা তাদের পেশা হারাচ্ছে। দালালের সংখ্যা বাড়ছে। দালালির মতো লাভজনক পেশায় মানুষের অন্তর্ভুক্তি বাড়ছে। আশেপাশে যত জমি, মাঠ, খেত-খামার দেখা যাচ্ছে, আসলে কিছুই নেই। আজ পড়ে আছে, ঠিক সময় হলেই সব ভরে যাবে। হাট উঠে যাবে। বাজারও থাকবে না। মার্কেট জন্মাবে। ভূগোলটাই পাল্টে যাবে। এই পাল্টে যাওয়ার আখ্যান ‘আবাসভূমি’।

এরই মধ্যে কেউ কেউ একটু অন্য ভাবে বাঁচতে চায়। যেমন ধ্রুবকুমার। উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া একচিলতে চাষের জমি কিছুতেই হাতছাড়া করতে চায় না। বাকি তিন দাদা তাদের ভাগটুকু বিক্রি করতে চাইলেও নারাজ সে। দালাল পিছনে পড়ে থাকে। ভয় দেখায়। উপপ্রধান ডেকে পাঠিয়ে হুমকি দেয়। কোম্পানি, দালাল, পঞ্চায়েত, সিন্ডিকেট, মস্তান, নেতা সব মিলেমিশে একসঙ্গে ধ্রুবর জমিটুকু কেড়ে নিতে বদ্ধপরিকর। তবুও প্রাণপণে আগলে রাখতে চায় সাধের জমিটুকু। সে জানে আর কী কী হতে পারে তার সঙ্গে। এই বোধ থেকেই তার কথায় উঠে আসে দার্শনিকতা। মাঠের মধ্যে তার জমি কোথায় জানতে চাইলে জন্মেজয়কে বলে—“আছে, ওর ভিতরেই। এখনও বেড়া বসাতে পারেনি। মনে করুন বনে আগুন লাইগ্যে দিলে কী হয়। আমি মনে করুন বাঘ কি হরিণ কি খরগোশ। আমি তো পালাব। আর ঝদি গাছ হই তাহলে পুড়ে মরতি হবে। ত্যাখন যারা আগুন লাইগেছে তাদেরই তো মজা। দখল করে নেবে। যা খুশি করা যাবে ত্যাখন।”

শেষ পর্যন্ত সে গাছই হয়ে যাবে। গাছের মতো মাটি আঁকড়ে থেকে পুড়ে মরে যাবে। তবুও পালিয়ে বাঁচার চেষ্টা করবে না। বিনা যুদ্ধে ছাড়বে না মাটির উপর তার আজন্মের অধিকার। মনে পড়বে দুর্যোধনের কথা। ধ্রুবকুমার যেন আজকের দুর্যোধন। সে নিজেই বলেছে, “সেকালে দুর্যোধন বলেছিল—বিনা যুদ্ধে জমি দেব নে। একালে আমি বলতিছি। দুর্যোধনের দিকি লোকবল ছেল। আমার দিকি কেউ নেই। দেখি কী হয়!”

‘আবাসভূমি’র আখ্যান বিন্যস্ত হয়েছে মহাভারতের আবহে। মহাভারতের অনুষঙ্গ বারবার ঘুরেফিরে এসেছে। সাধারণ মানুষেরাও কথায় কথায় মহাভারতের উপমা ব্যবহার করেছে। যেমন—মুড়ি-মুড়কি বিক্রেতা প্রসন্ন কৃষ্ণ-অর্জুনের একটি ঘটনা শুনিয়েছে ন্যায়-অন্যায় সম্পর্কে বলতে গিয়ে। ধ্রুবকুমার জন্মেজয়কে বলেছে—“মহাভারতের ভীষ্ম পয্যন্ত বলেছিল, মানুষ অর্থের দাস, অর্থ কারও দাস নয়। তিনি কৌরবদের দলে আছেন মানে তাদের খেয়েছেন পরেছেন…।” ধ্রুবর বাবা গোবর্ধনও মহাভারতের গল্প জানে। সে ছেলেদের বলেছে—“জমি নে, মেয়েমানুষ নে ঝগড়া ভালো নয়, জানলে। রামায়ণ-মহাভারত খুলে দ্যাখো। কত লোক মরেছে। শলা করে একটা মীমেংসা করে ন্যাও না।”

অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক জন্মেজয় মহাভারত-চর্চায় মগ্ন থাকেন। মহাভারতের ব্যাখ্যা করেন। আর তা লিখে রাখেন খাতায়। উপন্যাসের দীর্ঘ অংশ জুড়ে রয়েছে মহাভারতের সেই ব্যাখ্যা। লেখক এই চরিত্রটির মাধ্যমে আমাদের শুনিয়েছেন আধুনিক মহাভারতকথা। উপন্যাসের শেষ দিকে দেখি যুধিষ্ঠির এসেছেন তাঁর কাছে। সন্ধের আলো-আঁধারিতে উঠোনের ঝোপের কাছে যুধিষ্ঠিরকে দেখতে পান জন্মেজয়। তিনি যুধিষ্ঠিরের সঙ্গে কথা বলেন। চিরজীবীদের মধ্যে যুধিষ্ঠির পড়েন না। তা সত্ত্বেও তিনি কী করে এই আধুনিক সময়ে উপস্থিত হচ্ছেন—তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করলে যুধিষ্ঠির বলেছেন, মহাভারতের সমস্ত চরিত্রের মৃত্যু হলেও যুধিষ্ঠিরের মৃত্যু হয়নি। কৃষ্ণদ্বৈপায়ন ব্যাস পর্যন্ত তাঁর মৃত্যু-কল্পনা করতে পারেননি। তাই তিনি বারবার ফিরে এসেছেন।

কথা প্রসঙ্গে যুধিষ্ঠির জন্মেজয়কে বলেছেন—“স্বর্গে আরোহণকে কর্ম ও সিদ্ধান্তের সাফল্য মনে করলে বলা যায় যে কোনও সাধারণ মানুষের পক্ষেও তা লাভ করা সম্ভব। কিন্তু সময় বড় কঠিন। বিচার করলে দেখা যাবে সমস্ত সময়ের মধ্যে মহাভারতের সূত্র রয়েছে। ন্যায়-অন্যায়, ধর্ম-অধর্ম, পাপ-পুণ্য সময়েরই লক্ষণ। তারাই নায়ক ও প্রতিনায়ক। যুধিষ্ঠির কিংবা দুর্যোধন নয়। আপনি জানেন, ভূমি, অর্থ, নারী ও অন্যান্য ভোগ্যবস্তু যুদ্ধের কারণ হতে পারে যে কোনও কালেই। যুদ্ধ কখনও প্রকাশ্যে দেখা যায়, কখনও গোপনে চলে। মনে রাখবেন জন্মেজয়, সাধারণ মানুষ তার মতো করেই যুদ্ধ করেন। সেখানে তিনি জয়ী হলেন না পরাজিত হলেন তা বড় কথা নয়। যিনি নিজের ধর্মকে রক্ষা করেন তিনিই ধার্মিক।”

এখানেও ভূমির জন্য লড়াই চলছে। ধ্রুবকুমার তার মতো করে লড়াইটা করছে। তার ধর্মকে রক্ষা করতে চাইছে। সমস্ত প্রতিকূলতার মধ্যে তার জেদ থেকে সরে আসছে না। অনিবার্য পরাজয়ের দিকে এগিয়ে গেলেও, সে-ই তো ধার্মিক।

কে যে দুর্যোধন, আর কে যে যুধিষ্ঠির, তা গুলিয়ে যায় জন্মেজয়েরও। জন্মেজয় তাঁর ডায়রিতে লিখছেন— “দুর্যোধন কখনই তার জেদ থেকে সরে আসেননি। এই জেদ ভালো না মন্দ তা বিবেচ্য বিষয় হতে পারে কিন্তু তেজস্বী পুরুষের চরিত্রে তা দেখা যায়। দুর্যোধন কৃষ্ণকে বলেছিলেন, বিনা যুদ্ধে সূচ্যগ্র মেদিনীও দেব না পাণ্ডবদের। সে কথায় দম্ভ ছিল, তবে পৌরুষও যে ছিল তা মানতে হবে। তিনি যুদ্ধক্ষেত্রে ক্ষত্রিয়ের মৃত্যু চেয়েছিলেন।” যুধিষ্ঠিরের কথা লিখতে গিয়ে দুর্যোধনের কথা চলে আসে জন্মেজয়ের কলমে।

তিনি বিশ্বাস করেন মহাভারত আজও আছে। মহাভারতের ভূমির লড়াই অন্য চেহারা নিয়ে উপস্থিত বর্তমান সময়ে। ধ্রুবকুমার যেন হয়ে ওঠেন এযুগের দুর্যোধন। লড়াইটাই আখ্যানের বীজমন্ত্র। মহাভারতের কাল থেকে আজও বিদ্যমান ভূমির জন্য এরকম লড়াই। লড়তে লড়তে মৃত্যু বরণ করা। অনিবার্য পরাজয়, অমোঘ মৃত্যু জানা সত্ত্বেও পিছুপা না হওয়া।

ধ্রুবকুমার জানে, যে কলকাতায় এখন ফ্ল্যাটের চাষ হচ্ছে সে-ও তো এককালে গ্রামই ছিল। সে বোঝে তার কাছে যেগুলি চাষের জমি, শহরের লোকের কাছে সেগুলি ফাঁকা জায়গা। তারা শহর বাড়াতে চায়। শহর বাড়লেই নাকি উন্নতি। সেই উন্নয়নের শহরে ধ্রুবকুমারের মতো মানুষেরা শহুরে মানুষের সঙ্গে মিশে থাকতে পারবে না। তারা পরস্পর গায়ে গায়ে অথচ আলাদা আলাদা থাকবে। এক সময়ে সে ছিল চাষি। চাষাবাদই করত শুধু। এখন নিজের জমিটুকুতে চাষের কাজ করার পরে বাকি সময়ে রাজমিস্ত্রির কাজ করে। চাষি থেকে মিস্তিরি। পেশার বদল ঘটছে তার।

চাষের সঙ্গে তার যেটুকু যোগ এখন আছে, তা-ও থাকবে না ক’দিন পর। গ্রামের মানুষদের সঙ্গে যেটুকু সম্পর্ক আছে, তা-ও থাকবে না। এক জায়গায় থেকেও প্রত্যেকে আলাদা। এক একটা বিচ্ছিন্ন দ্বীপ যেন সব। নগরায়নের এটাই অনিবার্য পরিণতি। অনেক চেষ্টা করেও সে রুখতে পারবে না। তবু লড়ে যেতে চেয়েছে। চার পাশের সকলে জমি বিক্রি করে দিলে সে তার নিজের জমিতে ঢুকতে পারবে না। আবার জমিতে কোনও ভাবে ঢুকে গেলে সেখান থেকে আর বেরোতে পারবে না।

এ রকম একটা প্রেক্ষাপটে উপন্যাস শেষ হচ্ছে। মাঠে গিয়ে হাঁটু কনুইতে ভর দিতে ঘাস পরিষ্কার করে কিছু ক্ষণ। তারপর দম নেওয়ার জন্য সোজা হয়ে দাঁড়াতে গিয়েই শ্বাস বন্ধ হয়ে আসে ধ্রুবর। “এ রকম কী করে হল! কী দেখছে সে এসব ? চারপাশে মাঠ খেত খাল জলাজমি গাছপালা কিছুই তো নেই কোথাও। তার পায়ের নীচে মাটি আর সামনের ধানচারাগুলো ছাড়া চার দিকেই তো বাড়ি। লম্বা-বেঁটে-সরু-মোটা শক্ত নিরেট বাড়ি ঠেলে উঠেছে আকাশের দিকে। গায়ে গা লাগিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে তারা। তাদের খোপ খোপ জানলা দেখা যাচ্ছে। ঘুরে দাঁড়াল ধ্রুব। না, কেউ নেই। ও দিকেও তো সেই রকম সব বাড়ি। কত তলা ওগুলো? গুনে উঠতে পারে না ধ্রুব। সবগুলোর রং সাদা। রোদ উঠেছে। আর সেই রোদে ঝকঝকে বাড়িগুলো চোখ ধাঁধিয়ে দিচ্ছে। নড়তে পারল না সে।”

চমৎকার সমাপ্তি।

ধ্রুবর মতো মানুষদের এ রকমই অবস্থা হবে। সময়ের হাত ধরে সে বদলাতে চায়নি। মাটিতেই গেঁথে রয়েছে। দুর্যোধনের মতো মাটি কামড়ে রয়েছে। মাটি কামড়েই থাকবে। ধীমান পাঠকের মনে পড়বে দুর্যোধনের উরুভঙ্গ হয়েছিল। নড়াচড়ার ক্ষমতা ছিল না। ধ্রুবর মতো দুর্যোধন। দুর্যোধনের মতো ধ্রুব। আর এ রকম দু’-চার জন মানুষের কোনও শক্তিই নেই উন্নয়ন রুখে দেওয়ার। রুখতে গিয়ে স্ট্যাচু হয়ে যাবে। তবুও জারি থাকবে যুদ্ধ। জারি থাকবে লড়াই।

মহাভারতের প্রসঙ্গ থাকলেও ‘আবাসভূমি’কে মহাকাব্যিক উপন্যাস বলা সঙ্গত হবে না। মহাকাব্যিক ব্যাপ্তি এবং গাম্ভীর্য নেই আখ্যানের। লেখক তা চানওনি। লেখক বরং দেখাতে চেয়েছেন ভূমির জন্য লড়াই সেই মহাভারতের সময় থেকে আছে। নতুন কিছু নয়। স্বরূপটাই বদলেছে শুধু যুগে যুগে। আধুনিক সময়ের জমিদখলের রাজনীতির মধ্যে লেখক সফল ভাবে এনেছেন মহাভারতীয় ব্যঞ্জনা।

এর সঙ্গে ইতিহাসেরও যোগ রয়েছে। আখ্যানের একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র মিশনের ফ্রান্সিস ফাদার। তিনি ঐ অঞ্চলের ইতিহাস খুঁজে বেড়ান। জন্মেজয়কে তিনি বলেছেন— “মিশনের ইতিহাসের সঙ্গে এখানকার ইতিহাস জড়িয়ে আছে। চার দিকে যখন যা হয়েছে, তার ছাপ এখানেও পড়েছে। একটা জায়গার ভূগোল বদলে যেতে পারে। কিন্তু ইতিহাস তো বদলায় না। সে ঠিক থেকে যায়। এমনকী ভূগোলও এক সময় ইতিহাসের ভেতরে ঢুকে পড়ে।” জন্মেজয়ের পাশাপাশি ফ্রান্সিস ফাদার চরিত্রটি আরও একটু জায়গা জুড়ে এলে ভালো হত। চরিত্রটি সেই দাবি করে। এই আখ্যানে তার সুযোগও ছিল।

বস্তুত ভূমির চরিত্র বদলের এ হেন ইতিহাস তো শুধু এই একটি অঞ্চলের নয়। সমগ্র দেশের ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে ভূমির চরিত্র বদলের ইতিহাস। ভৌগোলিক পরিবর্তনের ইতিহাস। গ্রাম পতনের ইতিহাস। শহর পত্তনের ইতিহাস। আমাদের নৃতাত্ত্বিক ইতিহাসও। ফাদারের আঞ্চলিক ইতিহাস চর্চার মধ্যে বৃহত্তর ইতিহাসের অস্পষ্ট ইঙ্গিত আছে। হয়তো আরও উদগ্র হতে পারত সেই ইঙ্গিত। সে অন্য প্রসঙ্গ। কিন্তু লেখক ইঙ্গিতটুকু দিয়েছেন বলেই ‘আবাসভূমি’র কাহিনি ছোট্ট একটি প্রেক্ষাপটে আটকে থাকেনি। বৃহত্তর পটভূমির ব্যঞ্জনা পেয়েছে।

ভূমিকে অরিন্দম একটি সর্বশক্তিমান চরিত্র হিসেবে চিহ্নিত করতে চেয়েছেন। প্রকৃত প্রস্তাবে ‘আবাসভূমি’ বৃহত্তর ভারতবর্ষের ভূমি দখল এবং ভূমির স্বরূপ বদলের কথা বলেছে। গ্রামীণ ভারতবর্ষ থেকে নাগরিক ভারতবর্ষের দিকে যাত্রার কথকতা এই আখ্যান। সেই যাত্রাপথে অজস্র ধ্রুবকুমার ছিল; আছে; থাকবে। তাদেরই এক জনের কথা বিধৃত এখানে। মহাভারত কথার সঙ্গে আজকের ভারতকথার মেলবন্ধন ঘটেছে এভাবেই।

বিশ্বজিৎ পাণ্ডা বাংলার অধ্যাপক। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থ— “যৌনতা ও বাংলা সাহিত্যের পালাবদল”; “বাংলা লিট্‌ল ম্যাগাজিন”; “পথের পাঁচালীর আঁকেবাঁকে”; “আরণ্যকের আলোছায়া”; “উৎপল দত্ত”।

Comments are closed.