Latest News

ইজিপ্টের সেরা কিছু পিরামিডের হদিশ রইল! মিশরে এলে যেতে ভুলবেন না

দ্য ওয়াল ব্যুরো: মিশরের পিরামিড নিয়ে রয়েছে নানা রহস্য। এই প্রাচীন পিরামিডের গায়ে লেগে রয়েছে ইতিহাসের গন্ধ। এই স্মৃতিস্তম্ভগুলো আজও মানুষকে মুগ্ধ করে। দেশ বিদেশ থেকে পর্যটকেরা এখানে আসেন এই ইতিহাসকে চাক্ষুষ করতে। এই বিরাট স্মৃতিস্তম্ভগুলো মিশরের রাজাদের স্মরণীয় করে রাখার জন্যই তৈরি হয়েছিল। পরে মায়ান ও চাইনিজরাও এই ধরনের পিরামিড বানানো শুরু করেন। যুগ যুগ ধরে এই পিরামিডগুলো ইতিহাসের সাক্ষ্যকে বহন করছে। তাই আপনি যদি ইজিপ্টে বেড়াতে আসেন তাহলে অবশ্যই এই পিরামিডগুলো দেখে যাবেনই।

দ্য গ্রেট পিরামিড অফ্ গিজা

গিজার গ্রেট পিরামিড হল মিশরের একমাত্র প্রাচীন পিরামিড যা এখনও অব্দি টিকে রয়েছে। গিজাতে যে তিনটি পিরামিড কমপ্লেক্স রয়েছে তার মধ্যে এটাই সবচেয়ে বৃহত্তম ও পুরনো পিরামিড। বিশেষজ্ঞদের মতে পিরামিডটি খ্রিস্টপূর্ব ২৫৬০ সালের দিকে মিশরীয় ফেরাউন খুফুর জন্য বানানো হয়। প্রাথমিকভাবে এর উচ্চতা ১৪৬.৫ মিটার। এটা মানুষের বানানো বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা পিরামিড।৩৮০০ বছর ধরে এটা ইতিহাসের পাতাতে রয়েছে। এটি একমাত্র পিরামিড যার প্রবেশদ্বারে একটি সুইভেল দরজা রয়েছে। এর ভেতরে রয়েছে রাজার চেয়ার, রানির চেয়ার ও দুর্দান্ত একটি আর্ট গ্যালারি।

উনাসের পিরামিড

চতুর্দশ শতাব্দীতে মিশরীয় ফেরাউন উনাসের জন্য বানানো হয় এই পিরামিডটি। এটা একটা প্রাচীন পিরামিড, যা উনাসের রাজত্বের সময়কাল চিহ্নিত করে। এটি একটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ পিরামিড। ৪৩ মিটার উঁচু এই পিরামিডকে উনিশ শতকে আবার নতুন করে আবিষ্কার করা হয়, তখন এর মধ্যে একটি মমিও উদ্ধার করা হয়েছিল।

আহোমসের পিরামিড

আহোমসের পিরামিড প্রথম ফেরাউন আহোমসের জন্য একটি সিনোটাফ হিসাবে বানানো হয়েছিল। এটা কোনও সমাধি হিসেবে বানানো হয়নি। যদিও এখন দেখলে কোনও রকম রাজকীয়তার ছাপ খুঁজে পাওয়া যাবে না, কেবলই যেন ধ্বংসস্তূপ! তবুও এই ১০ মিটার উঁচু পিরামিডকে দেখতে পর্যটকেরা এখানে আসেন।

খফরের পিরামিড

খফরের পিরামিড হল গিজার দ্বিতীয় বৃহত্তম পিরামিড। এটা খুফুর দ্বিতীয় পুত্র খাফ্রে তৈরি করেছিলেন। তাঁর সময়কালকেই বলা হয় মিশরের ‘গোল্ডেন টাইম’; তিনি রাজত্বকালে অর্জন করেছিলেন বহু খ্যাতি। এই পিরামিডগুলো শুধু তাঁদের পরিবারেরই নয়, গোটা মিশরেরই সম্পদ।

You might also like